নরসিংদীর রায়পুরায় মির্জানগর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ডা. ফরিদ আহমেদ এর সমর্থন আদায়ে দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী সাথে নিয়ে গণসংযোগ ও মিছিল করা হয়
- প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ২ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীর রায়পুরায় মির্জানগর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ডা. ফরিদ আহমেদ এর সমর্থন আদায়ে দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী সাথে নিয়ে গণসংযোগ ও মিছিল করা হয়
বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নরসিংদীর রায়পুরায় মির্জানগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মির্জানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. ফরিদ আহমেদ এর সমর্থন আদায়ের জন্য কয়েক শতাধিক দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সাথে নিয়ে গণসংযোগ ও মিছিলে অংশগ্রহন করেন। তার সমর্থন আদায়ের জন্য জোরদাবী করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীরা।
আজকাল সকালে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ ওর্য়াডে কয়েক শতাধিক বিএনপির নেতা কর্মী সর্বস্তরের জনগন সাথে নিয়ে ডা.ফরিদ আহমেদের গণসংযোগ ও মিছিলে অংশগ্রহন করা হয়েছে।
জানাগেছে, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং নরসিংদী-৫(রায়পুরা)আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলের আস্থাবাজন ডা. ফরিদ আহমেদের পক্ষে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন দলীয় নেতা কর্মী ও এলাকাবাসীরা ।
দলীয় নেতাকর্মীরা আরোও জানান, মির্জানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. ফরিদ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে মির্জানগর ইউনিয়নে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিক মামলা হামলা শিকার হয়ে ও কারাবরণের মতো প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন বলে দাবি করেন তাঁর সমর্থকেরা। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ত্যাগী পরিক্ষিত নেতা হিসেবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে ।
২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নানা প্রতিকূলতা ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে দলের নির্দেশে পালন করতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ডা. ফরিদ আহমেদ। স্বেরাচার শেখ হাসিনার আমলে ওই নির্বাচনে অল্প ভোটের ব্যবধানে তাঁকে পরাজয় করা হয়েছিল । তখনকার সময় প্রকাশ্যে বিএনপির নাম মুখে নেওয়া খুবই কঠিন ছিল। বিএনপি থেকে ধানের শীষের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার জন্য অনেক নেতাদের কাছে অফার দেওয়ার পরও কারও কোন সাড়া না পাওয়া গেলে তার জনপ্রিয়তার জোড়ে তখন চেয়ারম্যান পদে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছিলেন। এ ছাড়া সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলের পক্ষে বিজয় চিনিয়ে আনতে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দলীয় নেতাকর্মী সাথে নিয়ে মির্জানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও সভা সমাবেশে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন ডা: ফরিদ আহমেদ।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের জোর দাবি, ডা. ফরিদ আহমেদ একজন সহজ-সরল, সাদা মনের মানুষ ও ত্যাগী পরীক্ষিত রাজনৈতিক নেতা। পল্লিচিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । এলাকায় প্রতিজশা ডাক্তার হিসেবে তার বিরাট সুনাম রয়েছে। তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য সাহায্য সহযোগিতা করেন। বিভিন্ন সময় বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এসব বিবেচনায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁকে দলীয় সমর্থন দেওয়া হলে মির্জানগর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে মনে করেন তাঁর সমর্থকরা।
ডা. ফরিদ আহমেদ বলেন, আমাদের সকলের অভিবাবক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির নেতৃত্বে মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে নব্য হাইব্রিড মুক্ত বিএনপি প্রতিষ্ঠা করতে ত্যাগী পরিক্ষিত নেতাকর্মীরা ঐক্যবন্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলীয় কোন্দল বন্ধ করে ঘাপটি মেরে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদেরকে প্রতিহত করতে প্রকৃত নেতাকর্মীরা আরোও সুচ্ছার হতে হবে। মির্জানগর ইউনিয়নের সকল উন্নয়ন মুলক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে চান তিনি। দলের দু;সময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে বিএনপির শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।
তিনি আরোও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বকে দলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি অন্যায়,অত্যচার দুর করে এলাকায় শান্তি,শৃংখ্যালা,ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির নেতৃত্বে এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, অনিয়ম ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গঠন করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মির্জানগর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এ ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সমাদান করতে বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, হাটবাজার, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সুদৃষ্টি দেওয়ার জন্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে । পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য সকল জনগণের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ডা. ফরিদ আহমেদ বলেন, জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এ ছাড়া ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানান ডা. ফরিদ আহমেদ। তাঁর মতে, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
ডা. ফরিদ আহমেদকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন দেওয়ার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মির্জানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, মির্জানগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সেলিম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ফারুক মোল্লা, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মিজান ফরাজী, ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি কামাল মোল্লা, আলতাফ গাজী ও বিল্লাল মিয়াসহ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।



















