টাঙ্গাইল ০২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কেন্দ্রীয় যুবদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা যুবদল। নরসিংদীতে ৫৩তম গ্রীস্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনি অনুষ্ঠান টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসছেন আদর্শ সিদ্দিকী? চলছে জোর গুঞ্জন টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি টাঙ্গাইল সেতু এনজিওর দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সহকর্মীকে হয়রানির অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ৭৪তম জন্মদিন পালিত নরসিংদীর ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপিকে নিরাপত্তা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন কালিহাতীতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত র‌্যালি ও আলোচনা সভা, নতুন কমিটি গঠনের দাবি নওগাঁয় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধ’র্ষ’ণ চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধ আ’টক স্ত্রী মলির হাতে স্বামী হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১২ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের
বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় ‘ ক’ ফরমে তথ্য চেয়ে করা লিখিত আবেদন গ্রহণ না করা, সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং দাপ্তরিক কাজে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহীতা ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় একটি লিখিত আবেদন নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে গেলে সেটি গ্রহণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীর পক্ষ থেকে নানা ধরনের অনীহা দেখানো হয়। একপর্যায়ে আবেদনটি গ্রহণ না করেই সেবা গ্রহীতাকে ফিরিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে।
শুধু তাই নয়, এ সময় সেবা গ্রহীতার সঙ্গে অশোভন, অসৌজন্যমূলক ও আপত্তিকর আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
তথ্য অধিকার আইন নাগরিকদের সরকারি দপ্তরের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। অভিযোগকারির প্রশ্ন—আইনের আওতায় কোনো নাগরিক লিখিত আবেদন নিয়ে এলে সেটি গ্রহণ ও বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের পরিবর্তে যদি তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার বাস্তবে কতটা নিশ্চিত হচ্ছে?
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর আচরণ নিয়ে এমন অভিযোগ ওঠায় পুরো দপ্তরের সেবার মান ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারী ভূক্তভোগী বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনটি কেন গ্রহণ করা হয়নি, আবেদন গ্রহণের দায়িত্ব কার ছিল এবং সেবা গ্রহীতার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে ,বিজন সাহা তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল কালিহাতীতে চাকুরী করাকালীন সময়ের বিভিন্ন সেবাগ্রহিতার সাথে অহরহ অসদাচরন করেছেন।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভূঞার ০১৭১২৮২১৫৮৮ নম্বরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের
বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় ‘ ক’ ফরমে তথ্য চেয়ে করা লিখিত আবেদন গ্রহণ না করা, সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং দাপ্তরিক কাজে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহীতা ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় একটি লিখিত আবেদন নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে গেলে সেটি গ্রহণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীর পক্ষ থেকে নানা ধরনের অনীহা দেখানো হয়। একপর্যায়ে আবেদনটি গ্রহণ না করেই সেবা গ্রহীতাকে ফিরিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে।
শুধু তাই নয়, এ সময় সেবা গ্রহীতার সঙ্গে অশোভন, অসৌজন্যমূলক ও আপত্তিকর আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
তথ্য অধিকার আইন নাগরিকদের সরকারি দপ্তরের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। অভিযোগকারির প্রশ্ন—আইনের আওতায় কোনো নাগরিক লিখিত আবেদন নিয়ে এলে সেটি গ্রহণ ও বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের পরিবর্তে যদি তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার বাস্তবে কতটা নিশ্চিত হচ্ছে?
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর আচরণ নিয়ে এমন অভিযোগ ওঠায় পুরো দপ্তরের সেবার মান ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারী ভূক্তভোগী বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনটি কেন গ্রহণ করা হয়নি, আবেদন গ্রহণের দায়িত্ব কার ছিল এবং সেবা গ্রহীতার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে ,বিজন সাহা তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল কালিহাতীতে চাকুরী করাকালীন সময়ের বিভিন্ন সেবাগ্রহিতার সাথে অহরহ অসদাচরন করেছেন।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভূঞার ০১৭১২৮২১৫৮৮ নম্বরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।