কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নওগাঁয় দিনব্যাপী কর্মশালা
- প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ০ বার পড়া হয়েছে
কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নওগাঁয় দিনব্যাপী কর্মশালা
গৌতম কুমার মহন্ত, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ দেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন তহবিল এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন স্কিম বাস্তবায়নে প্রচার ও সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলার সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা ও উপশাখার যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি মহাদেবপুর শাখার এজিএম ও শাখা প্রধান পরিতোষ চন্দ্র বসাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মানজুরা মুশাররফ। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির এফএভিপি ও মহাদেবপুর শাখা প্রধান মো. মামুনুর রশিদের সঞ্চালনায় এতে কর্মশালা বিষয়ক মূল প্রবন্ধ ও তথ্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়ার কৃষি ঋণ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. রাকি মিয়া। তিনি উত্তরবঙ্গকেন্দ্রিক বিশেষ কৃষি তহবিল ও ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের বিভিন্ন দিক বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনতা ব্যাংক পিএলসি নওগাঁ এরিয়া অফিসের ডিজিএম মো. ওমর ফারুক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম রব্বানী এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ। এর আগে উপজেলা প্রশাসন মসজিদের পেশ ইমাম মো. জাহিদুল ইসলামের কোরআন তেলাওয়াতের পর স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনতা ব্যাংক পিএলসি মহাদেবপুর শাখার ম্যানেজার এ এন এম খায়রুজ্জামান।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, এ ধরনের পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে গতিশীল ও জোরদার করার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রান্তিক কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তারা যেন হয়রানিমুক্তভাবে ও সহজ শর্তে এ ফান্ড থেকে ঋণ সুবিধা পেতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।









