বদলি হয়েও থামেনি যাতায়াতের অভিযোগ, কনস্টেবল আনোয়ারকে ঘিরে নানা প্রশ্ন
- প্রকাশিত : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
বদলি হয়েও থামেনি যাতায়াতের অভিযোগ, কনস্টেবল আনোয়ারকে ঘিরে নানা প্রশ্ন
ক্রাইম রিপোর্টার শরিফুল ইসলাম টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর কনস্টেবল আনোয়ারকে নাগরপুর থানায় বদলি করা হয়। তবে বদলির পরও টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া এলাকার একটি নিষিদ্ধপল্লিতে তাঁর যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি ২৪ জুলাই মাদক সম্রাজ্ঞী লাকীর এক ভিডিও বার্তায় কনস্টেবল আনোয়ারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। ওই ভিডিওতে তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আনোয়ার থানার সাবেক ওসি, থানার মুন্সি ও, ওসির বডিগার্ডের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। এ ক্ষেত্রে ৪০ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগও ভিডিওতে উঠে আসে।
একই ভিডিও বার্তায় লাকী আরও দাবি করেন, রানু নামে এক মাদক সম্রাজ্ঞীর সাথে কনস্টেবল আনোয়ারের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।
এদিকে রানুকে ঘিরে সম্প্রতি একটি অডিও বার্তা প্রকাশের বিষয়টিও সামনে এসেছে। ওই অডিও বার্তার সঙ্গে একটি টেমপ্লেটে এসআই রাফিউল করিমের ছবি ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে নিজের ও পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে দাবি করে রাফিউল করিম ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সার্বিক ঘটনায় কনস্টেবল আনোয়ারের সম্পৃক্ততার অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় তদন্তের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, মাদক-সংশ্লিষ্টতা, প্রভাব খাটানো কিংবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে শুধু বদলি যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে বিভাগীয় তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হতে পারে।
নাগরপুর থানায় বদলির পরও কনস্টেবল আনোয়ারের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, সেটিও এখন প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।



















