টাঙ্গাইল ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতীতে নৈতিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আধুনিক ও বাস্তবমুখী চিন্তাভাবনায় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে-ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি পারখী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক নির্মূল কমিটি গঠন সভাপতি সাংবাদিক এনায়েত করিম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক শারমিনকে ঘিরে ‘মেয়ে থেকে ছেলে’ রূপান্তরের দাবি, ছড়াচ্ছে নানা গুজব আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী রেলি মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর হাবলার চেয়ারম্যান পদে সুমন খানের আগ্রহ, সন্ত্রাস-মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় কালিহাতীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সি ও ট্রফি উন্মোচন, উদ্বোধনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন কালিহাতীতে কারখানা বন্ধের হুমকি, চাঁদা না দিলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / ৭৮ বার পড়া হয়েছে

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলে প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরীর অস্তিত্ব থাকলেও এসব কারখানায় উৎপাদিত বিড়ি সরকার নির্ধারিত মূল্য ও রাজস্ব কাঠামোকে উপেক্ষা করে বাজারজাত করছে সংশ্লিষ্ট বিড়ি মালিকরা। প্রতি প্যাকেটে বিড়ির বাজার মূল্য ১৮ থেকে ২০ টাকা হলেও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাট বাজার ও দোকানপাটগুলোতে সেই বিড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।
যেখানে  প্রতি প্যাকেট বিড়ির জন্য সরকার নির্ধারিত ব্যান্ডরোল এর দাম প্রায় ৯ টাকা সেখানে বিড়ির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১০টাকায়। যা রাজস্ব ফাকির সুষ্পষ্ট প্রমান বহন করে। সত্যিকার অর্থে অধিকাংশ বিড়ির প্যাকেটে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছ কিছু ক্ষেত্রে একই ব্যান্ডরোল বারবার ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
জানা যায়, নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত মিলিয়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরী রয়েছে। এর মধ্যে মটর বিড়ি, মুকুট বিড়ি, লাকী বিড়ি, মন্টুর বিড়ি, হক বিড়ি,নিউ লাকী বিড়ি, নিউ মুকুট বিড়ি, মোহিনী বিড়ি, পাখা বিড়ি, মিষ্টি বিড়ি, রেখা বিড়ি, সাইফ বিড়ি, সিয়াম বিড়ি, মধু বিড়ি, মিরাজ বিড়ি, দেওয়ান বিড়ি, হালিম বিড়ি, যমুনা বিড়ি, ৫নং বিড়ি, নিশান বিড়ি, ফুল বিড়ি, সাইকেল বিড়ি, মিঠু বিড়ি, সোহাগ বিড়ি ও জীবন বিড়ি উল্লেখযোগ্য।
এসব বিড়ি ফ্যাক্টরীর মধ্যে অনেকের বৈধ কারখানা নাই। কারখানা থাকলেও তাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অনেকেই স্থানীয় কাস্টমস অফিসের সহযোগীতায় চুক্তিবদ্ধ ব্যান্ডরোল উত্তোলন করলেও জাল ও একাধিকরার ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের উপর বেশি নির্ভরশীল। ফলে সরকার প্রতিবছর এ শিল্প থেকে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে।
সংশিষ্ট নিরপেক্ষ তদারকি  কর্মকর্তাদের সুষ্ঠু ও  নিরপেক্ষ তদন্ত কার্যক্র না থাকায় এসব বিড়ি মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

প্রকাশিত : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলে প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরীর অস্তিত্ব থাকলেও এসব কারখানায় উৎপাদিত বিড়ি সরকার নির্ধারিত মূল্য ও রাজস্ব কাঠামোকে উপেক্ষা করে বাজারজাত করছে সংশ্লিষ্ট বিড়ি মালিকরা। প্রতি প্যাকেটে বিড়ির বাজার মূল্য ১৮ থেকে ২০ টাকা হলেও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাট বাজার ও দোকানপাটগুলোতে সেই বিড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।
যেখানে  প্রতি প্যাকেট বিড়ির জন্য সরকার নির্ধারিত ব্যান্ডরোল এর দাম প্রায় ৯ টাকা সেখানে বিড়ির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১০টাকায়। যা রাজস্ব ফাকির সুষ্পষ্ট প্রমান বহন করে। সত্যিকার অর্থে অধিকাংশ বিড়ির প্যাকেটে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছ কিছু ক্ষেত্রে একই ব্যান্ডরোল বারবার ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
জানা যায়, নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত মিলিয়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরী রয়েছে। এর মধ্যে মটর বিড়ি, মুকুট বিড়ি, লাকী বিড়ি, মন্টুর বিড়ি, হক বিড়ি,নিউ লাকী বিড়ি, নিউ মুকুট বিড়ি, মোহিনী বিড়ি, পাখা বিড়ি, মিষ্টি বিড়ি, রেখা বিড়ি, সাইফ বিড়ি, সিয়াম বিড়ি, মধু বিড়ি, মিরাজ বিড়ি, দেওয়ান বিড়ি, হালিম বিড়ি, যমুনা বিড়ি, ৫নং বিড়ি, নিশান বিড়ি, ফুল বিড়ি, সাইকেল বিড়ি, মিঠু বিড়ি, সোহাগ বিড়ি ও জীবন বিড়ি উল্লেখযোগ্য।
এসব বিড়ি ফ্যাক্টরীর মধ্যে অনেকের বৈধ কারখানা নাই। কারখানা থাকলেও তাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অনেকেই স্থানীয় কাস্টমস অফিসের সহযোগীতায় চুক্তিবদ্ধ ব্যান্ডরোল উত্তোলন করলেও জাল ও একাধিকরার ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের উপর বেশি নির্ভরশীল। ফলে সরকার প্রতিবছর এ শিল্প থেকে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে।
সংশিষ্ট নিরপেক্ষ তদারকি  কর্মকর্তাদের সুষ্ঠু ও  নিরপেক্ষ তদন্ত কার্যক্র না থাকায় এসব বিড়ি মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং