মহাদেবপুরে বিদ্যুৎ স্পর্শে গৃহবধূর মৃত্যু
- প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ১ বার পড়া হয়েছে
মহাদেবপুরে বিদ্যুৎ স্পর্শে গৃহবধূর মৃত্যু
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুরে বিদ্যুৎ স্পর্শে সুধা রাণী (৪০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
২৪ জুন বৃহস্পতিবার ১০ টার দিকে নিজ বাড়িতে বিদ্যুতের সুইজ দিতে গিয়ে দূর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। মৃত গৃহবধূ সুধা রাণী উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের চকগৌরী গ্রামের রতনের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়,মৃত সুধা রাণী ও তার স্বামী রতন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান কানসাট থেকে এদিন সন্ধ্যায় বাড়ি আসেন। সুধা রানী রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে তাদের ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর জন্য বোর্ডের সুইজে হাত দেয়। এসময় বিদ্যুৎ স্পর্শে তিনি আটকে গিয়ে চিৎকার করে মেঝেতে পরে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তার শাশুড়ী ও প্রতিবেশীরা গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। এবিষয়ে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওমর ফারুক বলেন, বিদ্যুৎ স্পর্শে মৃত্যুর ঘটনায় তাঁকে কেউ জানাননি। মহাদেবপুরে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ভূমি
অফিসের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে খাজুর-
চাঁন্দাশ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। সাংবাদিকদের এহেন আচরণের ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। ২৩ জুন মঙ্গলবার নওগাঁ থেকে আগত কতিপয় সাংবাদিক খাজুর-চাঁন্দাশ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা জানান, দেবীপুর গ্রামের সেবাগ্রহীতা সালামুল ইসলাম মহাদেবপুরসহ বিভিন্ন
জায়গায় ঘুরে অনলাইনে খাজনার টাকা জমা দিতে না পেরে এদিন দুপুরে খাজুর-চাঁন্দাশ
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এসে খাজনার টাকা জমা নেয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করেন। তার এবং
উপস্থিত সেবাগ্রহীতাদের অনুরোধে অফিসে কর্মরত মোঃ রায়হান আলী তার নিজ বিকাশের
মাধ্যমে ওই ব্যক্তির ৪ হাজার ১৭১ টাকা খাজনা পরিশোধ করে নগদ টাকা নিচ্ছিলেন। এ সময়
কয়েকজন ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও করতে করতে অফিসে ঢুকে বিভিন্নভাবে হুমকী-ধামকী
দিয়ে হাত থেকে টাকা কেড়ে নিয়ে টেবিলে ফেলে দিয়ে তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন।
তাদের আচরণে উপস্থিত সেবাগ্রহীতারা ওইসব ব্যাক্তিদেরকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোক মনে করে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। ভুক্তভোগীরা জানান, জমির খাজনা-খারিজসহ যাবতীয় বিষয় অনলাইনে অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় গ্রামের সাধারণ কৃষকতো দুরে থাক অনেক সচেতন মানুষও এসব বিষয়ে অবগত নন। তাই নিয়ম না থাকলেও অনেক সময় অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করতে অফিসের লোকজন তাদেরকে
সহযোগিতা করে থাকেন। তবে সরকারি কোষাগারে জমার অতিরিক্ত কোনো টাকা নেননি বলেও তারা জানান। ওইদিন সেবা নিতে আসা খাজুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ
আব্দুল জব্বার মন্ডল জানান, আগন্তুকদের কথা বার্তা ও মারমুখী আচরণে সেখানে উপস্থিত সেবাগ্রহীতারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। তাদেরকে
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মনে করে সম্মানের সাথে কথা বললেও তারা কোন কথায়
শুনতে না চেয়ে উপস্থিত লোকজনের সাথে খুবই খারাপ আচরণ করে। তার মতে এ ভূমি অফিস থেকে কোন অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে প্রকৃত বিষয় আড়াল করে অফিসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সেবাগ্রহীতা স্থানীয় ইউপি সদস্য সামশুল আলম, রামচন্দ্রপুর গ্রামের সাইদুর রহমান, দক্ষিণওড়া গ্রামের মতিউর রহমান, তংকা শিবপুর গ্রামের আনিছুর রহমান, কর্ণতৈড় পালপাড়া গ্রামের ফিরোজ হোসেন, রামরায়পুর গ্রামের শাহিন আলমসহ ঘটনার সময় উপস্থিত আরো অনেকেই জানান, একটি সরকারি অফিসে ঢুকে অফিসে কর্মরত রায়হানসহ অন্যদেরকে যেভাবে তারা হুমকি-ধামকি দিয়েছে,এতে করে সাংবাদিকতা পেসাকে তারা বির্তকিত করেছে। এছাড়াও আগত সেবাগ্রহীতারা বলেন রায়হান আলী বিকাশের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধ করে নগদ টাকা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু তিনি সরকারি খরচ ছাড়া খাজনার অতিরিক্ত কোন টাকা নেননি বলেও তারা দাবী করেন। এ বিষয়ে মোঃ রায়হান বলেন,তিনি ওই অফিসে কাজ করেন। গত মঙ্গলবার দুপুরে একজন কৃষকের বিশেষ অনুরোধে তার বিকাশের মাধ্যমে ওই খাজনার টাকা পরিশোধ করে নগদ টাকা গ্রহণ করি। এ সময় সাংবাদিকরা টাকা নেয়ার দৃশ্যটি মোবাইলে ধারণ করে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সাংবাদিকরা ভুক্তভোগীদের কোন কথা না শুনে তাদের মনগড়া তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।



















