টাঙ্গাইল ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সি ও ট্রফি উন্মোচন, উদ্বোধনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন কালিহাতীতে কারখানা বন্ধের হুমকি, চাঁদা না দিলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ কালিহাতীতে হেলিকপ্টারে নবদম্পতির আগমন, দেখতে ভিড় এলাকাবাসীর পারখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ হারুন অর রশীদ নরসিংদীর রায়পুরায় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও গাড়ী ভাংচুর এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল নরসিংদীর মনোহরদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নরসিংদীর রায়পুরায় জাতীয় মৎস্য দিবস উপলক্ষ্যে উদ্বোধন, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে ! টাঙ্গাইলে তীব্র ক্ষোভ কালিহাতীতে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৭ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীর কৃতি সস্তান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ৫বারের নির্বাচিত এমপি শিক্ষাবিদ ড.আবদুল মঈন খানকে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী করায় নরসিংদী জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ফুলকাম বাদশা ও সিনিয়র প্রকৌশলী মীর শওকত সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে আন্তরিক প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
জানাগেছে,গত(২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়ার পর তিনি পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর আগে সকাল থেকেই তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পরলে পলাশ নির্বাচনী আসনে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পর প্রজ্ঞাপন জারি হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শূন্য পদে আবদুল মঈন খান দায়িত্ব পেয়েছেন। উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো: সোবাহান ভূঁইয়া এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। এছাড়াও পলাশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেন। এলাকাবাসী জানান, ড. আবদুল মঈন খান একজন অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক। এর আগেও তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর হাত ধরে পলাশ তথা নরসিংদীর ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-প্রযুক্তির অগ্রগতি হয়েছিল। পুনরায় তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ায় এই অঞ্চলসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ। পলাশ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল বলেন, ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়াতে পলাশবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটেছে। ওনার মতো একজন সুদক্ষ, সৎ ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানুষের হাতেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিরাপদ। ওনার হাত ধরে এ দেশের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব। ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা বলেন, মঈন খানের মতো একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ এর হাতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যাওয়া মানে নরসিংদী সহ সারাদেশের রাস্তাঘাট ও জীবনমানের উন্নয়ন হবে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে তিনবার মন্ত্রী ছিলেন। এবারসহ ৫ বারের এমপি ও চতুর্থ বারের মতো মন্ত্রীর দায়িত্বের তৌফিক হওয়ায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। মঈন খান বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যেমন রাজপথের সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে সকল আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। ঠিক একইভাবে বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হয়ে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে বিশ্বাস করি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আবদুল মঈন খান। আজ (২১আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরে রাতেই তার দপ্তর বণ্টন করা হয়। ড.আব্দুল মঈন খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারণী নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পঞ্চম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ড.আব্দুল মঈন খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক রাজনীতিবিদ ও খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খানের ছেলে। বাবার হাত ধরেই তিনি রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। বিগত দিনে মন্ত্রী হিসেবে মঈন খান বিএনপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (পরবর্তীতে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমান সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তালিকা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় এক নম্বর বা ক্রমিক ১-এর মন্ত্রী তিনি। এতদিন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মির্জা ফখরুল মন্ত্রিত্ব ছাড়ায় শূন্য হয় পদটি। রাজনীতিতে সুশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। আবদুল মঈন খান তার শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল থেকে মেট্রিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে বিএসসি (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ড. মঈন খান রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা খাতেও অসামান্য অবদান রাখেন। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হওয়ার পূর্বে ড. আবদুল মঈন খান শিক্ষকতা ও গবেষণায় দীর্ঘ সময় কাটান। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স ও টেকনোলজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তার বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

প্রকাশিত : সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীর কৃতি সস্তান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ৫বারের নির্বাচিত এমপি শিক্ষাবিদ ড.আবদুল মঈন খানকে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী করায় নরসিংদী জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ফুলকাম বাদশা ও সিনিয়র প্রকৌশলী মীর শওকত সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে আন্তরিক প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
জানাগেছে,গত(২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়ার পর তিনি পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর আগে সকাল থেকেই তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পরলে পলাশ নির্বাচনী আসনে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পর প্রজ্ঞাপন জারি হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শূন্য পদে আবদুল মঈন খান দায়িত্ব পেয়েছেন। উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো: সোবাহান ভূঁইয়া এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। এছাড়াও পলাশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেন। এলাকাবাসী জানান, ড. আবদুল মঈন খান একজন অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক। এর আগেও তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর হাত ধরে পলাশ তথা নরসিংদীর ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-প্রযুক্তির অগ্রগতি হয়েছিল। পুনরায় তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ায় এই অঞ্চলসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ। পলাশ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল বলেন, ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়াতে পলাশবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটেছে। ওনার মতো একজন সুদক্ষ, সৎ ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানুষের হাতেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিরাপদ। ওনার হাত ধরে এ দেশের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব। ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা বলেন, মঈন খানের মতো একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ এর হাতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যাওয়া মানে নরসিংদী সহ সারাদেশের রাস্তাঘাট ও জীবনমানের উন্নয়ন হবে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে তিনবার মন্ত্রী ছিলেন। এবারসহ ৫ বারের এমপি ও চতুর্থ বারের মতো মন্ত্রীর দায়িত্বের তৌফিক হওয়ায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। মঈন খান বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যেমন রাজপথের সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে সকল আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। ঠিক একইভাবে বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হয়ে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে বিশ্বাস করি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আবদুল মঈন খান। আজ (২১আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরে রাতেই তার দপ্তর বণ্টন করা হয়। ড.আব্দুল মঈন খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারণী নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পঞ্চম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ড.আব্দুল মঈন খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক রাজনীতিবিদ ও খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খানের ছেলে। বাবার হাত ধরেই তিনি রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। বিগত দিনে মন্ত্রী হিসেবে মঈন খান বিএনপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (পরবর্তীতে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমান সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তালিকা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় এক নম্বর বা ক্রমিক ১-এর মন্ত্রী তিনি। এতদিন এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মির্জা ফখরুল মন্ত্রিত্ব ছাড়ায় শূন্য হয় পদটি। রাজনীতিতে সুশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। আবদুল মঈন খান তার শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল থেকে মেট্রিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে বিএসসি (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ড. মঈন খান রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা খাতেও অসামান্য অবদান রাখেন। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হওয়ার পূর্বে ড. আবদুল মঈন খান শিক্ষকতা ও গবেষণায় দীর্ঘ সময় কাটান। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স ও টেকনোলজি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তার বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।