এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী কালিহাতীর কারিশমা – ২ শাঁক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা,একই স্থানে একই নামে একাধিক প্রকল্প করে অর্থ আত্মসাৎ !
- প্রকাশিত : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
- / ১ বার পড়া হয়েছে
এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী কালিহাতীর কারিশমা – ২
শাঁক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা,একই স্থানে একই নামে একাধিক প্রকল্প করে অর্থ আত্মসাৎ !
কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেনের কালিহাতীতে যোগদানের সাথে সাথেই জুনক্লোজিংকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে নামে বেনামে প্রকল্প তৈরি,ঠিকাদারদের বিলের ফাইল আটকে রেখে চাপে ফেলে মোটা অংকের কমিশন বাণিজ্যে মেতে ওঠেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে ।
যার ফলে সরকারি অর্থের ব্যাপক অপচয় ও লুটপাট ও সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
জানাযায়,কালিহাতী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ছানোয়ার হোসেন গত এপ্রিল মাসের ১২ তারিখে ভূয়াপুর উপজেলা হতে বদলী হয়ে কালিহাতী উপজেলা প্রকৌশলী হিসাবে পদায়নের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি টাঙ্গাইলে রিপোর্ট করেন। ২৮ এপ্রিল কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে যোগদান করে ৩০ এপ্রিল কালিহাতী উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি কালিহাতী হিসাবে চার্জ বুঝে নেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ছানোয়ার হোসেন ও তার অনুগত উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আক্তার হোসাইন এবং জামান এন্টার প্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পরস্পরের যোগসাজশে কালিহাতী উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরীন রাস্তা মেরামতের কোন কাজ না করেই গতএ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে বিল নম্বর-৬৪ ও টোকেন নম্বর-০৪৪৩৮২ এর মাধ্যমে মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের অনুকূলে ওই অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে ছাড় করা হয়। এতে সরকারের প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এভাবে কোন কাজ না করেই সমোদয় বিল উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ সংক্রান্ত একটি খরব বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরে চতুর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ছানোয়ার হোসেন উপজেলা চত্বরের অভ্যন্তরীন রাস্তার সামান্য অংশ নামমাত্র মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়ায় জনমনে হাঁসির খোড়াক হয়েছে।
অপরদিকে একই স্থানে একই নামে কালিহাতী উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরীন রাস্তা মেরামতের কাজ দেখিয়ে মের্সাস সিফাত পাওয়ার কনষ্ট্রাকশন নামে অপর একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কাজ না করেই গত ২৩ জুন ২৬ বিল নম্বর ৬৩ টোকেন নম্বর ৪৪৪১৪ এর মাধ্যমে প্রথম ও চুড়ান্ত বিল পরিশোধ করেছেন ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৫শত ৪৫ টাকা!
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ছানোয়ার হোসেন তার সহযোগী উপসহকারি প্রকৌশলী মোঃ আক্তার হোসেন একের পর এক ভূয়া প্রকল্প তৈরি করে তাদের মনোনীত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চুড়ান্ত বিল পরিশোধ করে সরকারের বিপুল পরিমান অর্থ লুটপাট করেই ক্ষ্যান্ত হন নাই। তারা কালিহাতী এলজিইডির চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে তাদের প্রাপ্য বিল দিতে গড়িমশি করে মানসিক ও আর্থিক চাপে রেখে অনৈতিকভাবে জুনের ২১ তারিখ হতে ২৭ তারিখ পর্যন্ত ১৫% হত ২০% পর্যন্ত উৎকোচ গ্রহন করে অনেক গুলো প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমান অর্থ ছাড় করে বিল পরিশোধ করে নিজেরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন বলে একাধিক ঠিকাদার জানিয়েছেন।
এবিষয়ে কালিহাতী এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কাজের সুপারভাইজিং অফিসার মোঃ আক্তার হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ওই প্রকল্পের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা উপজেলা ইন্জিনিয়ার বলতে পারবেন।



















