এমপি বকুলকে কৃষিমন্ত্রী হিসেবে পেতে দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয়দের তোড়জোড় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে দলীয় নেতাকর্মীরাসহ স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছেন, নামাজ পড়ে রোজা মানত করছেন
- প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
- / ৮ বার পড়া হয়েছে
এমপি বকুলকে কৃষিমন্ত্রী হিসেবে পেতে দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয়দের তোড়জোড় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে দলীয় নেতাকর্মীরাসহ স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছেন, নামাজ পড়ে রোজা মানত করছেন
বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:
ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপিকে কৃষিমন্ত্রী হিসেবে পেতে দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয়দের তোড়জোড়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে দলীয় নেতাকর্মীরাসহ স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছেন| তার জন্য নারী পুরুষ নামাজ পড়ে রোজা মানত করছেন|
বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আস্থাবাজন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই পালটে যাচ্ছে রায়পুরার দৃশ্যপট| তিনি দ্বায়িত্ব নিয়েই এলাকায় সমবন্টন নীতি চালু করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজী বন্ধ, মাদক নির্মূলসহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে সমাদৃত হয়েছেন| রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন| এছাড়া এলাকার উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহন করায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ˆতরি হয়েছে| তাই কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও নরসিংদী-৫ আসনের এই সংসদ সদস্যকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে দলীয় নেতাকর্মীরাসহ স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব রয়েছেন| ইতিমধ্যে তিনি রায়পুরাসহ দেশের জনগণের ¯^ার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় জাতীয় সংসদে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছেন| এছাড়া নীতি ও আর্দশের জন্য সাবেক এই ছাত্রনেতা ইতিমধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত সংর্বধনা পাচ্ছেন| বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আস্থাবাজন হিসেবে হাইকমান্ড নির্দেশ মোতাবেক বিগত ১৭ বছর বিএনপি আমরা পরিবার সংগঠনের মাধ্যমে মন ওঝার করে দলের নেতাকর্মীদেরকে ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করে দানবীর হিসেবে ক্যাতি অর্জন করেছেন| তার জন্য নারী পুরুষ নামাজ পড়ে রোজা মানত করছেন| তিনি এমপি হয়ে সারা বাংলাদেশের মধ্যে অন্য রকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন|
জানা গেছে, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরের শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরশন, বাজেট বরাদ্ধ, ন্যায় নীতি ও সুশাসন প্রতিষ্টাসহ সচ্ছ জবাবদিহিতামুলক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছেন| এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি-অনিয়ম ও পক্ষপাত্বিতের অভিযোগ না থাকায় এলাকায় তিনি ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন| তিনি তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় উন্মুক্তভাবে কাজ করায় সব শ্রেণির মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন| রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে মূল ভূখণ্ডের যেকোনো প্রান্তের মানুষ তাঁর কাছে সহজে পৌছাতে পারেন| দলের প্রতি আনুগত্য ও দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সব সময় অভিভাবকের মতো দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেন| ফলে তিনি শুধু কেবল একজন রাজনীতিবিদই নন, ন্যায়নীতি, আদশ, মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে তিনি সারা দেশের মধ্যে অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন| ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির-এর নেতৃত্বে চরাঞ্চলের আওয়ামী লীগের আমলের শতশত বাড়ীঘর ভাংচুর লুটপাটসহ দুই গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসন করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগকে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষ ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন| ওই এলাকায় সংঘর্ষের স্থায়ী অবসান ঘটে চরাঞ্চলে শান্তি ফিরে আসায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন “শান্তির দূত” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন| তার এই নিরপেক্ষ ভূমিকায় চরাঞ্চলের শত শত পরিবার আবার নিজ বাড়িতে ফিরে ¯^াভাবিক জীবনযাপন করছেন| দলমত নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন| প্রমাণ করেছেন, রায়পুরাকে একটি মডেল ও শান্ত জনপদে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য| তিনি এলাকায় শিক্ষার হার বাড়াতে সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন| প্রতিশ্রুতি মোতাবেক বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের পাশাপাশি হাটবাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে| তাই দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষ তাকে এলাকার উন্নয়নের দিকপাল হিসেবেই দেখেছেন|
এদিকে নরসিংদীর রায়পুরার চর-রায়পুরা নতুন থানার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে চর রায়পুরা নতুন থানা কার্যালয়ের স্থান পরিদর্শন করেছেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি | গতকাল বিকালে পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর শাহাব উদ্দিন ভুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন অস্থায়ী চর রায়পুরা নতুন থানা কার্যালয়ের স্থান পরিদর্শনকালে বকুল বলেন তিনি, চর-রায়পুরা থানার নিজ¯^ স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই ভবন থেকেই চর-রায়পুরা থানার প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে|
উল্লেখ্য, চর-রায়পুরা থানার জন্য ১১৩ জন জনবল (স্টাফ) এবং ৬টি সরকারি যানবাহন অনুমোদন করা হয়েছে| ফলে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিতকরণসহ জনগণের নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে|
#ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপিকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে দলীয় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছেন
বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:
জাতীয় সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের ¯^ার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছে কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক,নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল| তাকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছেন|
জানাগেছে,শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরশন, বাজেট বরাদ্ধ সমবন্টন,কোরবানীর চামড়া,চাঁদাবাজী বন্ধ,মাদক নির্মূল,সন্ত্রাসীর বিরোদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ করে স্থায়ীভাবে অবসান ঘটিয়ে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে যুদ্ধ ঘোষনা এবং ব্যাপক উন্নয়ন জোয়ারের মহা পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন বহু গুনের অধিকারী কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক,নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল|
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-কে নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন ইতিবাচক ও আলোচিত অনেক দিক রয়েছে| রায়পুরার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং তাঁর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে নেতাকর্মীরা সাধারণত যে বিষয়গুলো তুলে ধরেন, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
সৎ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতা,নেতাকর্মীরা প্রায়ই তাঁর রাজনৈতিক সততার কথা উল্লেখ করেন| তাঁর বিরুদ্ধে বড় কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় এলাকায় তিনি একজন ‘¯^চ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের রাজনীতিবিদ’ হিসেবে পরিচিত| সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর এই সততা রায়পুরার রাজনীতিতে তাঁকে অনন্য করে তুলেছে|
তার ভয়ে অনেক মাদক,সন্ত্রাস,দূর্নীতি,অনিয়ম,নারী ধর্ষন সহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করতে অতি কাছের অথবা দুরে কাউকে তোয়াক্কা করছে না, এ বিষয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করছেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি,
সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ ,তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী ও রায়পুরার সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় উন্মুক্ত ছিলেন| রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে মূল ভূখণ্ডের যেকোনো প্রান্তের মানুষ যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর কাছে সহজে পৌঁছাতে পারত| নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার কারণে মাঠপর্যায়ে তাঁর একটি শক্তিশালী ও অনুগত কর্মী বাহিনী গড়ে ওঠে|
দলের প্রতি আনুগত্য ও কোন্দল নিরসনে ভূমিকা,বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটেও তিনি দলের প্রতি অবিচল ছিলেন| স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রায়পুরার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল নিরসন এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি সব সময় অভিভাবকের মতো ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেছেন|
নেতাকর্মীদের সামগ্রিক মূল্যায়ন:”ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল কেবল একজন রাজনীতিবিদই নন, তিনি রায়পুরার উন্নয়ন ও আস্থার প্রতীক| তাঁর সততা, উন্নয়নমুখী চিন্তা এবং তৃণমূলের প্রতি ভালোবাসা রায়পুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে|”
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-এর নেতৃত্বে চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দুই গ্রুপের বিরোধ নিরসন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগকে দলীয় নেতাকর্মীরা অত্যন্ত ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন| তার এই ভূমিকাকে ¯^াগত জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ভালো ও আলোচিত দিক তুলে ধরে বলেন: দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান,নেতাকর্মীদের মতে, রায়পুরার চরাঞ্চল ( বাঁশগাড়ী, মির্জাচর, নিলক্ষ্যা) দীর্ঘদিন ধরে টেটাযুদ্ধ, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের কারণে অশান্ত ছিল| ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই পক্ষকে এক টেবিলে বসিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের স্থায়ী অবসান ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন|
২. “শান্তির দূত” হিসেবে আত্মপ্রকাশ,স্থানীয় বিএনপির নেতারা উল্লেখ করেন যে, তিনি কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের হয়ে কাজ না করে, এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন| চরাঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন “শান্তির দূত” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন| সাধারণ মানুষের ঘরে ফেরা নিশ্চিত করা বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক ও এলাকাভিত্তিক সংঘর্ষের কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, অনেকের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল| এমপি বকুলের কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে চরাঞ্চলের শত শত পরিবার আবার নিজ নিজ বাড়িতে নিরাপদে ফিরে আসতে পেরেছে এবং ¯^াভাবিক জীবনযাপন করছে|
উন্নয়নের ধারা সচল করা,নেতাকর্মীরা জোর দিয়ে বলেন যে, অশান্ত চরাঞ্চলে কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব ছিল না| এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় এখন রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চরের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া সহজ হচ্ছে| শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তিনি চরাঞ্চলের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করছেন|
পক্ষপাতহীন ও সুদৃঢ় নেতৃত্ব,দলীয় ফোরামে আলোচনায় কর্মীরা বলেন, তিনি কোনো অপরাধী বা দাঙ্গাবাজকে প্রশ্রয় দেননি, তা সে যে দলেরই হোক না কেন| আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, রায়পুরাকে একটি মডেল ও শান্ত জনপদে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য|
নেতাকর্মীদের মূল বক্তব্য: “ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে চিরতরে টেটাযুদ্ধ ও হানাহানি বন্ধের যে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছেন, তা চরের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে| তার এই সুদৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই আজ রায়পুরায় শান্তি বিরাজ করছে|”
রায়পুরার আধুনিকায়নে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড,দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি হয়ে রায়পুরার অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট পাকা করা, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার পেছনে তাঁর বড় অবদান থাকবে বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যা এলাকার শিক্ষার হার বাড়াতে সাহায্য করেছে|



















