কৃষি অফিসারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নওগাঁয় নকল সার কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান মালিকের জেল-জরিমানা
- প্রকাশিত : শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
কৃষি অফিসারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নওগাঁয় নকল সার কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান মালিকের জেল-জরিমানা
নওগাঁর মহাদেবপুরে নকল সার ও কীটনাশক উৎপাদনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই প্রতিষ্ঠানের জেল ও জরিমানা করা হয়েছে।
৭ নভেম্বর শনিবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় গড়ে ওঠা এস ডি এগ্রোভেট নামে নকল সার ও কীটনাশক উৎপাদন কারখানায় সহকারী কমিশনার ভুমি জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। এ অভিযানে ওই কারখানার মালিক শাহীনুর আলমের অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রী হাসনাত জাহান পাপিয়াকে বালাইনাশক আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং একই নামে আরেকটি কারখানা চালানোর অভিযোগে শাহীনুর আলমের ভাই মোঃ দেলোয়ার হোসেনের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।এসময় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই নওগাঁর উপ-পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন ও এসআরবি জয়পুরহাট-৫ এর সিনিয়র এএসপি নুরুল হুদা উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা কৃষি অফিসারকে ম্যানেজ করে মোঃ শাহিনুর আলম ও দেলোয়ার হোসেন নামে এ দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাড়িতে নকল সার ও কীটনাশকসহ কৃষি কাজে ব্যবহৃত বালাইনাশক উৎপাদন করে আসছিলেন। নকল সার ও কীটনাশক এবং বিভিন্ন বালাইনাশক উৎপাদনের ফলে এলাকার হাজার হাজার কৃষক প্রতারিত হয়ে আসছিল বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান। স্থানীয়রা জানান,এই গ্রামের মৃত মোতাহার হোসেন মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে মোহাম্মদ শাহিনুর আলম ও দেলোয়ার হোসেন নকল সার ও কীটনাশক কারখানা উৎপাদন অব্যহত রাখেন। তবে ওই অভিযোগ অস্বীকার করে,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, তাদের বরুণ, জৈব সার তৈরির অনুমোদন থাকলেও ছাইবার মেথিন এবং তেলাপোকা মারার চক বানানোর কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তাদের অনুমোদন প্রাপ্ত পণ্যেরমান যাচাইয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ বলেন,দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা ও একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

















