টাঙ্গাইল ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান কালিহাতীতে ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বাঘাইকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রুত কলেজে রূপান্তরের ঘোষণা সচিব জিয়াউল হকের নরসিংদীর রায়পুরায় মাসব্যাপী কুটির শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন নরিসংদীতে রায়পুরা ম্যারাথনে দেশ-বিদেশের পপ্রায় এক হাজার দৌড়বিদ অংশ গপ্রহন উপেক্ষিত মন্ত্রীর নির্দেশ ! “ বাঁশকাণ্ডে কাঁপছে বাসাইল, অধরা ঠিকাদার জাহাঙ্গীর ” নরসিংদীর রায়পুরায় দুর্নীতি-অনিয়ম ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়: ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল ঘুষের টাকা না পেয়ে হয়রানীর অভিযোগ ভূঞাপুরের ওসি রেজাউলের বিরুদ্ধে সকল সংগঠন ও সংবাদ কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান 
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে

কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা নদীরপাড় এলাকায় বসতবাড়ির জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দিপালী দাস (২৮) নামে এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বল্লা ইউনিয়নের বল্লা নদীরপাড় এলাকায় দিপালী দাসের বসতবাড়ির উঠানে প্রবেশ করেন অভিযুক্ত মো. লিটন আহম্মেদ (৩৫) ও নিমাই চন্দ্র দাস (৩৪)। বসতবাড়ির জায়গা-জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে তাঁরা ওই নারীকে মারধর করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্ত লিটন আহম্মেদ তাঁর চুলের মুঠি ধরে টানাহেঁচড়া করে কিল-ঘুষি মারেন এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। অন্যদিকে, নিমাই চন্দ্র দাস তাঁর কাপড় ধরে টানাটানি করে ছিঁড়ে ফেলেন এবং রান্নাঘর ভাঙচুর করেন। এতে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

এ সময় দিপালী দাসের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে দিপালী দাস কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানা গেলে বিস্তারিত তথ্য যুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, মারধর, শ্লীলতাহানি ও ভাঙচুরের এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনগত তদন্ত প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

প্রকাশিত : সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা নদীরপাড় এলাকায় বসতবাড়ির জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দিপালী দাস (২৮) নামে এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বল্লা ইউনিয়নের বল্লা নদীরপাড় এলাকায় দিপালী দাসের বসতবাড়ির উঠানে প্রবেশ করেন অভিযুক্ত মো. লিটন আহম্মেদ (৩৫) ও নিমাই চন্দ্র দাস (৩৪)। বসতবাড়ির জায়গা-জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে তাঁরা ওই নারীকে মারধর করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্ত লিটন আহম্মেদ তাঁর চুলের মুঠি ধরে টানাহেঁচড়া করে কিল-ঘুষি মারেন এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। অন্যদিকে, নিমাই চন্দ্র দাস তাঁর কাপড় ধরে টানাটানি করে ছিঁড়ে ফেলেন এবং রান্নাঘর ভাঙচুর করেন। এতে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

এ সময় দিপালী দাসের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে দিপালী দাস কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি জানা গেলে বিস্তারিত তথ্য যুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, মারধর, শ্লীলতাহানি ও ভাঙচুরের এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনগত তদন্ত প্রয়োজন।