ঢাকায় চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রসংলগ্ন মাঠে জাতীয় বৃক্ষ মেলা ২০২৬ বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”
- প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
ঢাকায় চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রসংলগ্ন মাঠে জাতীয় বৃক্ষ মেলা ২০২৬ বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”
স্টাফ রিপোর্টার মোস্তাক আহমেদ বাপ্পি।
ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পুরাতন বাণিজ্য মেলা চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রসংলগ্ন মাঠে জমে উঠেছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা২০২৬। যা ৯জুলাই থেকে ৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
এবারের বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”।
এই এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছ, সবুজে ঘেরা পরিবেশ ও বিনোদনের আমেজে প্রতিদিনই মেলায় ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ঘর সাজানোর ইনডোর প্ল্যান্ট ও ছাদবাগানের গাছ।
বন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মেলা শুরুর প্রথম দিন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ১২ হাজার ৮০২টি বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিক্রি হয়েছে।
মেলায় ঘর সাজানোর গাছ ও ছাদবাগানের গাছের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে অর্কিড ও ক্যাকটাসের চারার দাম বেশি হলেও আমগাছের চারা পাওয়া যাচ্ছে তুলনামূলক কম দামে।
এবারের বৃক্ষমেলায় দর্শনার্থীদের বিশেষ নজর কেড়েছে বিদেশি জাতের রাম্বুটান, পারসিমন, আজওয়া খেজুর, পাকিস্তানি আনার এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় জাতের আমের চারা। এসব গাছের ছোট আকারের চারা ২০০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।
মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী আইমান রেজা জাইন জানান,আমি ২য় দিনের মত বৃক্ষমেলায় এসেছি। এখনে নতুন নতুন ফল ও ফুলের গাছ দেখেছি এবং কিছু চারা কিনতেই মেলায় এসেছি।
আরেক ক্রেতা আনিশা রেজা মদীনা বলেন, ‘গাছ আমার অনেক ভালো লাগে। তাই প্রথম বার ঢাকায় বৃক্ষমেলায় এসেছি। এখানে অনেক ধরনের গাছ দেখলাম, খুব ভালো লাগছে।’
উল্লেখ্য ১২০টি স্টল নিয়ে জমজমাট এবারের জাতীয় মেলা প্রাঙ্গণ।
দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় প্রবেশ উন্মুক্ত এবং কোনো টিকিটের প্রয়োজন হয় না।প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসছেন।
শেরেবাংলা নগরে জাতীয় বৃক্ষমেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে বৃক্ষ প্রেমীরা পছন্দের গাছ কিনছেন।
মেলায় পুলিশ ও নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া মা ও শিশু কর্নার, ব্রেস্টফিডিং কর্নার, চিকিৎসাসেবা, মিডিয়া কর্নার এবং সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা বিশ্রামকক্ষের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সুতরাং গাছ লাগান-পরিবেশ বাঁচান।



















