টাঙ্গাইল ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদীর রায়পুরায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে পুজারিদের মাঝে পুজার উপহার শাড়ী ও লুঙ্গী বিতরণ করেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল হক শাপলা দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নরসিংদীর আলতাফকে নতুন ভবনের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরার চরমধুয়ায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায় ইব্রাহিম মিয়া, চান এলাকার সার্বিক উন্নয়ন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা ও ফুলেল শুভেচ্ছা নওগাঁয় ঝুঁকি নেই  শরৎ’র শিশির ভেজা প্রভাতে দেবীদুর্গার আগমন আনন্দে উচ্ছ্বসিত সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান কালিহাতীতে ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বাঘাইকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রুত কলেজে রূপান্তরের ঘোষণা সচিব জিয়াউল হকের নরসিংদীর রায়পুরায় মাসব্যাপী কুটির শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ

মো:নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে ৪ মার্চ তার নিজ ইউনিয়ন সহদেবপুরে হাজার হাজার জনতা বিক্ষোভ করেছে। উল্লেখ্য,গত ৩ মার্চ একটি শালিশী বৈঠকে তার উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।৪ মার্চ সকাল থেকেই শুকুর মাহমুদের এলাকায় তার অনুসারী বিক্ষুব্ধ জনতা সহদেবপুর খেলার মাঠে জমায়েত হতে থাকে। সময় বাড়ার সাথে সাথে মানুষ বাড়তে থাকে।এক পর্যায়ে মাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিল নিয়ে সাকরাইল গ্রাম আক্রমণ করতে এগিয়ে যেতে থাকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাধারণ জনগণকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় খেলার মাঠ ও সহদেবপুর বাজারে একত্রিত হয়ে সমাবেশ করতে থাকে। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আলী, বিএনপি নেতা সামশুল ফকির, আবুবকর মল্লিক, যুবদল নেতা রাজা ও শুকুর মাহমুদের ছেলে মেহেদী হাসান প্রমুখ। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকলে শুকুর মাহমুদ এম্বুলেন্সে করে তার এলাকার চলে আসেন। তিনি এম্বুলেন্সে বসেই বিক্ষুব্ধ জনতাকে ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান। শুকুর মাহমুদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ বাড়ি ফিরে যায়।
এ বিষয়ে শুকুর মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ” কয়েকদিন আগে মুলিয়া ও সাকরাইল গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি গন্ডগোল হয়।এটি মীমাংসার জন্য আমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। শালিশে সাঁকরাইলের পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তী তারিখে শালিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এরই মধ্যে সাঁকরাইলের কয়েকজন যুবক হঠাৎ করে উচ্চ স্বরে কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার মাথায় আঘাত লাগে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।” শুকুর মাহমুদ কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুকুর মাহমুদের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, অপরাধীদের গ্রেফতার করার আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে ৪ মার্চ তার নিজ ইউনিয়ন সহদেবপুরে হাজার হাজার জনতা বিক্ষোভ করেছে। উল্লেখ্য,গত ৩ মার্চ একটি শালিশী বৈঠকে তার উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।৪ মার্চ সকাল থেকেই শুকুর মাহমুদের এলাকায় তার অনুসারী বিক্ষুব্ধ জনতা সহদেবপুর খেলার মাঠে জমায়েত হতে থাকে। সময় বাড়ার সাথে সাথে মানুষ বাড়তে থাকে।এক পর্যায়ে মাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিল নিয়ে সাকরাইল গ্রাম আক্রমণ করতে এগিয়ে যেতে থাকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাধারণ জনগণকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় খেলার মাঠ ও সহদেবপুর বাজারে একত্রিত হয়ে সমাবেশ করতে থাকে। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আলী, বিএনপি নেতা সামশুল ফকির, আবুবকর মল্লিক, যুবদল নেতা রাজা ও শুকুর মাহমুদের ছেলে মেহেদী হাসান প্রমুখ। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকলে শুকুর মাহমুদ এম্বুলেন্সে করে তার এলাকার চলে আসেন। তিনি এম্বুলেন্সে বসেই বিক্ষুব্ধ জনতাকে ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান। শুকুর মাহমুদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ বাড়ি ফিরে যায়।
এ বিষয়ে শুকুর মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ” কয়েকদিন আগে মুলিয়া ও সাকরাইল গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি গন্ডগোল হয়।এটি মীমাংসার জন্য আমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। শালিশে সাঁকরাইলের পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তী তারিখে শালিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এরই মধ্যে সাঁকরাইলের কয়েকজন যুবক হঠাৎ করে উচ্চ স্বরে কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার মাথায় আঘাত লাগে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।” শুকুর মাহমুদ কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুকুর মাহমুদের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, অপরাধীদের গ্রেফতার করার আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেছি।