টাঙ্গাইল ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদীর রায়পুরায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে পুজারিদের মাঝে পুজার উপহার শাড়ী ও লুঙ্গী বিতরণ করেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল হক শাপলা দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নরসিংদীর আলতাফকে নতুন ভবনের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরার চরমধুয়ায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায় ইব্রাহিম মিয়া, চান এলাকার সার্বিক উন্নয়ন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা ও ফুলেল শুভেচ্ছা নওগাঁয় ঝুঁকি নেই  শরৎ’র শিশির ভেজা প্রভাতে দেবীদুর্গার আগমন আনন্দে উচ্ছ্বসিত সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান কালিহাতীতে ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বাঘাইকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রুত কলেজে রূপান্তরের ঘোষণা সচিব জিয়াউল হকের নরসিংদীর রায়পুরায় মাসব্যাপী কুটির শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪
  • / ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

 

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌর এলাকার কালিহাতী বল্লা রোডে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে শিসার কারখানা চলছে। এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জানা যায়, কালিহাতী সিলিমপুর গ্রামের আবু বকর ও তার ছেলে শাহ্আলম এবং আবু বকরের মেয়ের জামাই ইকবাল হোসেন লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে শিসার কারখানাটি পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় বিগত দিনে শাহ্আলম গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিল। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিন তার কারখানায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস শিসা গলিয়ে যেমন-হাঁড়ি-পাতিল, বড় ডেগ ইত্যাদি তৈরী করে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের ছাড়পত্র থাকতে হয় কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে আসছে। শিসা গালানোর ফলে আশেপাশের মানুষ পরিবেশ দূষনের শিকার হচ্ছে। ভুক্ত ভোগীরা জানান স্থানীয় প্রশাসনদের বার বার অভিযোগ করেও তারা কোন প্রত্রিকার পায়নি। নিয়মানুযায়ী শিসা দিয়ে তৈরী জিনিসপত্র বিক্রির ১৫% (ভ্যাট) মুল্য সংযোজন কর দিতে হয়। টাঙ্গাইল কাস্টমস
এক্সাইজ ভ্যাট অফিসে সংবাদ নিয়ে জানা গেছে তাদের নিকট ওই কারখানার কোন
নিবন্ধন নেই এবং এ পর্যন্ত কোন ভ্যাট দেয়নি। এতে করে প্রতিমাসে লাখ লাখ
টাকার সরকারী ভ্যাট ফাকি দিচ্ছে ওই কারখানার মালিক।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক শাহ্আলমের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, দুবৎসর আগে আবেদন করেছি কিন্তু ছাড়পত্র পাইনি।

অবৈধ ওই শিসা কারখানা বন্ধ কল্পে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগন।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

প্রকাশিত : বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪

 

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌর এলাকার কালিহাতী বল্লা রোডে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে শিসার কারখানা চলছে। এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জানা যায়, কালিহাতী সিলিমপুর গ্রামের আবু বকর ও তার ছেলে শাহ্আলম এবং আবু বকরের মেয়ের জামাই ইকবাল হোসেন লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে শিসার কারখানাটি পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় বিগত দিনে শাহ্আলম গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিল। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিন তার কারখানায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস শিসা গলিয়ে যেমন-হাঁড়ি-পাতিল, বড় ডেগ ইত্যাদি তৈরী করে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের ছাড়পত্র থাকতে হয় কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে আসছে। শিসা গালানোর ফলে আশেপাশের মানুষ পরিবেশ দূষনের শিকার হচ্ছে। ভুক্ত ভোগীরা জানান স্থানীয় প্রশাসনদের বার বার অভিযোগ করেও তারা কোন প্রত্রিকার পায়নি। নিয়মানুযায়ী শিসা দিয়ে তৈরী জিনিসপত্র বিক্রির ১৫% (ভ্যাট) মুল্য সংযোজন কর দিতে হয়। টাঙ্গাইল কাস্টমস
এক্সাইজ ভ্যাট অফিসে সংবাদ নিয়ে জানা গেছে তাদের নিকট ওই কারখানার কোন
নিবন্ধন নেই এবং এ পর্যন্ত কোন ভ্যাট দেয়নি। এতে করে প্রতিমাসে লাখ লাখ
টাকার সরকারী ভ্যাট ফাকি দিচ্ছে ওই কারখানার মালিক।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক শাহ্আলমের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, দুবৎসর আগে আবেদন করেছি কিন্তু ছাড়পত্র পাইনি।

অবৈধ ওই শিসা কারখানা বন্ধ কল্পে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগন।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫