টাঙ্গাইল ১১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কৃষি অফিসারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নওগাঁয় নকল সার কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান মালিকের জেল-জরিমানা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে র‍্যালিতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বশির আহম্মদ মোল্লা, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : নরসিংদীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও দেশাত্মবোধক গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কালিহাতীর পিআইওর বিরুদ্ধে কালিহাতী ও ঘাটাইলের সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিত ও হুমকির অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরায় আবুল হাশেম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে তুলাতুলিকে হারিয়ে থানাহাটি ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন নওগাঁয় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রদর্শনের আয়োজন কালিহাতীতে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীর রায়পুরা সরকারি কলেজের বর্ণাঢ্য আয়োজনে এমপি আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ নওগাঁয় ভারতীয় সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে নতুন বিজিবি ক্যাম্প উদ্বোধন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ভুক্তা মাঠের ফুটবল খেলা
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীর পিআইওর বিরুদ্ধে কালিহাতী ও ঘাটাইলের সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিত ও হুমকির অভিযোগ

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে

কালিহাতীর পিআইওর বিরুদ্ধে কালিহাতী ও ঘাটাইলের সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিত ও হুমকির অভিযোগ

সৈয়দ মহসীন হাবীব সবুজ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘাটাইলের এক সরকারি কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এবং ডিআরআরও টাঙ্গাইল বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. আল-আমিন হোসেন।
। ইহা ছাড়াও কালিহাতীর পিআইও সকল স্টাফও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আগামী ৯ নভেম্বর (সোমবার) অভিযুক্ত কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলামকে টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে তলব করতে পারেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নোটিশ বা নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
অভিযোগকারীর দাখিল করা লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ২১ মিনিটে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম তাঁকে ফোন করে ২০ মিনিটের মধ্যে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলেন। পরে তিনি সেখানে উপস্থিত হলে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার (ডিআরআরও) কার্যালয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে পিআইও তাঁর কাছে কৈফিয়ত চান। অভিযোগকারী জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাঁকে ডিআরআরওর সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
অভিযোগকারীর দাবি, একপর্যায়ে পিআইও তাঁর সঙ্গে অশালীন ও অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন। তাঁকে দিয়ে একটি চিঠি প্রস্তুত করানোর বিষয়েও চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তাঁকে অফিস থেকে বের করে দেওয়ার সময় মারধরের উদ্দেশ্যে লাঠি হাতে নেওয়া, বাম হাত ধরে ধাক্কা দেওয়া এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় তিনি নিজেকে অপমানিত ও নিরাপত্তাহীন মনে করছেন উল্লেখ করে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কাছে সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
দুর্গাপূজার চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগ, পদত্যাগ দাবি
এদিকে কালিহাতীতে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য বরাদ্দকৃত ৬০০ কেজি সরকারি চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করেও পিআইও মো. তারিকুল ইসলাম বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও হিন্দু ফ্রন্টের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপের বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগ তুলে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. তরিকুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ সংক্রান্ত সংবাদ ও প্রতিবেদন ৩০ থেকে ৩৫টি গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
ফলে সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে কথিত অসদাচরণ এবং দুর্গাপূজার সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ নিয়ে ওঠা অভিযোগ—দুই বিষয় মিলিয়ে কালিহাতীর এই কর্মকর্তাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও সামাজিক মহলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে চাল বিতরণে অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঘাটাইল উপজেলায়ও সংশ্লিষ্ট পিআইও দায়িত্ব পালন করছেন।
সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা দাবি
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি দপ্তরে একজন কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ এবং ধর্মীয় উৎসবের সরকারি বরাদ্দ বিতরণে হয়রানির অভিযোগ—কোনোটিই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পিআইও মো. তরিকুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মে. আখতারুজ্জামানের নিকট এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উভয় পক্ষের ঘটনা মতবিনিময় শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। কালিহাতীর ইউএনও ফারজানা আক্তার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন পিআইও তরিকুল ইসলাম কোন এক ব্যাপারে ইউএনও স্বাক্ষর না দিলেও চলবে বলে জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীর পিআইওর বিরুদ্ধে কালিহাতী ও ঘাটাইলের সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিত ও হুমকির অভিযোগ

প্রকাশিত : শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

কালিহাতীর পিআইওর বিরুদ্ধে কালিহাতী ও ঘাটাইলের সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিত ও হুমকির অভিযোগ

সৈয়দ মহসীন হাবীব সবুজ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘাটাইলের এক সরকারি কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এবং ডিআরআরও টাঙ্গাইল বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. আল-আমিন হোসেন।
। ইহা ছাড়াও কালিহাতীর পিআইও সকল স্টাফও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আগামী ৯ নভেম্বর (সোমবার) অভিযুক্ত কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলামকে টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে তলব করতে পারেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নোটিশ বা নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
অভিযোগকারীর দাখিল করা লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ২১ মিনিটে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম তাঁকে ফোন করে ২০ মিনিটের মধ্যে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলেন। পরে তিনি সেখানে উপস্থিত হলে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার (ডিআরআরও) কার্যালয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে পিআইও তাঁর কাছে কৈফিয়ত চান। অভিযোগকারী জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাঁকে ডিআরআরওর সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
অভিযোগকারীর দাবি, একপর্যায়ে পিআইও তাঁর সঙ্গে অশালীন ও অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন। তাঁকে দিয়ে একটি চিঠি প্রস্তুত করানোর বিষয়েও চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তাঁকে অফিস থেকে বের করে দেওয়ার সময় মারধরের উদ্দেশ্যে লাঠি হাতে নেওয়া, বাম হাত ধরে ধাক্কা দেওয়া এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় তিনি নিজেকে অপমানিত ও নিরাপত্তাহীন মনে করছেন উল্লেখ করে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কাছে সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
দুর্গাপূজার চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগ, পদত্যাগ দাবি
এদিকে কালিহাতীতে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য বরাদ্দকৃত ৬০০ কেজি সরকারি চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করেও পিআইও মো. তারিকুল ইসলাম বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও হিন্দু ফ্রন্টের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপের বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে হয়রানির অভিযোগ তুলে কালিহাতী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. তরিকুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ সংক্রান্ত সংবাদ ও প্রতিবেদন ৩০ থেকে ৩৫টি গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
ফলে সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে কথিত অসদাচরণ এবং দুর্গাপূজার সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ নিয়ে ওঠা অভিযোগ—দুই বিষয় মিলিয়ে কালিহাতীর এই কর্মকর্তাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও সামাজিক মহলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে চাল বিতরণে অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঘাটাইল উপজেলায়ও সংশ্লিষ্ট পিআইও দায়িত্ব পালন করছেন।
সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা দাবি
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি দপ্তরে একজন কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ এবং ধর্মীয় উৎসবের সরকারি বরাদ্দ বিতরণে হয়রানির অভিযোগ—কোনোটিই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পিআইও মো. তরিকুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মে. আখতারুজ্জামানের নিকট এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উভয় পক্ষের ঘটনা মতবিনিময় শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। কালিহাতীর ইউএনও ফারজানা আক্তার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন পিআইও তরিকুল ইসলাম কোন এক ব্যাপারে ইউএনও স্বাক্ষর না দিলেও চলবে বলে জানান।