নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি ৩নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৭ বছরের পূর্তি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা
- প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
- / ৩ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি ৩নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৭ বছরের পূর্তি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা
বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি ৩নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৭ বছরের পূর্তি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নরসিংদী রায়পুরায় বাঁশগাড়ীতে বাঁশগাড়ি ৩নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৭ বছরের পূর্তি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ সম্পাদক, নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়পুরা সার্কেল বায়েজিদ বিন মনসুর, জেড এইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন, নরসিংদী এডিসি সারুয়ার আলম, রায়পুরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনমুন পাল, রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান,জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার প্রফেসর আ: মান্নান,রায়পুরা উজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুর রহমান, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এম এন জামান, উপজেলা বিএনপির সি: যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক মেয়র হাজী আব্দুল কুদ্দুছ মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হযরত আলী ভুইয়া ও সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন,উপজেলা বিএনপির সি: যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক উপজেলা যুবদল সাবেক আহবায়ক নাজমুল হক ভুইয়া মোহন, উপজেলা বিএনপির সি: যুগ্ম আহবায়ক আমজাদ হোসেন ভুইয়া আলতাফ, উপজেলা বিএনপির সি: যুগ্ম আহবায়ক মো: কামাল হোসেন,উপজেলা বিএনপির সদস্য ডা: মাহবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য মো: শাহ আলম, রায়পুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু ও সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি আফরিনা আসাদ,মহিলা দলের নেত্রী আসমা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা|
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে গেছে ১৯টা লাশ! আমাদের এই ৩ মাসের শাসনামলে ১ টা লাশও পরেনি। আমি মনে করি, আমরা যদি ঠিক থাকি তাহলে আমাদের এলাকায় কোন ধরনের মারামারি হবেনা। আমরা ঠিক সব ঠিক। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, আপনার এলাকা কুবই গোলযোগপূর্ণ এলাকা; আপনাকে কঠোর হতে হবে। আমি বলেছি, আমি খুবই কঠোর হবো আপনি শুধু সাথে থাকলেই হবে। ওনি আশ্বাস দিয়েছেন সাথে থাকার। নেতাকর্মীরা একে অপরকে গোপনে সাপোর্ট করে তাই ঝগড়া চলছে তো চলছে; বন্ধ করার জো নেই। এখন মারামারির সাইকেল চলেনা আর মারামারি হবেনা। যারা মারামারি করে তাদের বিচার হবে আদালতে। এই জন্য আমরা বলি আইনের শাসন বাস্তবায়ন করতে চাই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক জ্যামে দাড়িয়ে থাকলে সবাই ট্রাফিকজ্যামে দাড়িয়ে থাকে; ট্রাপিক বাতি সবুজ হলে প্রধানমন্ত্রী চলে সবাই চলে। আর আগে দেখতাম, শেখ হাসিনা যাচ্ছে আর সবাই রাস্তায় দাড়িয়ে আছে। এভাবেই পরিবর্তন আসছে। আমরা বলতে চাই, আসতে আসতে সবই পরিবর্তন হবে।
নরসিংদীর বাঁশগাড়ি হতে এই পরিবর্তনটা চাই, এখানে চাদাবাজি, খুন-খারাবি, অস্ত্রে ঝনঝনানি আমরা দেখতে চাইনা এখানে। যারা করে, তারা কখনো ভাল মানুষ নয়; তারাও চিন্তা করে কোন সময় জানি চলে যাই! এটার নাম জীবন নয়! এই জীবনে শান্তি নেই। এই জন্য আমি বলতে চাই, আপনার অস্ত্র জমা দিবেন। আমি ডিসি, এসপি এবং ইউএনওসহ আইজি পর্যন্ত কথা বলে একটি তারিখ নির্ধারণ করে সমাবেশ করবো। সেই সমাবেশে সবাই অস্ত্র জমা দিবেন। আমরা অস্ত্র জমা নিয়ে কয়েকমাস অপেক্ষা করবো, দেখবো অস্ত্রের মহড়া বা ঝনঝনানি হয় নাকি! তাহলে যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে আমরা মামলাগুলো তুলে দিবো বা নিষ্পত্তি করবো।সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করবো।কিন্তু তার আগে এই এলাকার পরিবেশকে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাহলেই সম্ভব। এই কথাগুলো বলেছেন তিনি।









