টাঙ্গাইল ১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদী রেলস্টেশনে নিহত সাথী বেগমের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা প্রদান জেলা প্রশাসক আরাফ বাংলাদেশের রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত। নরসিংদীর মাও. ওমর ফারুক এর ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, মাদক-সন্ত্রাস দমনের দাবি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত “সিংনা মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” এর ফাইনাল খেলা।  টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় আর এস পাইলট স্কুলের ১৩ ব্যাচের উদ্যোগে জমকালো ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও হাতি নিয়ে বর্ণাঢ্য শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নরসিংদী স্টেশনে হৃদয়বিদারক ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত মা ও সন্তান নরসিংদী জেলা প্রশাসনের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ শেষে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ধান গড়াই ২২ গ্রামের মাঠ এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। বীরবাসিন্দা ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া, সমর্থন ও ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ৫ বছরের জেল!

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ১০১৩ বার পড়া হয়েছে

পাচারের শিকার এক মার্কিন কিশোরীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং তার ধর্ষকের পরিবারকে দেড় লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।

যুক্তরাষ্ট্রের পোল্ক কাউন্টি জেলা জজ ডেভিড এম পোর্টার গত মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন। খবর বিবিসির।

পিপার লুইস ১৫ বছর বয়সে তাকে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করেছিলেন। ২০২০ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডেস মইনসে ঘটনাটি ঘটে।

৩৭ বছর বয়সি জাচারি ব্রুকসকে নৃশংসভাবে হত্যার জন্য প্রাথমিকভাবে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। লুইসের বয়স এখন ১৭।

আদালতে অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড এবং ইচ্ছাকৃত আঘাতের জন্য দোষ স্বীকার করে লুইস। উভয় অভিযোগেই ১০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

কিন্তু লুইসের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ব্রুকসের পরিবারকে দেড় লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

আদালত বলেছেন, যদি লুইস এই আদেশ অমান্য করে তাহলে তার ২০ বছরের সাজা হতে পারে।

জানা গেছে, ব্রুকসকে ৩০ বারের বেশি ছুরিকাঘাত করেছিলেন লুইস। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লুইস তাকে দত্তক নেওয়া মায়ের সঙ্গে কথাকাটির পর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

পাচারের শিকার হওয়ার আগে ডেস মইনস ভবনের হলওয়েতে ঘুমাচ্ছিল লুইস। তখন ২৮ বছর বয়সি একটি লোক তাকে নিয়ে যান এবং যৌনতার জন্য জোর করে অন্য একজনের কাছে পাচার করেন।

লুইস বলেছে, হত্যার আগের সপ্তাহগুলোতে ব্রুকস তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। ২৮ বছর বয়সি লোকটি লুইসকে ছুরি দেখিয়ে ব্রুকসের অ্যাপার্টমেন্টে যেতে বাধ্য করেছিলেন।

লুইস জানিয়েছিল, তাকে বারবার ধর্ষণ করার কারণে তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন। তাই বিছানার পাশের টেবিল থেকে একটি ছুরি নিয়ে ব্রুকসকে আঘাত করেন তিনি।

জানা গেছে, পুলিশ এবং বিচারকরা লুইসকে যৌন হয়রানি বা পাচার করার ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি।

বিচারকরা যুক্তি দিয়েছেন, ছুরিকাঘাত করার সময় ব্রুকস ঘুমিয়ে ছিলেন। তাই তাৎক্ষণিকভাবে লুইসের কোনো বিপদ ছিল না।

এ ছাড়া ব্রুকসকে হত্যার কারণে তার বাচ্চারা পিতৃহীন হয়েছে। লুইস যেমন নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করছে তেমনি বাচ্চাগুলোরও কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে।

আইওয়া যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি রাজ্য যেখানে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা দিতে কোনো নিরাপদ আশ্রয় আইন নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ৫ বছরের জেল!

প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

পাচারের শিকার এক মার্কিন কিশোরীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং তার ধর্ষকের পরিবারকে দেড় লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।

যুক্তরাষ্ট্রের পোল্ক কাউন্টি জেলা জজ ডেভিড এম পোর্টার গত মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন। খবর বিবিসির।

পিপার লুইস ১৫ বছর বয়সে তাকে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করেছিলেন। ২০২০ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডেস মইনসে ঘটনাটি ঘটে।

৩৭ বছর বয়সি জাচারি ব্রুকসকে নৃশংসভাবে হত্যার জন্য প্রাথমিকভাবে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। লুইসের বয়স এখন ১৭।

আদালতে অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড এবং ইচ্ছাকৃত আঘাতের জন্য দোষ স্বীকার করে লুইস। উভয় অভিযোগেই ১০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

কিন্তু লুইসের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ব্রুকসের পরিবারকে দেড় লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

আদালত বলেছেন, যদি লুইস এই আদেশ অমান্য করে তাহলে তার ২০ বছরের সাজা হতে পারে।

জানা গেছে, ব্রুকসকে ৩০ বারের বেশি ছুরিকাঘাত করেছিলেন লুইস। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লুইস তাকে দত্তক নেওয়া মায়ের সঙ্গে কথাকাটির পর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

পাচারের শিকার হওয়ার আগে ডেস মইনস ভবনের হলওয়েতে ঘুমাচ্ছিল লুইস। তখন ২৮ বছর বয়সি একটি লোক তাকে নিয়ে যান এবং যৌনতার জন্য জোর করে অন্য একজনের কাছে পাচার করেন।

লুইস বলেছে, হত্যার আগের সপ্তাহগুলোতে ব্রুকস তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। ২৮ বছর বয়সি লোকটি লুইসকে ছুরি দেখিয়ে ব্রুকসের অ্যাপার্টমেন্টে যেতে বাধ্য করেছিলেন।

লুইস জানিয়েছিল, তাকে বারবার ধর্ষণ করার কারণে তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন। তাই বিছানার পাশের টেবিল থেকে একটি ছুরি নিয়ে ব্রুকসকে আঘাত করেন তিনি।

জানা গেছে, পুলিশ এবং বিচারকরা লুইসকে যৌন হয়রানি বা পাচার করার ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি।

বিচারকরা যুক্তি দিয়েছেন, ছুরিকাঘাত করার সময় ব্রুকস ঘুমিয়ে ছিলেন। তাই তাৎক্ষণিকভাবে লুইসের কোনো বিপদ ছিল না।

এ ছাড়া ব্রুকসকে হত্যার কারণে তার বাচ্চারা পিতৃহীন হয়েছে। লুইস যেমন নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করছে তেমনি বাচ্চাগুলোরও কাউকে দায়িত্ব নিতে হবে।

আইওয়া যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি রাজ্য যেখানে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা দিতে কোনো নিরাপদ আশ্রয় আইন নেই।