টাঙ্গাইল ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতী প্রেসক্লাবের সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত সম্পাদক মিল্টন কালিহাতীতে দেড়শ’ বছরের ডুবের মেলা অনুষ্ঠিত কালিহাতী বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা বেদখল জমে উঠেছে কালিহাতী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসমত আলী নেতার গণসংযোগ কালিহাতীতে নিখোঁজের পর বিল থেকে প্রবাস ফেরত যুবকের লাশ উদ্ধার করিমুন নেছা সিদ্দিকী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবীন বরন,পুরস্কার বিতরন,এস এস সি শিক্ষার্থীদের করিমুননেছা সিদ্দিকী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবীন বরণ, পুরষ্কার বিতরণ, এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৪ জবরদস্তি ভিডিও মাধ্যমে অপপ্রচার করায় সাংবাদিক এনায়েত করিম এর প্রতিবাদ। সাপের কামড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ১১ মাসের শিশুর মৃত্যু
ব্রেকিং নিউজ :

সামরিক বিমান ফেরত না দিলে কঠোর পরিণতি: তালেবান প্রতিরক্ষামন্ত্রী

মো: নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১২ জানুয়ারি ২০২২
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে

তালেবান শাসিত ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ বিদেশে নেওয়া বিমান নিয়ে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। আফগানিস্তানের এসব বিমান ফেরত দেওয়া না হলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

তালেবান সরকারের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মঙ্গলবার কাবুলে বিমানবাহিনীর এক মহড়ায় অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, যে সামরিক বিমানগুলোকে বিদেশে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো ফেরত দিতে হবে।

হুশিয়ারি উচ্চারণ করে মৌলভী ইয়াকুব বলেন, যেসব দেশে সামরিক বিমান নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তারা যদি সেগুলো ফেরত না দেয়, তা হলে তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে বিমানগুলো তাজিকিস্তান বা উজবেকিস্তানে রয়েছে তা ফেরত দেওয়া উচিত। আমরা এই বিমানগুলোকে বিদেশে থাকতে দেব না, অন্যদের ব্যবহার করতে দেব না।

আফগানিস্তানের বর্তমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাবেক আশরাফ গনি সরকারের পতনের পর ৪০টির বেশি হেলিকপ্টার উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তানে নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের স্থানীয় জনপ্রিয় গণমাধ্যম তোলোর খবরে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে নিষ্ক্রিয় হওয়া রাশিয়ার তৈরি বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার ইসলামিক আমিরাত মেরামত করেছে। মঙ্গলবার সেগুলো প্রদর্শন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের বিমানবাহিনী কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না।’

তালেবান সরকারের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসলামিক আমিরাতের বিরোধীদের মতভেদ দূরে রেখে নতুন সরকারে যোগ দিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আসুন— এই সরকারকে সমর্থন করুন এবং বিরোধিতা বন্ধ করুন।

এক প্রতিবেদেন থেকে জানা যায়, আশরাফ গনি সরকারের পতনের আগে আফগানিস্তানে ১৬৪টিরও বেশি সক্রিয় সামরিক বিমান ছিল। এখন মাত্র ৮১টি বিমান রয়েছে। বাকি বিমানগুলো আফগানিস্তান থেকে বের করে বিভিন্ন দেশে নেওয়া হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সামরিক বিমান ফেরত না দিলে কঠোর পরিণতি: তালেবান প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : বুধবার, ১২ জানুয়ারি ২০২২

তালেবান শাসিত ইসলামিক আমিরাতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ বিদেশে নেওয়া বিমান নিয়ে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। আফগানিস্তানের এসব বিমান ফেরত দেওয়া না হলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

তালেবান সরকারের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মঙ্গলবার কাবুলে বিমানবাহিনীর এক মহড়ায় অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, যে সামরিক বিমানগুলোকে বিদেশে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো ফেরত দিতে হবে।

হুশিয়ারি উচ্চারণ করে মৌলভী ইয়াকুব বলেন, যেসব দেশে সামরিক বিমান নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তারা যদি সেগুলো ফেরত না দেয়, তা হলে তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে বিমানগুলো তাজিকিস্তান বা উজবেকিস্তানে রয়েছে তা ফেরত দেওয়া উচিত। আমরা এই বিমানগুলোকে বিদেশে থাকতে দেব না, অন্যদের ব্যবহার করতে দেব না।

আফগানিস্তানের বর্তমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাবেক আশরাফ গনি সরকারের পতনের পর ৪০টির বেশি হেলিকপ্টার উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তানে নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের স্থানীয় জনপ্রিয় গণমাধ্যম তোলোর খবরে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে নিষ্ক্রিয় হওয়া রাশিয়ার তৈরি বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার ইসলামিক আমিরাত মেরামত করেছে। মঙ্গলবার সেগুলো প্রদর্শন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের বিমানবাহিনী কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না।’

তালেবান সরকারের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসলামিক আমিরাতের বিরোধীদের মতভেদ দূরে রেখে নতুন সরকারে যোগ দিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আসুন— এই সরকারকে সমর্থন করুন এবং বিরোধিতা বন্ধ করুন।

এক প্রতিবেদেন থেকে জানা যায়, আশরাফ গনি সরকারের পতনের আগে আফগানিস্তানে ১৬৪টিরও বেশি সক্রিয় সামরিক বিমান ছিল। এখন মাত্র ৮১টি বিমান রয়েছে। বাকি বিমানগুলো আফগানিস্তান থেকে বের করে বিভিন্ন দেশে নেওয়া হয়।