আমি শুক্লা দিদিকে আগেই ফোন করি যে দিদি আমি কি পূজাটা করব? নিজের সাহস হচ্ছে না।
- প্রকাশিত : বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
- / ১১৬ বার পড়া হয়েছে
আমি শুক্লা দিদিকে আগেই ফোন করি যে দিদি আমি কি পূজাটা করব? নিজের সাহস হচ্ছে না। তো দিদি আমাকে সবসময় ভরসা যোগায় আমি আছি পাশে। আমাদের মাঝে আমরা কাছে পেয়েছি আমাদের প্রাণপ্রিয় দিদি শুক্লা দিদিকে। আমাদের উজ্জয়নী মহিলা পূজা পরিষদের আজ হচ্ছে এবার দশমতম। আমরা ১০ বছর যাবৎ এই পূজাটা পরিচালনা করে আসছি মহিলারা। আমাদের অত্র অঞ্চলে যখন মহিলারা সবদিক থেকে পিছিয়ে ছিল তখন আমাদের মনে হয়েছিল যে আমাদের একটু জাগরণের দরকার। সেই নজরুল ইসলামের সেই কথা ধরেই আমরা একটু এগচ্ছি। জাগো নারী জাগো বন্নি শিখা। আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য আমরা একটু নারীদের নিয়ে এগোতে চাই। এবং এই এগনোর সহযোগিতা হিসেবে আমরা কাছে পেয়েছি আমাদের দিদি শুক্লা দিদিকে। যার অনুপ্রেরণা এবং যার সহযোগিতায় আমরা তাদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। তো আমাদের পূজা পরিষয় আসলে মহিলারা করার কারণে আমরা ওইভাবে এগতে পারি না। তবে যেটুকুই আছে এটুকু দিয়েই চেষ্টা করি সবার সহযোগিতায় দিদির সহযোগিতায়। আর আমাদের 20 জন 25 জন মহিলা আছি যারা আমরা একটু একটু করে সঞ্চয় করে প্রতি মাসে হয়তো দেখা গেছে ৫০ টাকা ১০০ টাকা করে আমরা জমিয়ে একটা বছর জমানোর পরে এই পূজাটা আমরা করে থাকি এবং কি যেটা না বললেই নয় গত দুই বছর যাবত আমাদের দেশের এমন ক্রান্তি লগ্নে সবারই আসলে আর্থিক অবস্থা তেমনভাবে এমন অবস্থা যে আমরা এটা করার করতে পারি না তো আমি দিদিকে আগেই ফোন করি যে দিদি আমি কি পূজাটা করব নিজের সাহস হচ্ছে না তো দিদি আমাকে সবসময় ভরসা জোগায় না আমি আছি পাশে শুধু এই নয় আমরা সবাই একত্রে একই রকম যে শাড়িটা পড়ি সেটাও দিদির দেওয়া আজ আমাদের মাঝে দিদি সবার মাঝে সদস্য যদিও আজকে অষ্টমীর কারণে সবাই উপস্থিত নেই যারা আছে তাদের মাঝে দিদি আমাদের একটু শাড়িগুলো গিফট করবে সে নিজে হাতে দিবে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী আজকে উজ্জয়নী মহিলা সংঘের এই ঐতিহ্যবাহী দশম বর্ষপূর্তির এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। গত ১০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই মগরা জনপদে নারীদের উদ্যোগে নারীদের আয়োজনে নারীদের অর্থায়নে নারীদের শ্রমে এই পূজা মন্ডপ সুন্দর সাজে সেজেছে এবং আমাদের মা এবং বোনেরা সবাই এগিয়ে এসে নিজেরাই কিন্তু এই পূজার আয়োজন করে যাচ্ছে বছরের পর বছর। মহাষ্টমীতে আজকে সবারই বাড়িতে অনেক কাজ। এরই মধ্যে আমি আবার এসে তাদেরকে অনেক বিরক্ত করছি। তারপরেও আমি সীমাদিকে ধন্যবাদ দিব। শিপ্রাদিকে ধন্যবাদ দিব। বেবি আছে। আমার সব দিদিরা এখানে উপস্থিত। বৌদিরা উপস্থিত। সবাইকে ধন্যবাদ দিচ্ছি যে আপনারা সাহসের সাথে আপনারা নিজেদের শ্রম এবং অধ্যবসায়ের সাথে এত সুন্দর একটি আয়োজন এত বছর থেকে করে যাচ্ছেন। আমি উজ্জয়নী মহিলা সংঘের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি। এবং আপনাদের সাথে অতীতের বছরগুলোতেও ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব এবং বর্তমানে দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে আমরা ধর্মীয় সম্প্রীতি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে স্বচ্ছভাবে সাহসের সাথে যাতে আমরা করতে পারি সেই দায়িত্ব আমাদের সকলের সবাই বলেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার ঠিক একই সাথে আমরা যেন সকলের মিলে এই উৎসবে শরিক হতে পারি হাত বাড়িয়ে দিতে পারি সহায়তার এবং হাত বাড়িয়ে দিতে পারি সহমর্মিতার সে আশা আমি ব্যক্ত করে আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করছি উজ্জয়নী মহিলা সংঘকে আবারো ধন্যবাদ সবার হাতে আজকে শারদীয় উপহার সবাই একসাথে একই শাড়ি পড়বো এবং এত চমৎকার সব শাড়িগুলি সবার হাতে তুলে দিতে পেরে আমি সত্যি আনন্দিত আমি প্রথমে সীমা কর্মকার একজন খ্যাতনামার শিক্ষিকা এবং মগার গর্ব আমি বলব তার সাহসিকতা, তার বাগ্মিতা এবং তার নেতৃত্ব সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি তার হাতেই প্রথমে শাড়িটি তুলে দিয়ে আমার উপহার বিতরণের সূচনা করছি। সবার কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি এবং সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।















