টাঙ্গাইল ১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতীতে কোটা সংস্কারের দাবিতে কালিহাতী কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কালিহাতীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালিহাতীতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের উপজেলা পরিষদ পরিদর্শন কালিহাতীতে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে ব্যারিস্টার শুক্লা সিরাজ বাসাইলের কাশিলে বাথরুমের পাশে থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার কালিহাতীর এলেঙ্গা রিসোর্ট থেকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপরাধে আটক ১০ টাঙ্গাইলে গড়ে উঠেছে দেশের বৃহত্তম মাদকমুক্ত কেন্দ্রীয় সাধুসংঘ। টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যায়যায়দিন পএিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বাসাইল আরুহা গ্রামে পাকা রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগ
ব্রেকিং নিউজ :
  • এটিভি বাংলা  অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দেশের বিভিন্ন  জেলা, থানা/উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘এটিভি বাংলা  নিউজ পোর্টাল ’ পত্রিকায় সংবাদ প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দেয়া হবে। ‘এটিভি বাংলা [email protected]০১৭১৪৯১৮২৫৫

অনন্ত জলিলকে মেরে ফেলেছেন

মো: নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০২২
  • / ৮১ বার পড়া হয়েছে

নায়ক-প্রযোজক অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে কিছুদিন আগে মামলা করার হুমকি দেন ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমার সহ-প্রযোজক ও পরিচালক মুর্তজা আতাশ জমজম। তার অভিযোগ, ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমা নিয়ে যে চুক্তি হয়েছিল তার কিছুই রাখেননি অনন্ত জলিল। চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে ইরান ও বাংলাদেশের আদালতে মামলা করবেন বলে জানান ইরানি এই পরিচালক।

কয়েক দিন আগে এ পরিচালক তার ইনস্ট্রাগ্রামে ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমার চুক্তিপত্র প্রকাশ করে। তাতে জানা যায়, সিনেমাটির বাজেট মাত্র ৫ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৮ সালের চুক্তি অনুযায়ী যা বাংলাদেশি টাকায় ৪ কোটি টাকার কিছু বেশি। তারপর থেকে তাকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে জোর সমালোচনা।

শনিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে অনন্ত জলিল একটি দীর্ঘ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে। সেখানে তিনি মুর্তজা অতাশ জমজমের ইনস্টাগ্রামে অনন্তর প্রতি অভিযোগ বার্তা ও ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমার বাজেট প্রসঙ্গে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করেন। পাশাপাশি ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনন্ত জলিল। অভিমান করে এ নায়ক বলেন—‘অনন্ত জলিলকে আপনারা মেরে ফেলেছেন।’

সিনেমাটির বাজেট নিয়ে অনন্ত জলিল বলেন, ‘বাংলাদেশের অংশের শুটিংয়ের ব্যয় আমার বহন করার কথা ছিল এবং সেটাই আমি করেছি। আর এই খরচটাকে সিনেমার মোট বাজেট বানিয়ে ফেলেছেন মর্তুজা। আর আপনারা সত্যতা যাচাই না করেই কেমন করে সিনেমাটির বাজেট ৪ কোটি টাকার বলে হাজার হাজার নিউজ করলেন! আপনাদের যাচাইয়ের সময় নাই? অনন্ত জলিল মানেই আলোচনা-সমালোচনার কম্পিটিশন লেগে যায়!’

মানুষের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনন্ত জলিল। কিন্তু মানুষের পাশে দাঁড়ানোটাই ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনন্ত বলেন, ‘যে কোনো জায়গায় দুর্যোগ হলে অনন্ত জলিল ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারো বিপদ হলে অনন্ত ছুটে যায়; মানুষের সহযোগিতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমার নামে ফ্যান ক্লাব হয়েছে; এক ঈদে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছি। কিছুদিন আগে সিলেটে ৩০ লাখ দিয়েছি বন্যার জন্য। ঢাবিতে বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ দিলাম। করোনার সময় আমি বস্তিতে বস্তিতে ঘুরেছি; আমার ওয়াইফ তার বাচ্চাদের নিয়ে সাহায্য দিয়েছে। জেলায় জেলায় ঘুরে বেড়িয়েছি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। নিজের জীবনের মায়া করিনি। এই সময়ে এসে দেখলাম, তারা আমার জন্য আন্দোলন করেন কি না। না, কেউ আমার হয়ে দাঁড়ায়নি। তারমানে আমি এতদিন যা করেছি ভুল করেছি। মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার ভুল ছিল।’

অনন্ত জলিলকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়—‘আপনারা আমাকে বদলে দিয়েছেন; আমার চোখ খুলে দিয়েছেন। অনন্ত জলিলকে আপনারা মেরে ফেলেছেন। এখন অন্য সেলিব্রেটির মতো আমিও বদলে গেছি। আমাকে আর আগের মতো আপনারা পাবেন না। আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ।’

উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই বাংলাদেশের ১০৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমা। প্রযোজনার পাশাপাশি সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অনন্ত জলিল। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন বর্ষা। বাংলাদেশ ছাড়াও ইরান, তুরস্ক ও আফগানিস্তানে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অনন্ত জলিলকে মেরে ফেলেছেন

প্রকাশিত : বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০২২

নায়ক-প্রযোজক অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে কিছুদিন আগে মামলা করার হুমকি দেন ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমার সহ-প্রযোজক ও পরিচালক মুর্তজা আতাশ জমজম। তার অভিযোগ, ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমা নিয়ে যে চুক্তি হয়েছিল তার কিছুই রাখেননি অনন্ত জলিল। চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে ইরান ও বাংলাদেশের আদালতে মামলা করবেন বলে জানান ইরানি এই পরিচালক।

কয়েক দিন আগে এ পরিচালক তার ইনস্ট্রাগ্রামে ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমার চুক্তিপত্র প্রকাশ করে। তাতে জানা যায়, সিনেমাটির বাজেট মাত্র ৫ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৮ সালের চুক্তি অনুযায়ী যা বাংলাদেশি টাকায় ৪ কোটি টাকার কিছু বেশি। তারপর থেকে তাকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে জোর সমালোচনা।

শনিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে অনন্ত জলিল একটি দীর্ঘ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে। সেখানে তিনি মুর্তজা অতাশ জমজমের ইনস্টাগ্রামে অনন্তর প্রতি অভিযোগ বার্তা ও ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমার বাজেট প্রসঙ্গে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করেন। পাশাপাশি ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনন্ত জলিল। অভিমান করে এ নায়ক বলেন—‘অনন্ত জলিলকে আপনারা মেরে ফেলেছেন।’

সিনেমাটির বাজেট নিয়ে অনন্ত জলিল বলেন, ‘বাংলাদেশের অংশের শুটিংয়ের ব্যয় আমার বহন করার কথা ছিল এবং সেটাই আমি করেছি। আর এই খরচটাকে সিনেমার মোট বাজেট বানিয়ে ফেলেছেন মর্তুজা। আর আপনারা সত্যতা যাচাই না করেই কেমন করে সিনেমাটির বাজেট ৪ কোটি টাকার বলে হাজার হাজার নিউজ করলেন! আপনাদের যাচাইয়ের সময় নাই? অনন্ত জলিল মানেই আলোচনা-সমালোচনার কম্পিটিশন লেগে যায়!’

মানুষের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনন্ত জলিল। কিন্তু মানুষের পাশে দাঁড়ানোটাই ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনন্ত বলেন, ‘যে কোনো জায়গায় দুর্যোগ হলে অনন্ত জলিল ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারো বিপদ হলে অনন্ত ছুটে যায়; মানুষের সহযোগিতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমার নামে ফ্যান ক্লাব হয়েছে; এক ঈদে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছি। কিছুদিন আগে সিলেটে ৩০ লাখ দিয়েছি বন্যার জন্য। ঢাবিতে বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ দিলাম। করোনার সময় আমি বস্তিতে বস্তিতে ঘুরেছি; আমার ওয়াইফ তার বাচ্চাদের নিয়ে সাহায্য দিয়েছে। জেলায় জেলায় ঘুরে বেড়িয়েছি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। নিজের জীবনের মায়া করিনি। এই সময়ে এসে দেখলাম, তারা আমার জন্য আন্দোলন করেন কি না। না, কেউ আমার হয়ে দাঁড়ায়নি। তারমানে আমি এতদিন যা করেছি ভুল করেছি। মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার ভুল ছিল।’

অনন্ত জলিলকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়—‘আপনারা আমাকে বদলে দিয়েছেন; আমার চোখ খুলে দিয়েছেন। অনন্ত জলিলকে আপনারা মেরে ফেলেছেন। এখন অন্য সেলিব্রেটির মতো আমিও বদলে গেছি। আমাকে আর আগের মতো আপনারা পাবেন না। আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ।’

উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই বাংলাদেশের ১০৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমা। প্রযোজনার পাশাপাশি সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অনন্ত জলিল। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন বর্ষা। বাংলাদেশ ছাড়াও ইরান, তুরস্ক ও আফগানিস্তানে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে।