টাঙ্গাইল ১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান কালিহাতীতে ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বাঘাইকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রুত কলেজে রূপান্তরের ঘোষণা সচিব জিয়াউল হকের নরসিংদীর রায়পুরায় মাসব্যাপী কুটির শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন নরিসংদীতে রায়পুরা ম্যারাথনে দেশ-বিদেশের পপ্রায় এক হাজার দৌড়বিদ অংশ গপ্রহন উপেক্ষিত মন্ত্রীর নির্দেশ ! “ বাঁশকাণ্ডে কাঁপছে বাসাইল, অধরা ঠিকাদার জাহাঙ্গীর ” নরসিংদীর রায়পুরায় দুর্নীতি-অনিয়ম ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়: ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল ঘুষের টাকা না পেয়ে হয়রানীর অভিযোগ ভূঞাপুরের ওসি রেজাউলের বিরুদ্ধে সকল সংগঠন ও সংবাদ কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান  আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান নাহিদকে মেয়র পদে দেখতে সকলের দোয়া-সমর্থন প্রত্যাশা কামনা করছেন নরসিংদী পৌরবাসী ও দলের সমর্থকবৃন্দরা
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান

বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি :

নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, এসআরবি ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে দিনভর অভিযান চালিয়েও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। দায়ের হয়নি কোনো মামলাও।

শনিবার (১০ অক্টোবর)নরসিংদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তবর্তী মেঘনা নদীতে চরমধুয়া, নিলক্ষা ও বাঁশগাড়ি চরাঞ্চলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাড়িতে তল্লাশি চালান অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা। তবে ঘটনাস্থলে বালু উত্তোলনের যন্ত্রপাতি কিংবা সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি।
অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজনদের অধিকাংশ বাড়িঘর ছিল তালাবদ্ধ। তিনটি চরাঞ্চলে নারী ও শিশু ছাড়া পুরুষদের উপস্থিতিও ছিল খুবই কম। বন্ধ ছিল দোকানপাট। সব মিলিয়ে পুরো এলাকায় বিরাজ করছিল থমথমে পরিস্থিতি।
অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ হোসেন শিমুল, সার্কেল এএসপি বায়েজিদ বিন মনসুর এবং রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।
প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলন ও চরাঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে গভীর রাতেও অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ও ফসলি জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। পাশাপাশি বসতভিটা, কৃষিজমি ও নদীপাড়ের পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ভয়ভীতির পরিবেশ থাকলে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকা নির্বাহে বাধার মুখে পড়েন বলে তাঁদের অভিযোগ।
স্থানীয় জনগণ বলেন, “আমরা চরাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই। অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা যেন নিয়মিত অব্যাহত থাকে। কোনো অপরাধী যেন আইনের ফাঁক গলে পার না পায় এবং নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।”
তাঁরা আরও বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে অভিযানের পরও যাতে আবার অবৈধ কার্যক্রম শুরু না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান

প্রকাশিত : শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি :

নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, এসআরবি ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে দিনভর অভিযান চালিয়েও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। দায়ের হয়নি কোনো মামলাও।

শনিবার (১০ অক্টোবর)নরসিংদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তবর্তী মেঘনা নদীতে চরমধুয়া, নিলক্ষা ও বাঁশগাড়ি চরাঞ্চলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাড়িতে তল্লাশি চালান অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা। তবে ঘটনাস্থলে বালু উত্তোলনের যন্ত্রপাতি কিংবা সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি।
অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজনদের অধিকাংশ বাড়িঘর ছিল তালাবদ্ধ। তিনটি চরাঞ্চলে নারী ও শিশু ছাড়া পুরুষদের উপস্থিতিও ছিল খুবই কম। বন্ধ ছিল দোকানপাট। সব মিলিয়ে পুরো এলাকায় বিরাজ করছিল থমথমে পরিস্থিতি।
অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ হোসেন শিমুল, সার্কেল এএসপি বায়েজিদ বিন মনসুর এবং রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।
প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলন ও চরাঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে গভীর রাতেও অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ও ফসলি জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। পাশাপাশি বসতভিটা, কৃষিজমি ও নদীপাড়ের পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ভয়ভীতির পরিবেশ থাকলে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকা নির্বাহে বাধার মুখে পড়েন বলে তাঁদের অভিযোগ।
স্থানীয় জনগণ বলেন, “আমরা চরাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই। অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা যেন নিয়মিত অব্যাহত থাকে। কোনো অপরাধী যেন আইনের ফাঁক গলে পার না পায় এবং নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।”
তাঁরা আরও বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে অভিযানের পরও যাতে আবার অবৈধ কার্যক্রম শুরু না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।