টাঙ্গাইল ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদীর রায়পুরা অফিসার্স ফোরামের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সম্মাননা প্রদান; উন্নয়ন-অপরাধ দমনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান- এমপি বর্জ্য নিষ্কাশনে নরসিংদী পৌরসভায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ৫টি ড্রাম ট্রাক হস্তান্তর করেন এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নজরদারিতে প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের প্রতি সচেতনতার বার্তা ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর নবীনবরণ, পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য মিলাদ-দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত | তোফাজ্জল হোসেন তুহিন কারিগরি স্কুল এন্ড বিএম কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এগিয়ে রয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি প্রার্থী জনপ্রিয় নেত্রী জান্নাতুল হক শাপলা নরসিংদীর রায়পুরায় সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ; পরিদর্শনে নিম্নমানের কাজে এমপি বকুলের কঠোর হুশিয়ারী নরসিংদীর এলজিডির নিয়ম না মানার অভিযোগ; ভোগান্তির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে মানববন্ধনে এলাকাবাসী
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের |

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২২০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের |

 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ও বাসাইল

অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

গত ২৭ ডিসেম্বর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় দলের শীর্ষ নেতারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।

সভায় বক্তারা জানান, ১৯৯৯ সালে সখিপুর–বাসাইল উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় মূলত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা থেকেই। দলটি বরাবরই গণতান্ত্রিক ও নির্বাচনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তবে বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু না হয়ে ‘পাতানো নির্বাচনে’ পরিণত হওয়ায় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে গত জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে।

নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এখনো পর্যন্ত সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের জান-মাল নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

সভায় আরও বলা হয়, দেশে খোয়া যাওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উল্টো নির্বাচন সামনে রেখে সরকারি ভাবে অস্ত্রের অনুমোদন দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করা হচ্ছে, যা নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতারা বলেন, যেখানে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জরুরি, সেখানে এখনো বহু রাজনৈতিক শক্তিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ বা উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে না।

এই প্রেক্ষাপটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘তথাকথিত নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে দলটি নির্বাচন থেকে বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার বলেন,

“বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আশা করা যায় না। তাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না।”

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের |

প্রকাশিত : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের |

 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ও বাসাইল

অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

গত ২৭ ডিসেম্বর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় দলের শীর্ষ নেতারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।

সভায় বক্তারা জানান, ১৯৯৯ সালে সখিপুর–বাসাইল উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় মূলত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা থেকেই। দলটি বরাবরই গণতান্ত্রিক ও নির্বাচনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তবে বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু না হয়ে ‘পাতানো নির্বাচনে’ পরিণত হওয়ায় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে গত জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে।

নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এখনো পর্যন্ত সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের জান-মাল নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

সভায় আরও বলা হয়, দেশে খোয়া যাওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উল্টো নির্বাচন সামনে রেখে সরকারি ভাবে অস্ত্রের অনুমোদন দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করা হচ্ছে, যা নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতারা বলেন, যেখানে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জরুরি, সেখানে এখনো বহু রাজনৈতিক শক্তিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ বা উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে না।

এই প্রেক্ষাপটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘তথাকথিত নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে দলটি নির্বাচন থেকে বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার বলেন,

“বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আশা করা যায় না। তাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না।”