টাঙ্গাইল ১২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
“আগামীর বাংলাদেশে ঐক্যবন্ধভাবে নরসিংদী নেতৃত্ব দিবে” — ড. আবদুল মঈন খান আমীরগঞ্জ ইউপি সদস্য খালেদা পারভীন পেলেন বিভাগীয় অদম্য নারী পুরস্কার আলিফ নেটওয়ার্কের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১নং মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রামাদান উপলক্ষে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আরোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিশাল ইফতার মাহফিল জনসম্পৃক্ততায় এগিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুমন খান প্রেস বিজ্ঞপ্তি তারিখ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের মৃত্যুতে শেখ হাসিনার শোক কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সাথে ডাঃ শাহ আলম তালুকদারের ইফতার  সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লাকে দেখতে চায় কালিহাতীর সর্বস্তরের মানুষ বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ইঞ্জিনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সোহরাব হোসেন মিয়া-কে চান নেতাকর্মীরা কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ওসি তৌফিক আজমের জিরো টলারেন্স অভিযান
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

মানবতার ফেরিওয়ালা কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ

সিঁদুর ঘোষ রাজকুমার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৪১ বার পড়া হয়েছে
  1. মানবতার ফেরিওয়ালা কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ

সিঁদুর ঘোষ রাজকুমার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল-১ আসন (মধুপুর–ধনবাড়ী) জাতীয় রাজনীতিতে সবসময় আলোচিত একটি কেন্দ্র। এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ। সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হলেও মূল পরিচিতি পেয়েছেন মানবতার সেবক হিসেবে। স্থানীয়রা তাঁকে এখন ডাকেন—“মানবতার ফেরিওয়ালা”।

আজাদ দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় সততা ও নিষ্ঠার জন্য খ্যাত ছিলেন। অবসর নেওয়ার পর নিজ এলাকায় ফিরে আসেন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। তাঁর বিশ্বাস, রাজনীতি হলো মানুষের সেবা করার সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম।

মধুপুর ও ধনবাড়ীর প্রত্যন্ত গ্রামে তিনি নিয়মিত মানুষের খোঁজখবর নেন। যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, তাঁদের ঘর তৈরি করে দেন। যাদের সংসারে চুলো জ্বলে না, তাঁদের চাল-ডাল পৌঁছে দেন ঘরে ঘরে।

বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। কৃষকদের দিয়েছেন বীজ, সার ও আর্থিক সহায়তা। শীতে দরিদ্রদের জন্য বিতরণ করেছেন হাজার হাজার শীতবস্ত্র।

অসহায় এতিম, বিধবা ও দুঃস্থ পরিবারগুলোর খোঁজ রাখেন নিয়মিত। কারও চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন হলে তিনি সাহায্য করেছেন। আবার কারও সন্তান পড়াশোনায় ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকলে তাঁর পাশে থেকেছেন।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করায় তিনি সবার কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন। দুর্গাপূজায় মণ্ডপে মণ্ডপে অনুদান দিয়েছেন, ঈদে ভাগ করে নিয়েছেন আনন্দ, বড়দিনে সহযোগিতা করেছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে। এলাকায় তিনি অসাম্প্রদায়িকতার এক উজ্জ্বল প্রতীক।
তরুণ প্রজন্মকে তিনি সবসময় উদ্বুদ্ধ করেন ইতিবাচক কাজে। খেলাধুলার মাঠে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেন পৃষ্ঠপোষকতা। তরুণদের উদ্দেশে বারবার বলেন, “মাদক থেকে দূরে থাকো, সমাজ গড়ার কাজে এগিয়ে এসো।”
রাজনীতির ময়দানে কর্নেল আজাদ বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ একজন নেতা। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর সুনাম রয়েছে। তবে এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, “আজাদ সাহেবকে আমরা রাজনীতিকের চেয়ে মানবিক অভিভাবক হিসেবে বেশি দেখি।”

তাঁর লক্ষ্য মধুপুর–ধনবাড়ীকে একটি মডেল এলাকায় রূপান্তরিত করা। উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে তিনি প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে দেখছেন।

আজাদ বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। আমার স্বপ্ন—যার ঘর নাই তাকে ঘর দেবো, যার ভাত নাই তাকে ভাত দেবো, যার জামা নাই তাকে জামা দেবো।”
এলাকার গারো পাহাড় থেকে শুরু করে ধনবাড়ীর প্রত্যন্ত গ্রাম—সবখানেই তাঁর নাম উচ্চারিত হচ্ছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে।
তরুণ ভোটাররা বলেন, “আমরা চাই কর্নেল আজাদ সাহেব আমাদের সংসদ সদস্য হোন। কারণ তিনি সব সময় আমাদের পাশে থাকেন, তিনি স্বপ্ন দেখান।”
স্থানীয় প্রবীণদের মতে, বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে মানবিক নেতার অভাব স্পষ্ট। তবে কর্নেল আজাদ সেই শূন্যতা পূরণ করছেন। নিজের অর্থ, শ্রম ও সময় দিয়ে তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন।
বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে, তাঁকে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি শক্ত অবস্থান নিতে পারবে। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা ইতিমধ্যেই তিনি অর্জন করেছেন।
রাজনীতির বাইরে তিনি একজন সৎ ও ভদ্র মানুষ হিসেবেও পরিচিত। এলাকার মানুষ বলেন, “তিনি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন না, মানুষের সেবার জন্য রাজনীতি করেন।”
মধুপুর–ধনবাড়ীতে আজ একটাই নাম আলোচনায়—কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ। তিনি শুধু দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী নন, জনগণের মনোনয়ন ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছেন।

সবশেষে বলা যায়, রাজনীতি যদি হয় মানুষের কল্যাণে, তবে কর্নেল আজাদ তার জীবন্ত উদাহরণ। জনগণের ভাষায়—তিনি সত্যিকারের মানবতার ফেরিওয়ালা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতার ফেরিওয়ালা কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ

প্রকাশিত : বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  1. মানবতার ফেরিওয়ালা কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ

সিঁদুর ঘোষ রাজকুমার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল-১ আসন (মধুপুর–ধনবাড়ী) জাতীয় রাজনীতিতে সবসময় আলোচিত একটি কেন্দ্র। এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ। সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হলেও মূল পরিচিতি পেয়েছেন মানবতার সেবক হিসেবে। স্থানীয়রা তাঁকে এখন ডাকেন—“মানবতার ফেরিওয়ালা”।

আজাদ দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় সততা ও নিষ্ঠার জন্য খ্যাত ছিলেন। অবসর নেওয়ার পর নিজ এলাকায় ফিরে আসেন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। তাঁর বিশ্বাস, রাজনীতি হলো মানুষের সেবা করার সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম।

মধুপুর ও ধনবাড়ীর প্রত্যন্ত গ্রামে তিনি নিয়মিত মানুষের খোঁজখবর নেন। যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, তাঁদের ঘর তৈরি করে দেন। যাদের সংসারে চুলো জ্বলে না, তাঁদের চাল-ডাল পৌঁছে দেন ঘরে ঘরে।

বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। কৃষকদের দিয়েছেন বীজ, সার ও আর্থিক সহায়তা। শীতে দরিদ্রদের জন্য বিতরণ করেছেন হাজার হাজার শীতবস্ত্র।

অসহায় এতিম, বিধবা ও দুঃস্থ পরিবারগুলোর খোঁজ রাখেন নিয়মিত। কারও চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন হলে তিনি সাহায্য করেছেন। আবার কারও সন্তান পড়াশোনায় ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকলে তাঁর পাশে থেকেছেন।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করায় তিনি সবার কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন। দুর্গাপূজায় মণ্ডপে মণ্ডপে অনুদান দিয়েছেন, ঈদে ভাগ করে নিয়েছেন আনন্দ, বড়দিনে সহযোগিতা করেছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে। এলাকায় তিনি অসাম্প্রদায়িকতার এক উজ্জ্বল প্রতীক।
তরুণ প্রজন্মকে তিনি সবসময় উদ্বুদ্ধ করেন ইতিবাচক কাজে। খেলাধুলার মাঠে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেন পৃষ্ঠপোষকতা। তরুণদের উদ্দেশে বারবার বলেন, “মাদক থেকে দূরে থাকো, সমাজ গড়ার কাজে এগিয়ে এসো।”
রাজনীতির ময়দানে কর্নেল আজাদ বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ একজন নেতা। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর সুনাম রয়েছে। তবে এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, “আজাদ সাহেবকে আমরা রাজনীতিকের চেয়ে মানবিক অভিভাবক হিসেবে বেশি দেখি।”

তাঁর লক্ষ্য মধুপুর–ধনবাড়ীকে একটি মডেল এলাকায় রূপান্তরিত করা। উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে তিনি প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে দেখছেন।

আজাদ বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। আমার স্বপ্ন—যার ঘর নাই তাকে ঘর দেবো, যার ভাত নাই তাকে ভাত দেবো, যার জামা নাই তাকে জামা দেবো।”
এলাকার গারো পাহাড় থেকে শুরু করে ধনবাড়ীর প্রত্যন্ত গ্রাম—সবখানেই তাঁর নাম উচ্চারিত হচ্ছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে।
তরুণ ভোটাররা বলেন, “আমরা চাই কর্নেল আজাদ সাহেব আমাদের সংসদ সদস্য হোন। কারণ তিনি সব সময় আমাদের পাশে থাকেন, তিনি স্বপ্ন দেখান।”
স্থানীয় প্রবীণদের মতে, বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে মানবিক নেতার অভাব স্পষ্ট। তবে কর্নেল আজাদ সেই শূন্যতা পূরণ করছেন। নিজের অর্থ, শ্রম ও সময় দিয়ে তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন।
বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে, তাঁকে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি শক্ত অবস্থান নিতে পারবে। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা ইতিমধ্যেই তিনি অর্জন করেছেন।
রাজনীতির বাইরে তিনি একজন সৎ ও ভদ্র মানুষ হিসেবেও পরিচিত। এলাকার মানুষ বলেন, “তিনি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন না, মানুষের সেবার জন্য রাজনীতি করেন।”
মধুপুর–ধনবাড়ীতে আজ একটাই নাম আলোচনায়—কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ। তিনি শুধু দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী নন, জনগণের মনোনয়ন ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছেন।

সবশেষে বলা যায়, রাজনীতি যদি হয় মানুষের কল্যাণে, তবে কর্নেল আজাদ তার জীবন্ত উদাহরণ। জনগণের ভাষায়—তিনি সত্যিকারের মানবতার ফেরিওয়ালা।