বি এন পির জন্ম লগ্ন থেকে অদ্যাবধি বিএনপির পক্ষে একজন সাধারণ কর্মী হয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে
- প্রকাশিত : রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
- / ৩০৮ বার পড়া হয়েছে
বি এন পির জন্ম লগ্ন থেকে অদ্যাবধি বিএনপির পক্ষে একজন সাধারণ কর্মী হয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আমি অধ্যাপক ডা: মো: শাহ আলম তালুকদার সক্রিয় ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমার ধ্যান ধারণা আপনাদের সদয় অবগতির জন্য উপস্থাপন করলাম।
দেশের ক্রান্তিলগ্নে ও দেশ গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার সহধর্মিণী দেশমাতা, সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য।
সুদীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে পতিত ও স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন হয়। আন্দোলনে সকল বিরোধী দলের ভূমিকা ছিল প্রশংনীয়।পতিত স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন হলেও দেশীয় ও বিদেশীয় চক্রান্ত যেনো শেষ হয়নি।অন্তর্বতীর্কালীন সরকার কে বিব্রত করা, সব দলের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক বিনষ্ট করা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনকে ভূলন্ঠিত করা এবং দেশে আবারও স্বৈরাচারকে ও তার দোসরদের পুনর্বাসন করাই যেনো এই চক্রান্তকারীদের মূল উদ্দেশ্য।
স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর যে কোন সময়ের চেয়ে প্রিয় বাংলাদেশ বর্তমানে এতটাই দেশীয় ও বিদেশীয় চক্রান্তের শিকার হতে হচ্ছে তা সকল জনগোষ্ঠীকে অনুধাবন করতে হবে এবং সে অনুযায়ী উত্তরণের পথ খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি তাই কালক্ষেপণ না করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। এ গুরু দায়িত্বটা দেশের বৃহত্তম এবং সর্বোচ্চ জনসমর্থিত দল বি এন পি কেই অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে। এজন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন বি এন পি কে সুসংগঠিত করা। বিগত স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের আমলে যারা গুম,খুন,জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলার হয়রানির শিকার হয়েছন সেই ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবী।
প্রবীণ ও নবীনের একটা চমৎকার সমন্বয়ও দরকার। তা না হলে বি এন পি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তেমনি জনগণের আশা আকাঙক্ষাও ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে,দেশ তলিয়ে যেতে পারে আবার অন্ধকারাচ্ছন্নে।
বিগত সৈরাচার সরকারের আমলে যারা জেল-জুলুম, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদেরকেও দলকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আরো ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, সৈরাচার সরকারের কার্যকলাপ ও পরিণতি উপলব্ধি করে লুটতরাজ, রাহাজানি,সম্পদ লুন্ঠন এবং জনগণের মালের নিরাপত্তা রক্ষায় তারুণ্যের গর্ব বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে, শহীদ জিয়ার সৈনিকদের সন্মুখ কাতারে থাকতে হবে। এতে করে দলের ভাবমূর্তি যেমন অক্ষুণ্ন থাকবে, তেমনই দেশ হবে একটা সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও দুর্বৃত্তায়নমুক্ত,ইনশাআল্লাহ ।















