টাঙ্গাইল ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
“আগামীর বাংলাদেশে ঐক্যবন্ধভাবে নরসিংদী নেতৃত্ব দিবে” — ড. আবদুল মঈন খান আমীরগঞ্জ ইউপি সদস্য খালেদা পারভীন পেলেন বিভাগীয় অদম্য নারী পুরস্কার আলিফ নেটওয়ার্কের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১নং মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রামাদান উপলক্ষে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আরোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিশাল ইফতার মাহফিল জনসম্পৃক্ততায় এগিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুমন খান প্রেস বিজ্ঞপ্তি তারিখ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের মৃত্যুতে শেখ হাসিনার শোক কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সাথে ডাঃ শাহ আলম তালুকদারের ইফতার  সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লাকে দেখতে চায় কালিহাতীর সর্বস্তরের মানুষ বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ইঞ্জিনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সোহরাব হোসেন মিয়া-কে চান নেতাকর্মীরা কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ওসি তৌফিক আজমের জিরো টলারেন্স অভিযান
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪
  • / ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

 

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌর এলাকার কালিহাতী বল্লা রোডে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে শিসার কারখানা চলছে। এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জানা যায়, কালিহাতী সিলিমপুর গ্রামের আবু বকর ও তার ছেলে শাহ্আলম এবং আবু বকরের মেয়ের জামাই ইকবাল হোসেন লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে শিসার কারখানাটি পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় বিগত দিনে শাহ্আলম গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিল। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিন তার কারখানায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস শিসা গলিয়ে যেমন-হাঁড়ি-পাতিল, বড় ডেগ ইত্যাদি তৈরী করে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের ছাড়পত্র থাকতে হয় কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে আসছে। শিসা গালানোর ফলে আশেপাশের মানুষ পরিবেশ দূষনের শিকার হচ্ছে। ভুক্ত ভোগীরা জানান স্থানীয় প্রশাসনদের বার বার অভিযোগ করেও তারা কোন প্রত্রিকার পায়নি। নিয়মানুযায়ী শিসা দিয়ে তৈরী জিনিসপত্র বিক্রির ১৫% (ভ্যাট) মুল্য সংযোজন কর দিতে হয়। টাঙ্গাইল কাস্টমস
এক্সাইজ ভ্যাট অফিসে সংবাদ নিয়ে জানা গেছে তাদের নিকট ওই কারখানার কোন
নিবন্ধন নেই এবং এ পর্যন্ত কোন ভ্যাট দেয়নি। এতে করে প্রতিমাসে লাখ লাখ
টাকার সরকারী ভ্যাট ফাকি দিচ্ছে ওই কারখানার মালিক।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক শাহ্আলমের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, দুবৎসর আগে আবেদন করেছি কিন্তু ছাড়পত্র পাইনি।

অবৈধ ওই শিসা কারখানা বন্ধ কল্পে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগন।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

প্রকাশিত : বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪

 

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌর এলাকার কালিহাতী বল্লা রোডে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে শিসার কারখানা চলছে। এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জানা যায়, কালিহাতী সিলিমপুর গ্রামের আবু বকর ও তার ছেলে শাহ্আলম এবং আবু বকরের মেয়ের জামাই ইকবাল হোসেন লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে শিসার কারখানাটি পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় বিগত দিনে শাহ্আলম গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিল। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিন তার কারখানায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস শিসা গলিয়ে যেমন-হাঁড়ি-পাতিল, বড় ডেগ ইত্যাদি তৈরী করে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের ছাড়পত্র থাকতে হয় কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে আসছে। শিসা গালানোর ফলে আশেপাশের মানুষ পরিবেশ দূষনের শিকার হচ্ছে। ভুক্ত ভোগীরা জানান স্থানীয় প্রশাসনদের বার বার অভিযোগ করেও তারা কোন প্রত্রিকার পায়নি। নিয়মানুযায়ী শিসা দিয়ে তৈরী জিনিসপত্র বিক্রির ১৫% (ভ্যাট) মুল্য সংযোজন কর দিতে হয়। টাঙ্গাইল কাস্টমস
এক্সাইজ ভ্যাট অফিসে সংবাদ নিয়ে জানা গেছে তাদের নিকট ওই কারখানার কোন
নিবন্ধন নেই এবং এ পর্যন্ত কোন ভ্যাট দেয়নি। এতে করে প্রতিমাসে লাখ লাখ
টাকার সরকারী ভ্যাট ফাকি দিচ্ছে ওই কারখানার মালিক।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক শাহ্আলমের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, দুবৎসর আগে আবেদন করেছি কিন্তু ছাড়পত্র পাইনি।

অবৈধ ওই শিসা কারখানা বন্ধ কল্পে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগন।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫