টাঙ্গাইল ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
হাবলার প্রতিটি ওয়ার্ডে গণসংযোগ করছেন সুমন খান, চাচ্ছেন মানুষের দোয়া ও সমর্থন কালিহাতীতে নৈতিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আধুনিক ও বাস্তবমুখী চিন্তাভাবনায় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে-ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি পারখী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক নির্মূল কমিটি গঠন সভাপতি সাংবাদিক এনায়েত করিম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক শারমিনকে ঘিরে ‘মেয়ে থেকে ছেলে’ রূপান্তরের দাবি, ছড়াচ্ছে নানা গুজব আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী রেলি মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর হাবলার চেয়ারম্যান পদে সুমন খানের আগ্রহ, সন্ত্রাস-মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় কালিহাতীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সি ও ট্রফি উন্মোচন, উদ্বোধনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নরসিংদীর কৃতি সস্তান ড.আবদুল মঈন খানকে এলজিইডি মন্ত্রী করায় নরসিংদী (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সহ সকল কর্মকর্তাগনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪
  • / ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

 

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌর এলাকার কালিহাতী বল্লা রোডে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে শিসার কারখানা চলছে। এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জানা যায়, কালিহাতী সিলিমপুর গ্রামের আবু বকর ও তার ছেলে শাহ্আলম এবং আবু বকরের মেয়ের জামাই ইকবাল হোসেন লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে শিসার কারখানাটি পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় বিগত দিনে শাহ্আলম গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিল। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিন তার কারখানায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস শিসা গলিয়ে যেমন-হাঁড়ি-পাতিল, বড় ডেগ ইত্যাদি তৈরী করে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের ছাড়পত্র থাকতে হয় কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে আসছে। শিসা গালানোর ফলে আশেপাশের মানুষ পরিবেশ দূষনের শিকার হচ্ছে। ভুক্ত ভোগীরা জানান স্থানীয় প্রশাসনদের বার বার অভিযোগ করেও তারা কোন প্রত্রিকার পায়নি। নিয়মানুযায়ী শিসা দিয়ে তৈরী জিনিসপত্র বিক্রির ১৫% (ভ্যাট) মুল্য সংযোজন কর দিতে হয়। টাঙ্গাইল কাস্টমস
এক্সাইজ ভ্যাট অফিসে সংবাদ নিয়ে জানা গেছে তাদের নিকট ওই কারখানার কোন
নিবন্ধন নেই এবং এ পর্যন্ত কোন ভ্যাট দেয়নি। এতে করে প্রতিমাসে লাখ লাখ
টাকার সরকারী ভ্যাট ফাকি দিচ্ছে ওই কারখানার মালিক।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক শাহ্আলমের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, দুবৎসর আগে আবেদন করেছি কিন্তু ছাড়পত্র পাইনি।

অবৈধ ওই শিসা কারখানা বন্ধ কল্পে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগন।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

প্রকাশিত : বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪

 

কালিহাতীতে অবৈধ শিসা কারখানা!! দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

শুভ্র মজুমদার, কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌর এলাকার কালিহাতী বল্লা রোডে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে শিসার কারখানা চলছে। এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
জানা যায়, কালিহাতী সিলিমপুর গ্রামের আবু বকর ও তার ছেলে শাহ্আলম এবং আবু বকরের মেয়ের জামাই ইকবাল হোসেন লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে শিসার কারখানাটি পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় বিগত দিনে শাহ্আলম গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিল। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রতিদিন তার কারখানায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস শিসা গলিয়ে যেমন-হাঁড়ি-পাতিল, বড় ডেগ ইত্যাদি তৈরী করে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের ছাড়পত্র থাকতে হয় কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা করে আসছে। শিসা গালানোর ফলে আশেপাশের মানুষ পরিবেশ দূষনের শিকার হচ্ছে। ভুক্ত ভোগীরা জানান স্থানীয় প্রশাসনদের বার বার অভিযোগ করেও তারা কোন প্রত্রিকার পায়নি। নিয়মানুযায়ী শিসা দিয়ে তৈরী জিনিসপত্র বিক্রির ১৫% (ভ্যাট) মুল্য সংযোজন কর দিতে হয়। টাঙ্গাইল কাস্টমস
এক্সাইজ ভ্যাট অফিসে সংবাদ নিয়ে জানা গেছে তাদের নিকট ওই কারখানার কোন
নিবন্ধন নেই এবং এ পর্যন্ত কোন ভ্যাট দেয়নি। এতে করে প্রতিমাসে লাখ লাখ
টাকার সরকারী ভ্যাট ফাকি দিচ্ছে ওই কারখানার মালিক।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক শাহ্আলমের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, দুবৎসর আগে আবেদন করেছি কিন্তু ছাড়পত্র পাইনি।

অবৈধ ওই শিসা কারখানা বন্ধ কল্পে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জনগন।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী ( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫