টাঙ্গাইল ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদী রেলস্টেশনে নিহত সাথী বেগমের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা প্রদান জেলা প্রশাসক আরাফ বাংলাদেশের রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত। নরসিংদীর মাও. ওমর ফারুক এর ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, মাদক-সন্ত্রাস দমনের দাবি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত “সিংনা মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” এর ফাইনাল খেলা।  টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় আর এস পাইলট স্কুলের ১৩ ব্যাচের উদ্যোগে জমকালো ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও হাতি নিয়ে বর্ণাঢ্য শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নরসিংদী স্টেশনে হৃদয়বিদারক ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত মা ও সন্তান নরসিংদী জেলা প্রশাসনের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ শেষে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ধান গড়াই ২২ গ্রামের মাঠ এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। বীরবাসিন্দা ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া, সমর্থন ও ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীতে ফুল ঝাড়ু তৈরীতে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে

শুভ্র মজুমদার,কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / ৬৮৯ বার পড়া হয়েছে

কালিহাতীতে ফুল ঝাড়ু তৈরীতে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে

শুভ্র মজুমদার,কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পটল গ্রাম ফুল ঝাড়ু তৈরির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে, যা এলাকাবাসীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে। প্রতি মাসে এই গ্রাম থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার ঝাড়ু বিক্রি হয়, যা গ্রামের মানুষের জন্য বড় ধরনের আয়ের উৎস। এই ঝাড়ু তৈরির কাজ মূলত পাহাড়ি উলু ফুল দিয়ে করা হয় ।

ঝাড়ু তৈরির শিল্পটি শুধু গ্রামে কাজের সুযোগ তৈরি করেনি, বরং উপজেলার প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে। পুরুষ, মহিলা, এমনকি শিশুরাও ঝাড়ু তৈরির বিভিন্ন ধাপে যুক্ত থাকেন, যেখানে নারীরা ফিটিং এবং শিশুরা টেপ পেঁচানোর কাজ করে।

তবে বর্তমানে উলু ফুলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন সমস্যাসহ নানা সংকটে কুটির শিল্পটির অগ্রযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি কারখানা মালিকদের। তারা বলেন, ‘উলু ফুলগুলো আমরা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, কাপ্তাই, বান্দরবান, কক্সবাজার থেকে সংগ্রহ করি। আগের চেয়ে খরচ অনেক বেশি। সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে পণ্য আনলেও রাস্তাঘাটে আমরা নির্যাতিত হই। আগে ভালো বিক্রি হইতো। কারণ ব্যবসায়ী কম ছিলো। এখন ব্যবসায়ী বাড়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।’ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র পাইকারি বাজারে এই ঝাড়ুর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। প্রতি পিস ঝাড়ুর পাইকারি দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এতে প্রতি মাসে ৩ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়। স্থানীয় বাজার ছাড়াও ঢাকাসহ সারা দেশে এই ঝাড়ুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, যা এলাকাবাসীর জন্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।

উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ঝাড়ু ব্যবসায়ী মো. নুর উদ্দীন বলেন, ৮ বছর আগে পাহাড়ি উলু ফুল দিয়ে ঝাড়ু তৈরির কাজ শুরু করেন। এতে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছেন। আমার পরিবার-আত্মীয় স্বজনসহ ১৫ থেকে ২০ জনের মতো কাজ করতো। তবে আগের মতো কাজ নাই।’

শ্রমিকরা বলেন, ‘আমরা এখানে প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর যাবত কাজ করতেছি। আগে বেতন কম পাইতাম কিন্তু এখন ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা পাই।

পটল এলাকার ঝাড়ু ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা মো. নজরুল ইসলাম জানান, ‘পণ্যের পরিবহন খরচ অত্যাধিক যা বলার মতো না। একগাড়িতে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ পড়ে। সবমিলিয়ে এখানে ১০ হাজারের মতো কর্মসংস্থান রয়েছে।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে ফুল ঝাড়ু তৈরীতে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে

প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কালিহাতীতে ফুল ঝাড়ু তৈরীতে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে

শুভ্র মজুমদার,কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পটল গ্রাম ফুল ঝাড়ু তৈরির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে, যা এলাকাবাসীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে। প্রতি মাসে এই গ্রাম থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার ঝাড়ু বিক্রি হয়, যা গ্রামের মানুষের জন্য বড় ধরনের আয়ের উৎস। এই ঝাড়ু তৈরির কাজ মূলত পাহাড়ি উলু ফুল দিয়ে করা হয় ।

ঝাড়ু তৈরির শিল্পটি শুধু গ্রামে কাজের সুযোগ তৈরি করেনি, বরং উপজেলার প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে। পুরুষ, মহিলা, এমনকি শিশুরাও ঝাড়ু তৈরির বিভিন্ন ধাপে যুক্ত থাকেন, যেখানে নারীরা ফিটিং এবং শিশুরা টেপ পেঁচানোর কাজ করে।

তবে বর্তমানে উলু ফুলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন সমস্যাসহ নানা সংকটে কুটির শিল্পটির অগ্রযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি কারখানা মালিকদের। তারা বলেন, ‘উলু ফুলগুলো আমরা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, কাপ্তাই, বান্দরবান, কক্সবাজার থেকে সংগ্রহ করি। আগের চেয়ে খরচ অনেক বেশি। সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে পণ্য আনলেও রাস্তাঘাটে আমরা নির্যাতিত হই। আগে ভালো বিক্রি হইতো। কারণ ব্যবসায়ী কম ছিলো। এখন ব্যবসায়ী বাড়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।’ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র পাইকারি বাজারে এই ঝাড়ুর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। প্রতি পিস ঝাড়ুর পাইকারি দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এতে প্রতি মাসে ৩ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়। স্থানীয় বাজার ছাড়াও ঢাকাসহ সারা দেশে এই ঝাড়ুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, যা এলাকাবাসীর জন্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।

উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ঝাড়ু ব্যবসায়ী মো. নুর উদ্দীন বলেন, ৮ বছর আগে পাহাড়ি উলু ফুল দিয়ে ঝাড়ু তৈরির কাজ শুরু করেন। এতে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছেন। আমার পরিবার-আত্মীয় স্বজনসহ ১৫ থেকে ২০ জনের মতো কাজ করতো। তবে আগের মতো কাজ নাই।’

শ্রমিকরা বলেন, ‘আমরা এখানে প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর যাবত কাজ করতেছি। আগে বেতন কম পাইতাম কিন্তু এখন ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা পাই।

পটল এলাকার ঝাড়ু ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা মো. নজরুল ইসলাম জানান, ‘পণ্যের পরিবহন খরচ অত্যাধিক যা বলার মতো না। একগাড়িতে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ পড়ে। সবমিলিয়ে এখানে ১০ হাজারের মতো কর্মসংস্থান রয়েছে।

শুভ্র মজুমদার
কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১৭১৮২৭৪৪৯৫