টাঙ্গাইল ০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪, ১২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
বন্যাদূর্গ সহস্রাধিক মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিল কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটি কালিহাতীতে কোটা সংস্কারের দাবিতে কালিহাতী কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কালিহাতীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালিহাতীতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের উপজেলা পরিষদ পরিদর্শন কালিহাতীতে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে ব্যারিস্টার শুক্লা সিরাজ বাসাইলের কাশিলে বাথরুমের পাশে থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার কালিহাতীর এলেঙ্গা রিসোর্ট থেকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপরাধে আটক ১০ টাঙ্গাইলে গড়ে উঠেছে দেশের বৃহত্তম মাদকমুক্ত কেন্দ্রীয় সাধুসংঘ। টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যায়যায়দিন পএিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
ব্রেকিং নিউজ :
  • এটিভি বাংলা  অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দেশের বিভিন্ন  জেলা, থানা/উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘এটিভি বাংলা  নিউজ পোর্টাল ’ পত্রিকায় সংবাদ প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দেয়া হবে। ‘এটিভি বাংলা [email protected]০১৭১৪৯১৮২৫৫

যেভাবে সালমান খানকে হত্যার ছক করেছিল গ্যাংস্টার লরেন্স

মো: নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৮২ বার পড়া হয়েছে

গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই বলিউড ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খানকে হত্যার জন্য আবারও ছক কষেছিলেন বলে বেরিয়ে এসেছে দিল্লি ও পাঞ্জাব পুলিশের তদন্তে।

লরেন্স বিষ্ণোই যে সালমানকে নিশানা করেছে, সেটা ২০১৮ সালে তার স্যাঙাত সম্পত নেহরাকে গ্রেফতারের পরই জানা গিয়েছিল। মাসখানেক আগে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওলাকে খুন করার পর সালমানকে হত্যার জন্য ‘প্ল্যান বি’ তৈরি করে ওই গ্যাং।

চলতি বছরের মে মাসে একে-৪৭ রাইফেল দিয়ে ৩০ রাউন্ড গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মসেওলাকে। ওই হত্যার পেছনে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দলকেই পুলিশের সন্দেহ।

সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে পাঞ্জাব ও দিল্লি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয় সিধু হত্যায় অন্যতম সন্দেহভাজন কপিল পণ্ডিত, যিনি লরেন্স বিষ্ণোইয়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ওই শার্প শুটারকে জিজ্ঞাসাবাদেই বেরিয়ে আসে সালমান হত্যার দ্বিতীয় ছক। জানা যায়, মুম্বইয়ে পানভেলের সালমানের সাধের খামারবাড়িতেই তাকে খুন করার প্রস্তুতি চলছিল।

সেজন্য ওই এলাকায় সালমানের বাড়ির কাছে বাসা ভাড়া নেন কপিল, যাতে সালমানের ফার্মহাউস ‘রেকি’ করতে সুবিধা হয় তাদের। এ কাজে কপিলের সঙ্গে ছিলেন দুই সহযোগী সন্তোষ যাদব এবং শচীন বিষ্ণোই তপন।

এ বছরের শুরুর দিকেই মুম্বাইয়ের ওই খামারবাড়িতে প্রায় এক মাস কাটিয়েছেন সালমান খান।

পুলিশ বলছে, এ বলিউড তারকাকে হত্যার জন্য কপিল আর তার দুই সহযোগী পিস্তল ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছিল।

তারা এটা জানত যে গাড়ি দুর্ঘটনায় মামলায় জড়ানোর পর থেকে সালমানের বাহন সাধারণত মাঝারি গতিতেই চলে। আর ওই খামারবাড়িতে গেলে সালমানের সাথে থাকে কেবল তার দেহরক্ষী শেরা, বাড়তি তেমন কোনো নিরাপত্তার আয়োজন থাকে না।

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের লোকজন সালমানের ভক্ত সেজে তার খামারবাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে খাতিরও জমিয়ে ফেলেছিল, যাতে তার গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

যে রাস্তা দিয়ে সালমান খামারবাড়িতে যেতেন, সেই রাস্তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা ধারণা করেছিল, সেখানে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার গতির বেশি তুলবে না এই অভিনেতার গাড়ি।

পুলিশ বলছে, এত পরিকল্পনা করেও খুনিরা সফল হতে পারেনি। এপ্রিলে দুবার সালমান পানভেলে ওই বাড়িতে গেলেও কপিল পণ্ডিত দুবারই সেই সুযোগ হারান, ব্যর্থ হয় তাদের ‘প্ল্যান বি’।

২০১১ সালে ‘রেডি’ সিনেমার শুটিংয়ের মাঝে সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন লরেন্স বিষ্ণোই। এরপর ২০১৮ সালে সালমানকে হত্যার জন্য তিনি তার সহযোগী সম্পত নেহরাকে দায়িত্ব দেন।

কিন্তু সে সময় অস্ত্রের জটিলতায় পরিকল্পনা মাফিক কাজ সারতে পারেনি খুনিরা।

২০২১ সালে থেকে তিহার জেলে বন্দি আছেন লরেন্স। গত জুনে সালমানের মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে উড়ো চিঠি আসার পর তার নাম ফের আলোচনায় আসে। তবে সে সময় পুলিশের কাছে হত্যার হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

যেভাবে সালমান খানকে হত্যার ছক করেছিল গ্যাংস্টার লরেন্স

প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই বলিউড ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খানকে হত্যার জন্য আবারও ছক কষেছিলেন বলে বেরিয়ে এসেছে দিল্লি ও পাঞ্জাব পুলিশের তদন্তে।

লরেন্স বিষ্ণোই যে সালমানকে নিশানা করেছে, সেটা ২০১৮ সালে তার স্যাঙাত সম্পত নেহরাকে গ্রেফতারের পরই জানা গিয়েছিল। মাসখানেক আগে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওলাকে খুন করার পর সালমানকে হত্যার জন্য ‘প্ল্যান বি’ তৈরি করে ওই গ্যাং।

চলতি বছরের মে মাসে একে-৪৭ রাইফেল দিয়ে ৩০ রাউন্ড গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মসেওলাকে। ওই হত্যার পেছনে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দলকেই পুলিশের সন্দেহ।

সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে পাঞ্জাব ও দিল্লি পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয় সিধু হত্যায় অন্যতম সন্দেহভাজন কপিল পণ্ডিত, যিনি লরেন্স বিষ্ণোইয়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ওই শার্প শুটারকে জিজ্ঞাসাবাদেই বেরিয়ে আসে সালমান হত্যার দ্বিতীয় ছক। জানা যায়, মুম্বইয়ে পানভেলের সালমানের সাধের খামারবাড়িতেই তাকে খুন করার প্রস্তুতি চলছিল।

সেজন্য ওই এলাকায় সালমানের বাড়ির কাছে বাসা ভাড়া নেন কপিল, যাতে সালমানের ফার্মহাউস ‘রেকি’ করতে সুবিধা হয় তাদের। এ কাজে কপিলের সঙ্গে ছিলেন দুই সহযোগী সন্তোষ যাদব এবং শচীন বিষ্ণোই তপন।

এ বছরের শুরুর দিকেই মুম্বাইয়ের ওই খামারবাড়িতে প্রায় এক মাস কাটিয়েছেন সালমান খান।

পুলিশ বলছে, এ বলিউড তারকাকে হত্যার জন্য কপিল আর তার দুই সহযোগী পিস্তল ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছিল।

তারা এটা জানত যে গাড়ি দুর্ঘটনায় মামলায় জড়ানোর পর থেকে সালমানের বাহন সাধারণত মাঝারি গতিতেই চলে। আর ওই খামারবাড়িতে গেলে সালমানের সাথে থাকে কেবল তার দেহরক্ষী শেরা, বাড়তি তেমন কোনো নিরাপত্তার আয়োজন থাকে না।

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের লোকজন সালমানের ভক্ত সেজে তার খামারবাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে খাতিরও জমিয়ে ফেলেছিল, যাতে তার গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

যে রাস্তা দিয়ে সালমান খামারবাড়িতে যেতেন, সেই রাস্তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা ধারণা করেছিল, সেখানে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার গতির বেশি তুলবে না এই অভিনেতার গাড়ি।

পুলিশ বলছে, এত পরিকল্পনা করেও খুনিরা সফল হতে পারেনি। এপ্রিলে দুবার সালমান পানভেলে ওই বাড়িতে গেলেও কপিল পণ্ডিত দুবারই সেই সুযোগ হারান, ব্যর্থ হয় তাদের ‘প্ল্যান বি’।

২০১১ সালে ‘রেডি’ সিনেমার শুটিংয়ের মাঝে সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন লরেন্স বিষ্ণোই। এরপর ২০১৮ সালে সালমানকে হত্যার জন্য তিনি তার সহযোগী সম্পত নেহরাকে দায়িত্ব দেন।

কিন্তু সে সময় অস্ত্রের জটিলতায় পরিকল্পনা মাফিক কাজ সারতে পারেনি খুনিরা।

২০২১ সালে থেকে তিহার জেলে বন্দি আছেন লরেন্স। গত জুনে সালমানের মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে উড়ো চিঠি আসার পর তার নাম ফের আলোচনায় আসে। তবে সে সময় পুলিশের কাছে হত্যার হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

সূত্র: এনডিটিভি