টাঙ্গাইল ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ব্রেকিং নিউজ :

নামাজ পড়ার কথা বলায় মারধর, প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

মো: নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ জুন ২০২২
  • / ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নামাজ পড়ার আহবান করায় এলোপাতাড়ি মারধরের একদিন পর বৃহস্পতিবার রাতে আজিজুল হক হৃদয় (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের মুগসাইর গ্রামে।

আজিজুল হক হৃদয় ওই গ্রামের মো. লিটন মিয়ার পুত্র। সে মুগসাইর এগারগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আজিজুল হক হৃদয় বুধবার আসরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় পার্শ্ববর্তী পশ্চিম পোমকাড়া গ্রামের আবদুল মোনাফের পুত্র মো. ইদ্রিসকে (৩৫) নামাজ পড়তে আহবান জানায়। ওই সময় ইদ্রিস হৃদয়কে গালমন্দ করলে তাদের দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি পরে একপর্যায়ে হাতাহাতি হলে ইদ্রিস তার আঙুলে আঘাত পায়।

ওই সময় ইদ্রিস ও তার সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে হৃদয়কে মারধর এবং পেটের মধ্যে লাথি মারে। তাদের দুজনের মারধরে হৃদয় আহত হয়ে বাড়ি চলে যায়। ঘটনার একদিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হৃদয় পেটের তীব্র ব্যথায় চিৎকার করতে থাকলে পরিবারের লোকজন তাকে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার রাতেই খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং শুক্রবার বিকাল ৫টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি কমল কৃষ্ণ ধর জানান, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে লাশের গায়ে কোনো প্রকার আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যেহেতু মারধরের অভিযোগ উঠেছে, তাই লাশের ময়নাতদন্ত করে শুক্রবার ৫টায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নামাজ পড়ার কথা বলায় মারধর, প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ জুন ২০২২

নামাজ পড়ার আহবান করায় এলোপাতাড়ি মারধরের একদিন পর বৃহস্পতিবার রাতে আজিজুল হক হৃদয় (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের মুগসাইর গ্রামে।

আজিজুল হক হৃদয় ওই গ্রামের মো. লিটন মিয়ার পুত্র। সে মুগসাইর এগারগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আজিজুল হক হৃদয় বুধবার আসরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় পার্শ্ববর্তী পশ্চিম পোমকাড়া গ্রামের আবদুল মোনাফের পুত্র মো. ইদ্রিসকে (৩৫) নামাজ পড়তে আহবান জানায়। ওই সময় ইদ্রিস হৃদয়কে গালমন্দ করলে তাদের দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি পরে একপর্যায়ে হাতাহাতি হলে ইদ্রিস তার আঙুলে আঘাত পায়।

ওই সময় ইদ্রিস ও তার সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে হৃদয়কে মারধর এবং পেটের মধ্যে লাথি মারে। তাদের দুজনের মারধরে হৃদয় আহত হয়ে বাড়ি চলে যায়। ঘটনার একদিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হৃদয় পেটের তীব্র ব্যথায় চিৎকার করতে থাকলে পরিবারের লোকজন তাকে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার রাতেই খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং শুক্রবার বিকাল ৫টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি কমল কৃষ্ণ ধর জানান, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে লাশের গায়ে কোনো প্রকার আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যেহেতু মারধরের অভিযোগ উঠেছে, তাই লাশের ময়নাতদন্ত করে শুক্রবার ৫টায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে।