টাঙ্গাইল ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদীর রায়পুরায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে পুজারিদের মাঝে পুজার উপহার শাড়ী ও লুঙ্গী বিতরণ করেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল হক শাপলা দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নরসিংদীর আলতাফকে নতুন ভবনের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরার চরমধুয়ায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায় ইব্রাহিম মিয়া, চান এলাকার সার্বিক উন্নয়ন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা ও ফুলেল শুভেচ্ছা নওগাঁয় ঝুঁকি নেই  শরৎ’র শিশির ভেজা প্রভাতে দেবীদুর্গার আগমন আনন্দে উচ্ছ্বসিত সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান কালিহাতীতে ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বাঘাইকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রুত কলেজে রূপান্তরের ঘোষণা সচিব জিয়াউল হকের নরসিংদীর রায়পুরায় মাসব্যাপী কুটির শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি বদলি

বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি বদলি

বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি মাহমুদা বেগম এর বদলি| একজন সৎ সাহসি যোগ্য কর্মকর্তাকে তদন্ত ছাড়া তড়িঘড়ি করে বদলি করায় নরসিংদীর জনমনে হতাশা বিরাজ করছে| বদলি ঠেকাতে বিভিন্ন মহলের জোর দাবী|

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুস বাণিজ্যের বিস্তৃত চিত্র উঠে এসেছে দীর্ঘ অনুসন্ধানে| এতে শত শত কোটি টাকার কমিশন লেনদেনকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে|
‘ঘুস বানিজ্য সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে এডিসি কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালীদের দাপটে বদলি| একজন সৎ যোগ্য কর্মকর্তাকে তদন্ত ছাড়া তড়িঘড়ি করে বদলি করায় নরসিংদীর জনমনে হতাশা বিরাজ করছে|
অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি), সড়ক ও জনপথ (সওজ) ও গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী, সার্ভেয়ার, কানুনগো, স্থানীয় দালাল ও প্রভাবশালী মহলসহ অন্তত ২০-২৫ জনের একটি চক্র জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছিল| এই চক্রের মাধ্যমে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো হতো|
সরকার অতিরিক্ত রাজ¯^ দেওয়ার কারনে অনেক গুন ব্যায় হইত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) এই ব্যায় ঠেকাতে সৎ সাহসি ভুমিকা নিলে তাকে বদলি করতে দুষ্ট চক্র নানা ষড়যন্ত্র মেতে উঠে|
দুর্নীতির কৌশল হিসেবে কৃষিজমি বা নালাকে ভিটি এবং ভিটিকে বাণিজ্যিক শ্রেণিতে দেখানো হতো| অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের পরও রাতারাতি নিম্নমানের স্থাপনা নির্মাণ করে জমির মূল্য কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়| এসব স্থাপনা পরে বাণিজ্যিক হিসেবে দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেষ্টা করা হয়|
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ঘুস লেনদেনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিপত্র ˆতরি করা হতো| এমনকি এসব চুক্তির কিছু অংশ প্রশাসনিক নথির সঙ্গে সংযুক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা প্রশাসনিক ইতিহাসে বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে|
প্রায় সাড়ে ১৬ একর জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে এই অনিয়মের বিস্তার ঘটে| মসজিদের দানকৃত জমি ব্যক্তির নামে দেখিয়ে ক্ষতিপূরণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা, সরকারি প্রতিষ্ঠানের জমিও ব্যক্তি নামে প্রস্তাব করা—এ ধরনের গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে| তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রকল্পে বরাদ্দ ১২০০ কোটি টাকার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব ˆতরি করা হয়েছিল, যার সঙ্গে বাস্তবতার বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে| এ কারণে বিভিন্ন এলএ কেসে বিপুল সংখ্যক নাম ও স্থাপনা বাতিল করা হয়েছে|
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ পেতে অনেক জমির মালিককে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত টাকা ঘুস হিসেবে দিতে হয়েছে| অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রকৃত মালিকের পরিবর্তে দালালদের মাধ্যমে চেক উত্তোলন করা হয়েছে| ইতোমধ্যে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হলেও এর বড় অংশই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভাগাভাগি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে|
এদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজ¯^) মাহমুদা বেগম দায়িত্ব নেওয়ার পর অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম শনাক্ত করেন| তিনি জমির রেকর্ড, বাস্তব অবস্থা ও আইনগত বিধান যাচাই করে নিয়মবহির্ভূত আবেদন বাতিল করেন এবং নতুন করে যাচাই-বাছাই শুরু করেন| তার এই কঠোর অবস্থানের ফলে সরকারের প্রায় ৩হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা ˆতরি হয় এবং দীর্ঘদিনের ঘুস সিন্ডিকেট ভেঙে পড়ে| তবে প্রভাবশালী মহলের চাপ উপেক্ষা করায় গত ২৭ এপ্রিল তাকে পরিকল্পনা কমিশনে বদলি করা হয়েছে| কয়েকজন দালাল ছাড়া বাকী নরসিংদীবাসীর জোর দাবী একজন সৎ সাহসী প্রতিবাদী মেধাবী এডিসিকে বদলি ঠেকাতে জোর দাবী করা হচ্ছে|
অধিগ্রহণ সিদ্ধান্তের পর নির্মিত ভবনসহ বহু অনিয়ম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা আইনের পরিপন্থী| এসব বাতিল করায় তিনি ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন| এক প্রভাবশালী মহলের অবৈধ তদবির না মানায় তাকে বদলি করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ ওঠেছে| এর আগে ২০২০ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকেও এ প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল| তবে তাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে| এই ঘটনা নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্নীতি আরও বিস্তার লাভ করবে এবং সরকারের বিপুল আর্থিক ব্যাপক ক্ষতি হবে|

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি বদলি

প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি বদলি

বশির আহম্মদ মোল্লা,নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি মাহমুদা বেগম এর বদলি| একজন সৎ সাহসি যোগ্য কর্মকর্তাকে তদন্ত ছাড়া তড়িঘড়ি করে বদলি করায় নরসিংদীর জনমনে হতাশা বিরাজ করছে| বদলি ঠেকাতে বিভিন্ন মহলের জোর দাবী|

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুস বাণিজ্যের বিস্তৃত চিত্র উঠে এসেছে দীর্ঘ অনুসন্ধানে| এতে শত শত কোটি টাকার কমিশন লেনদেনকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে|
‘ঘুস বানিজ্য সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে এডিসি কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালীদের দাপটে বদলি| একজন সৎ যোগ্য কর্মকর্তাকে তদন্ত ছাড়া তড়িঘড়ি করে বদলি করায় নরসিংদীর জনমনে হতাশা বিরাজ করছে|
অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি), সড়ক ও জনপথ (সওজ) ও গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী, সার্ভেয়ার, কানুনগো, স্থানীয় দালাল ও প্রভাবশালী মহলসহ অন্তত ২০-২৫ জনের একটি চক্র জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছিল| এই চক্রের মাধ্যমে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো হতো|
সরকার অতিরিক্ত রাজ¯^ দেওয়ার কারনে অনেক গুন ব্যায় হইত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) এই ব্যায় ঠেকাতে সৎ সাহসি ভুমিকা নিলে তাকে বদলি করতে দুষ্ট চক্র নানা ষড়যন্ত্র মেতে উঠে|
দুর্নীতির কৌশল হিসেবে কৃষিজমি বা নালাকে ভিটি এবং ভিটিকে বাণিজ্যিক শ্রেণিতে দেখানো হতো| অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের পরও রাতারাতি নিম্নমানের স্থাপনা নির্মাণ করে জমির মূল্য কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়| এসব স্থাপনা পরে বাণিজ্যিক হিসেবে দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেষ্টা করা হয়|
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ঘুস লেনদেনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিপত্র ˆতরি করা হতো| এমনকি এসব চুক্তির কিছু অংশ প্রশাসনিক নথির সঙ্গে সংযুক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা প্রশাসনিক ইতিহাসে বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে|
প্রায় সাড়ে ১৬ একর জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে এই অনিয়মের বিস্তার ঘটে| মসজিদের দানকৃত জমি ব্যক্তির নামে দেখিয়ে ক্ষতিপূরণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা, সরকারি প্রতিষ্ঠানের জমিও ব্যক্তি নামে প্রস্তাব করা—এ ধরনের গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে| তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রকল্পে বরাদ্দ ১২০০ কোটি টাকার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব ˆতরি করা হয়েছিল, যার সঙ্গে বাস্তবতার বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে| এ কারণে বিভিন্ন এলএ কেসে বিপুল সংখ্যক নাম ও স্থাপনা বাতিল করা হয়েছে|
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ পেতে অনেক জমির মালিককে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত টাকা ঘুস হিসেবে দিতে হয়েছে| অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রকৃত মালিকের পরিবর্তে দালালদের মাধ্যমে চেক উত্তোলন করা হয়েছে| ইতোমধ্যে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হলেও এর বড় অংশই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভাগাভাগি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে|
এদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজ¯^) মাহমুদা বেগম দায়িত্ব নেওয়ার পর অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম শনাক্ত করেন| তিনি জমির রেকর্ড, বাস্তব অবস্থা ও আইনগত বিধান যাচাই করে নিয়মবহির্ভূত আবেদন বাতিল করেন এবং নতুন করে যাচাই-বাছাই শুরু করেন| তার এই কঠোর অবস্থানের ফলে সরকারের প্রায় ৩হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা ˆতরি হয় এবং দীর্ঘদিনের ঘুস সিন্ডিকেট ভেঙে পড়ে| তবে প্রভাবশালী মহলের চাপ উপেক্ষা করায় গত ২৭ এপ্রিল তাকে পরিকল্পনা কমিশনে বদলি করা হয়েছে| কয়েকজন দালাল ছাড়া বাকী নরসিংদীবাসীর জোর দাবী একজন সৎ সাহসী প্রতিবাদী মেধাবী এডিসিকে বদলি ঠেকাতে জোর দাবী করা হচ্ছে|
অধিগ্রহণ সিদ্ধান্তের পর নির্মিত ভবনসহ বহু অনিয়ম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা আইনের পরিপন্থী| এসব বাতিল করায় তিনি ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন| এক প্রভাবশালী মহলের অবৈধ তদবির না মানায় তাকে বদলি করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ ওঠেছে| এর আগে ২০২০ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকেও এ প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল| তবে তাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে| এই ঘটনা নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্নীতি আরও বিস্তার লাভ করবে এবং সরকারের বিপুল আর্থিক ব্যাপক ক্ষতি হবে|