টাঙ্গাইল ০২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
বর্ধিত মন্ত্রিসভায় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে অন্তর্ভুক্তির দাবি রায়পুরাবাসীর নরসিংদীর রায়পুরায় মানবতার ফেরিওলা অহিদুজ্জামান অহিদ এর অর্থ্যায়নে কয়েক শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার উপহার বিতরণ টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নরসিংদীতে মানবতা সমাজকল্যাণ সংস্থা মাঈনুদ্দিন ভুঁইয়ার নেতৃত্বে কয়েক শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ অধ্যাপক আউয়ালের বাড়িতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত | 2026 কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল নরসিংদীর রায়পুরায় পলাশতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে মোবারক হোসেন কবিরকে দেখতে চায় তৃণমূল নরসিংদীতে আবদুল আলী মৃধা এমপির মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল  ঠাকুরগাঁও মহাসড়কে ট্রাক–ট্রলি সংঘর্ষ, হতাহতের ঘটনা নেই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে: ড. আব্দুল মঈন খান
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

বর্ধিত মন্ত্রিসভায় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে অন্তর্ভুক্তির দাবি রায়পুরাবাসীর

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / ২ বার পড়া হয়েছে

বর্ধিত মন্ত্রিসভায় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে অন্তর্ভুক্তির দাবি রায়পুরাবাসীর

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সম্ভাব্য বর্ধিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।
নেতাকর্মীদের দাবি, সুশিক্ষিত, সৎ, সাহসী, ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন অকুতোভয় সৈনিক এবং নির্লোভ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা।
তাদের মতে, স্বাধীনতার পর এই প্রথম রায়পুরা আসনে বড় ধরনের রক্তপাত বা সহিংসতা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ফলে সম্ভাব্য বর্ধিত মন্ত্রিসভায় নবীন এমপিদের মধ্যে তিনি স্থান পেতে পারেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন রায়পুরাবাসী।
নেতাকর্মীরা মনে করেন, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ও সাহসী ভূমিকা রাখতে পারবেন। এতে সরকারের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
নরসিংদী জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও রায়পুরা উপজেলা বিএনপির চারবারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই জেলার মধ্যে প্রথম রায়পুরা পৌরসভাকে টোলমুক্ত ঘোষণা করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, অটোরিকশা, টেম্পু ও সিএনজি চালকসহ সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন ন্যায়নিষ্ঠ ও আদর্শবান নেতা হিসেবে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। পাশাপাশি রায়পুরা প্রান্তশালা মেঘনা নদীর খেয়াঘাটে ইজারার নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করে সাধারণ মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন। প্রশাসন ও এলাকাবাসীর ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়ে রায়পুরাকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন,
“জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম দায়িত্ব। রায়পুরাবাসীর সার্বিক উন্নয়নই আমার একমাত্র লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মারামারি, দাঙ্গা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ছিনতাই, মাদক, নারী নির্যাতন ও দুর্নীতিসহ সব ধরনের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন।
তিনি দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সম্ভাব্য বর্ধিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে যারা বক্তব্য দিয়েছেন বা সমর্থন জানিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন—
নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফাইজুর রহমান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মহসিন হোসাইন বিদ্যুৎ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এম এন জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল আমিন ভূঁইয়া রুহেল, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হযরত আলী ভূঁইয়া, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর আলম বাদল, সহ-কোষাধ্যক্ষ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভূঁইয়া মোহন।
এছাড়া রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, জহিরুল ইসলাম আপেল, আব্দুল বাতেন, কাজী আসাদুর রহমান মিলন, শাখায়াত হোসেন সরকার, জেলা বিএনপি নেতা শাজাহান সরকার সুহাগ, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি হুমায়ন কবির কামাল ও সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন প্রধান, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মোল্লা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন ভূঁইয়া আলতাফ, রায়পুরা উপজেলা বিএনপির সদস্য ডা. মাহাবুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদ, রায়পুরা উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু ও সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক।
আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ময়নুল ইসলাম সরকার, রায়পুরা পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, জেলা যুবদল কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শোহরাফ হোসেন মুন্না, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাস্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আক্তার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি আফরিন আসাদ, মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. কবির হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন ভূঁইয়া ও আলকাছ মিয়া, রায়পুরা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুররজ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, রায়পুরা পৌর তাঁতী দলের সভাপতি ডা. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া এবং রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তারসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বর্ধিত মন্ত্রিসভায় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে অন্তর্ভুক্তির দাবি রায়পুরাবাসীর

প্রকাশিত : রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বর্ধিত মন্ত্রিসভায় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে অন্তর্ভুক্তির দাবি রায়পুরাবাসীর

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সম্ভাব্য বর্ধিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।
নেতাকর্মীদের দাবি, সুশিক্ষিত, সৎ, সাহসী, ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন অকুতোভয় সৈনিক এবং নির্লোভ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা।
তাদের মতে, স্বাধীনতার পর এই প্রথম রায়পুরা আসনে বড় ধরনের রক্তপাত বা সহিংসতা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ফলে সম্ভাব্য বর্ধিত মন্ত্রিসভায় নবীন এমপিদের মধ্যে তিনি স্থান পেতে পারেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন রায়পুরাবাসী।
নেতাকর্মীরা মনে করেন, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ও সাহসী ভূমিকা রাখতে পারবেন। এতে সরকারের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
নরসিংদী জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও রায়পুরা উপজেলা বিএনপির চারবারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই জেলার মধ্যে প্রথম রায়পুরা পৌরসভাকে টোলমুক্ত ঘোষণা করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, অটোরিকশা, টেম্পু ও সিএনজি চালকসহ সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন ন্যায়নিষ্ঠ ও আদর্শবান নেতা হিসেবে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। পাশাপাশি রায়পুরা প্রান্তশালা মেঘনা নদীর খেয়াঘাটে ইজারার নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করে সাধারণ মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন। প্রশাসন ও এলাকাবাসীর ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়ে রায়পুরাকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন,
“জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম দায়িত্ব। রায়পুরাবাসীর সার্বিক উন্নয়নই আমার একমাত্র লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মারামারি, দাঙ্গা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ছিনতাই, মাদক, নারী নির্যাতন ও দুর্নীতিসহ সব ধরনের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন।
তিনি দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সম্ভাব্য বর্ধিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে যারা বক্তব্য দিয়েছেন বা সমর্থন জানিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন—
নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফাইজুর রহমান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মহসিন হোসাইন বিদ্যুৎ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এম এন জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল আমিন ভূঁইয়া রুহেল, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হযরত আলী ভূঁইয়া, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর আলম বাদল, সহ-কোষাধ্যক্ষ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভূঁইয়া মোহন।
এছাড়া রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, জহিরুল ইসলাম আপেল, আব্দুল বাতেন, কাজী আসাদুর রহমান মিলন, শাখায়াত হোসেন সরকার, জেলা বিএনপি নেতা শাজাহান সরকার সুহাগ, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি হুমায়ন কবির কামাল ও সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন প্রধান, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মোল্লা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন ভূঁইয়া আলতাফ, রায়পুরা উপজেলা বিএনপির সদস্য ডা. মাহাবুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদ, রায়পুরা উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু ও সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক।
আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ময়নুল ইসলাম সরকার, রায়পুরা পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, জেলা যুবদল কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শোহরাফ হোসেন মুন্না, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাস্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আক্তার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি আফরিন আসাদ, মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. কবির হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন ভূঁইয়া ও আলকাছ মিয়া, রায়পুরা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুররজ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, রায়পুরা পৌর তাঁতী দলের সভাপতি ডা. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া এবং রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তারসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।