যিনি ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের সময় ছিলেন বলিষ্ঠ, লড়াকু ও দুঃসাহসিক, বক্তব্য বিবৃতিতে ছিলেন জোরালো।
- প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
- / ৯০ বার পড়া হয়েছে
-
যিনি ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের সময় ছিলেন বলিষ্ঠ, লড়াকু ও দুঃসাহসিক, বক্তব্য বিবৃতিতে ছিলেন জোরালো।
হামলা মামলা আন্দোলন সংগ্রাম জনবল নিয়ে ছিলেন সর্বাধিক সরব,কালিহাতীর এ প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে ডোর টু ডোর নেতাকর্মীদের সাহসের প্রতীক হিসাবে, সকলের নিকট গ্রহন যোগ্য একজন তৃনমুল নেতা। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি হতে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে গত নভেম্বর হতে অদ্যবধি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট নিয়ে দিনের পর দিন ব্যাপক জন সংযোগ করে চলছেন। তিনিই পেশাজীবি সংগঠক, আলোচক ও রাজনৈতিক সংগঠক, কারা নির্যাতিত তৃনমুলের প্রিয় নেতা অধ্যাপক এ কে এম আব্দুল আউয়াল।
তিনি ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে প্রচুর সংখ্যক জনবল নিয়ে রনাঙ্গনে দুঃসাহসিক ভূমিকা পালন, জুলাই ২৪ আন্দোলন, হাসিনা বিরোধী সকল আন্দোলন ২৪ এর ডামি নির্বাচন বিরোধী দলের পক্ষে দিনরাত পথে প্রান্তরে সভা সমাবেশ করে ভোটদানে নিবৃত্ত করেছিলেন। ৭ নভেম্বর যৌথ বাহিনী তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপতার করলে অনেক দিন জেলে ছিলেন।
তিনি তার ৩১ বছরের অধ্যাপনা জীবনে চাকরির হারানোর ভয়কে জয় করে শিক্ষা ও শিক্ষক দের দাবী আদায়ে ছিলেন নির্ভীক।তিনি ১৯৯৪ সাল হতে ২০০০ সালে ১০%, ২০০১ হতে ২০০৬ পর্যন্ত ১০% বেতন বৃদ্ধি,২৫% উৎসব ভাতা, অবসর সুবিধা ও কল্যান ট্রাস্ট আন্দোলনে অগ্রনী ভুমিকা, ২০১৩ সালে প্রেসক্লাব সম্মুখে আন্দোলনে থাকাকালীন বাড়ী ভাড়া ১০০/ হতে ৫০০/ ও মেডিক্যাল ১৫০ হতে ৩০০ টাকার আদায়ে ভূমিকা পালন করেন।২০১০ হতে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন আন্দোলনে সর্বক্ষণ সরব নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন।
এবার ৭ অক্টোবর শিক্ষক মহাসমাবেশে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমান এর সম্মুখে জাতীয়করন দাবীর পক্ষে জোরালো বক্তব্য প্রদান করেন।সকল আন্দোলনে টাংগাইল তথা ঢাকা পর্যন্ত ছিলেন জনবল সহ দুঃসাহসিক।
তিনি বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে
পোল্ট্রি খামারে বিনিয়োগ কৃত পূজি নিরাপদ ও স্থায়ীচত্বশীল ব্যবসায় পরিনত করতে দুইবার সিপি ঘেরাও সহ টাংগাইলে রাবনা বাইপাসে একবার ও এলেংগাতে দুবার রাস্তা অবরোধ মানববন্ধন,স্মারলিপি প্রদান সহ শতাধিক প্রোগ্রাম করে সকলের মন জয় করেন।
তিনি ৫ আগষ্টের পর ৫ তারিখ হতে ৩০ তারিখের মধ্যে কালিহাতীর প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভাতে জনসভা করে দেশকে নতুন করে সাজাতে সবাইকে শৃংখলা বজায় রাখতে সচেতনতা সৃষ্টিতে অনন্য ভূমিকা পালন করেন।
তিনি কালিহাতী র বিএনপি বলতে যা বুঝায় তাদেরকে বিগত ৫ / ৭ বছর যাবৎ ঐক্যবদ্ধ রাখার কারিগর হিসাবে তৃনমুলের একজন গ্রহনযোগ্য নেতা হিসাবে সকলের নিকট গ্রহণ যোগ্য।
কালিহাতীর নেতা কর্মীদের প্রতাশা তিনি এমপি নির্বাচিত হলে নৈতিক ও মান সম্পন্ন শিক্ষা, নেশামুক্ত প্রজন্ম তৈরি করে নীতি নৈতিকতা সম্পন্ন, দুর্নীতি মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন করে আদর্শ ও চেতনার নতুন বাংলাদেশ নতুন কালিহাতী উপহার দিতে সক্ষম হবেন।কালিহাতীর মানুষ পাবে একজন এমপিকে পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়ানো হৃদয়ের এক ফেরিওয়ালা।















