টাঙ্গাইল ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদীর রায়পুরায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে পুজারিদের মাঝে পুজার উপহার শাড়ী ও লুঙ্গী বিতরণ করেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল হক শাপলা দুই হাত ছাড়াই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নরসিংদীর আলতাফকে নতুন ভবনের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরার চরমধুয়ায় ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায় ইব্রাহিম মিয়া, চান এলাকার সার্বিক উন্নয়ন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা ও ফুলেল শুভেচ্ছা নওগাঁয় ঝুঁকি নেই  শরৎ’র শিশির ভেজা প্রভাতে দেবীদুর্গার আগমন আনন্দে উচ্ছ্বসিত সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর ও রান্নাঘর ভাঙচুরের অভিযোগ নরসিংদীর রায়পুরার তিনটি চরাঞ্চলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান কালিহাতীতে ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বাঘাইকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে দ্রুত কলেজে রূপান্তরের ঘোষণা সচিব জিয়াউল হকের নরসিংদীর রায়পুরায় মাসব্যাপী কুটির শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

টাঙ্গাইলের মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে কোটি টাকার রাজস্ব ফাকির অভিযোগ।

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে কোটি টাকার রাজস্ব ফাকির অভিযোগ।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের বটতলায় অবস্থিত মন্টুর বিড়ি মালিক তার বিড়ির প্যাকেটে নকল
বা জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বৎসরে কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব (ভ্যাট) ফাঁকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

তথ্যানুসন্ধারে জানাযায় মন্টুর বিড়ি মালিক ফালু ঘোষ তাদের উৎপাদিত মন্টুর বিড়ির প্যাকেটে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে আসছে। জানা যায় প্রতিটি বিড়ির প্যাকেটে মূল্য সংসোধন কর (মুসক) পরিশোধ বাবদ সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হতে বিড়ির বিড়ি মালিক আসল ব্যান্ডরোল ক্রয় না করে দেশের একটি চোরাচালঅনী চক্রের নিকট হতে নকল ব্যান্ডরোল কিনে তাদের বিড়িতে লাগিয়ে রমরমা সরকারি রাজস্ব (ভ্যাট) ফাঁকি দিয়ে আসছে। মন্টুর বিড়িতে চলছে নকল ব্যান্ডরোল লাগানোর ব্যবসা।

 

তাদের বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার এখন ওপেন সিক্রেট। সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় মন্টুর বিড়ি কারখানায় প্রায় ৫শত মহিলা/পুরুষ শ্রমিক কর্মরত আছে। সপ্তাহে ৪/৫দিন ওই শ্রমিকরা সকাল ৮টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিড়ি তৈরীর কাজে নিয়োজিত থাকে। কিন্তু মন্টুর বিড়ি মালিক সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিকদের সঠিক তালিকা না দিয়ে কারখানায় ৬০/৮০ জন শ্রমিক দেখিয়ে প্রতারনা করে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে ওই বিড়িতে যে পরিমান বিড়ি তৈরী হয় তার সঠিক হিসাব না দিয়ে টাঙ্গাইল কাষ্টমস এক্সসাইজ ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সাথে অতাত করে তারা প্রতি মাসে নামকা ওরাস্তে ভ্যাট পরিশোধ করছে। বিগত দিনে টাঙ্গাইলে কষ্টমস কর্তৃপক্ষ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন বিড়ি কারখানায় অভিযোগ চালিয়ে নকল ব্যান্ডরোল সহ বিড়ি জব্দ করে জরিমানা ও মামলা দায়ের করলেও মন্টুর বিড়িতে কোন অভিযান পরিচালনা না করায় তাদের কাছ হতে টাঙ্গাইল ভ্যাট কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে ওই বিড়ি মালিকের কাছ হতে মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে তাদের বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছে বলে একাধিক নির্ভরশীল সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

বিগত দিনে মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হলেও টাঙ্গাইল ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার ব্যবস্থা বা অভিযান পরিচালনা করেনি বলে গুজন রয়েছে। জানা যায় মন্টুর বিড়ি মালিক ফালু ঘোষ ও টাঙ্গাইল বিড়ি মালিক সমিতির কথিত সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ পাল দীর্ঘ দিন যাবৎ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন বিড়ি
কারখানায় নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহ করে নকল ব্যান্ডরোলের ব্যবসা পরিচালনা করে সরকারী কারখানায় নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহ করে নকল ব্যান্ডরোলের ব্যবসা পরিচালনা করে সরকারী কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকিতে বিড়ি মালিকদের সুযোগ করে দিচ্ছে। জানা যায় শিবনাথ পালের কোন বিড়ি কারখানা না খাকলেও দুই যোগের বেশী সময় ধরে সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যবহার করে তিনি ও ফালু ঘোষ নকল ব্যান্ডরোলের ব্যবসা পরিচালনা করে কালো টাকার মালিক হয়েছেন। মন্টুর  বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার সম্পর্কে ফালু ঘোষের সাথে কথা বললে তিনি এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি।

 

তিনি দম্ভের সাথে বলেছেন কাষ্টমস সহ সকল কর্তৃপক্ষ ম্যানেজ করেই ব্যবসা করছি। মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার সম্পর্কে টাঙ্গাইল কাষ্টমস এর সহকারী কমিশনার সিকদার এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- আমি টাঙ্গাইলে সবেমাত্র এসেছি। মন্টুর বিড়ির নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে কোটি টাকার রাজস্ব ফাকির অভিযোগ।

প্রকাশিত : সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলের মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে কোটি টাকার রাজস্ব ফাকির অভিযোগ।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের বটতলায় অবস্থিত মন্টুর বিড়ি মালিক তার বিড়ির প্যাকেটে নকল
বা জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বৎসরে কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব (ভ্যাট) ফাঁকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

তথ্যানুসন্ধারে জানাযায় মন্টুর বিড়ি মালিক ফালু ঘোষ তাদের উৎপাদিত মন্টুর বিড়ির প্যাকেটে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে আসছে। জানা যায় প্রতিটি বিড়ির প্যাকেটে মূল্য সংসোধন কর (মুসক) পরিশোধ বাবদ সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হতে বিড়ির বিড়ি মালিক আসল ব্যান্ডরোল ক্রয় না করে দেশের একটি চোরাচালঅনী চক্রের নিকট হতে নকল ব্যান্ডরোল কিনে তাদের বিড়িতে লাগিয়ে রমরমা সরকারি রাজস্ব (ভ্যাট) ফাঁকি দিয়ে আসছে। মন্টুর বিড়িতে চলছে নকল ব্যান্ডরোল লাগানোর ব্যবসা।

 

তাদের বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার এখন ওপেন সিক্রেট। সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় মন্টুর বিড়ি কারখানায় প্রায় ৫শত মহিলা/পুরুষ শ্রমিক কর্মরত আছে। সপ্তাহে ৪/৫দিন ওই শ্রমিকরা সকাল ৮টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিড়ি তৈরীর কাজে নিয়োজিত থাকে। কিন্তু মন্টুর বিড়ি মালিক সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিকদের সঠিক তালিকা না দিয়ে কারখানায় ৬০/৮০ জন শ্রমিক দেখিয়ে প্রতারনা করে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে ওই বিড়িতে যে পরিমান বিড়ি তৈরী হয় তার সঠিক হিসাব না দিয়ে টাঙ্গাইল কাষ্টমস এক্সসাইজ ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সাথে অতাত করে তারা প্রতি মাসে নামকা ওরাস্তে ভ্যাট পরিশোধ করছে। বিগত দিনে টাঙ্গাইলে কষ্টমস কর্তৃপক্ষ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন বিড়ি কারখানায় অভিযোগ চালিয়ে নকল ব্যান্ডরোল সহ বিড়ি জব্দ করে জরিমানা ও মামলা দায়ের করলেও মন্টুর বিড়িতে কোন অভিযান পরিচালনা না করায় তাদের কাছ হতে টাঙ্গাইল ভ্যাট কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে ওই বিড়ি মালিকের কাছ হতে মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে তাদের বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছে বলে একাধিক নির্ভরশীল সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

বিগত দিনে মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হলেও টাঙ্গাইল ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার ব্যবস্থা বা অভিযান পরিচালনা করেনি বলে গুজন রয়েছে। জানা যায় মন্টুর বিড়ি মালিক ফালু ঘোষ ও টাঙ্গাইল বিড়ি মালিক সমিতির কথিত সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ পাল দীর্ঘ দিন যাবৎ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন বিড়ি
কারখানায় নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহ করে নকল ব্যান্ডরোলের ব্যবসা পরিচালনা করে সরকারী কারখানায় নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহ করে নকল ব্যান্ডরোলের ব্যবসা পরিচালনা করে সরকারী কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকিতে বিড়ি মালিকদের সুযোগ করে দিচ্ছে। জানা যায় শিবনাথ পালের কোন বিড়ি কারখানা না খাকলেও দুই যোগের বেশী সময় ধরে সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যবহার করে তিনি ও ফালু ঘোষ নকল ব্যান্ডরোলের ব্যবসা পরিচালনা করে কালো টাকার মালিক হয়েছেন। মন্টুর  বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার সম্পর্কে ফালু ঘোষের সাথে কথা বললে তিনি এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি।

 

তিনি দম্ভের সাথে বলেছেন কাষ্টমস সহ সকল কর্তৃপক্ষ ম্যানেজ করেই ব্যবসা করছি। মন্টুর বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার সম্পর্কে টাঙ্গাইল কাষ্টমস এর সহকারী কমিশনার সিকদার এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- আমি টাঙ্গাইলে সবেমাত্র এসেছি। মন্টুর বিড়ির নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।