টাঙ্গাইল ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতী নার্সিং ইনস্টিটিউটে আনন্দঘন পরিবেশে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য ! হুমকির মূখে নদী ,রেলসেতু ও জনবসতি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার একসময়ের জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র বল্লা এলাকার ঐতিহ্যবাহী “আলোছায়া সিনেমা হল” কালিহাতীর মেয়ে প্রেমের টানে বরিশালে আরেক মেয়ের বাড়িতে নরসিংদীতে তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারকে পরিবহণ মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা কালিহাতী উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশের সাথে এক যোগে নরসিংদীতে কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ শুভ উদ্বোধন কালিহাতীতে দৈনিক দেশ রুপান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আউলিয়াবাদে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত নরসিংদীতে জমি অধিগ্রহণে ‘ঘুস সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের দাপটে এডিসি বদলি
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য ! হুমকির মূখে নদী ,রেলসেতু ও জনবসতি

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য !
হুমকির মূখে নদী ,রেলসেতু ও জনবসতি

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌলী, মহেলা ও চর ভাবলা এলাকার লৌহজং ও পুংলি নদীতে ​গভীর রাতে স্থানীয় এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চিহ্নিত বালুখেকোরা নির্ভিগ্নে নদীর বালু বিক্রির মহোৎসব মেতেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে ।
রাতের বেলায় যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, ঠিক সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভেকু দিয়ে নদীর বালিমাটি উত্তোলন করে ট্রাক ড্রামট্রাকে করে অবৈধ মাটি বিক্রির বিক্রিকরে প্রতিরাতে লাখলাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন নির্ভিগ্নে ।যার ফলে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পুংলি নামক স্থানে পুংলি নদীর উপর স্থাপিত রেলসেতুর পূর্বপাশে মহেলা বালুঘাটে নদী হতে অবাদে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় আশংকাসহ রেলসেতুটি হুমকির মূখে পড়েছে। অপরদিকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে স্থানীয় জনবসতির সমূহ ক্ষতির শংকা রয়েছে।এছাড়াও রেলওয়ের নির্মিত সেতুরক্ষা বাঁধের সড়কটি বহুলাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভারী ট্রাক ড্রামট্রাকে বালু পরিবহনের কারনে।
পুংলি রেলসেতুর পূর্বাংশে মহেলা বালুঘাট পরিচালনার মূল দায়িত্বে রয়েছেন বালুখেকো হিসাবে সমধিক পরিচিত মহেলার তোফাজ্জল হোসেন। তারসাথে যুক্ত আছেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা-বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক পরিচয়দানকারী জনৈক ব্যক্তি এবং গালা ইউনিয়ন বিএনপি ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি ।তারা সরাসরি মহেলা বালুঘাটে উপস্থিত থেকে প্রচার করছেন যে,টাঙ্গাইল ৪ কালিহাতী আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন সাহেবের অনুমোতিক্রমেই বালুঘাট পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী বালুখেকো বাহার উদ্দিন ও এমপি মতিন সাহেবের নিজ গ্রাম রাজাবাড়ীর উজ্জ্বল সরকারের নেতৃত্বে পৌলী, তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে মহেলা,অছিম উদ্দিনের নেতৃত্বে চর ভাবলায় রাতের আঁধারে নদী থেকে অবিরত বালু উত্তোলন ও বিক্রিকরে ভারী ট্রাক ড্রাম ট্রাকে পরিবহনের কারনে সরকারি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জনচলাচলে দূর্ভোগ তৈরি হচ্ছে।এছাড়াও বালুখেকো চক্রের সীমাহীন দৌরাত্ম্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী নদী পাড়ের পানুষ পুংলি রেলসেতু ,জনবসতি ও আশপাশের ফসলি জমি ।
​সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌলী, মহেলা ও চর ভাবলার লৌহজং ও পুংলি নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে স্থানীয় একাধিক অসাধু চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধভাবে নদীর বালুমাটির ব্যবসা পরিচালনা করলেও হালে তারা স্থানীয় এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছেন বলে গুরুতর অভুযোগ ওঠেছে।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই নদীপাড়ের নির্জন এলাকায় ভিড় করে সারি সারি ট্রাক,ড্রামট্রাক। শক্তিশালী ভেকু দিয়ে অবিরাম কেটে নেওয়া হচ্ছে নদী থেকে পরে সেই মাটি ট্রাকযোগে পাঠানো হচ্ছে জেলার বিভিন্ন জায়গায়।

​স্থানীয় বাসিন্দা রহিম মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ভয়ে মুখ খুলতে পারি না,তারা প্রভাবশালী লোক এবং ক্ষমতাসীন দলের কর্তা ব্যক্তিদের সাথে দহরম মহরম। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো আমাদেরকেই মামলা-হামলার ভয় দেখানো হয় বলেও তিনি ক্ষেদোক্তি করেন।
ওই ব্যক্তি আরো বলেন,এভাবে নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালিমাটি উত্তসলন অব্যহত থাকলে আগামী বর্ষায় আমাদের ভিটেমাটি আর অবশিষ্ট থাকবে না,তা সকলের চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
​পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে একদিকে যেমন নদীর ভাঙন ত্বরান্বিত হচ্ছে, অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধিতএহচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, অবৈধভাবে বালু তোলার খবর পেয়ে কয়েকবার বাধা দেওয়া হলেও বালুখেকো চক্রটি দমে না, বরং রাতের আঁধারে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

​এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসন অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ট্রাক,বালিমাটি জব্দ ও জরিমানা কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।তবে রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপের কারনে কখনো কখনো আমাদের বিব্রতও হতে হয়।
এবিষয়ে স্থানীয় এমপি লুৎফর রহমান মতিন সাহেবের মতামত জানার জন্য টেলিফোনে তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিপ্ট করেননি।
​স্থানীয়রা অবিলম্বে মহেলা, পৌলী ও চরভাবলার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা প্রশাসন,পানি উন্নয়ন বোর্ড,রেলওয়ের উর্ধতন কর্ত়পক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে অবৈধ বালু মাটি উত্তোলন ও বিক্রির সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিদাবী করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য ! হুমকির মূখে নদী ,রেলসেতু ও জনবসতি

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য !
হুমকির মূখে নদী ,রেলসেতু ও জনবসতি

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌলী, মহেলা ও চর ভাবলা এলাকার লৌহজং ও পুংলি নদীতে ​গভীর রাতে স্থানীয় এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চিহ্নিত বালুখেকোরা নির্ভিগ্নে নদীর বালু বিক্রির মহোৎসব মেতেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে ।
রাতের বেলায় যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, ঠিক সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভেকু দিয়ে নদীর বালিমাটি উত্তোলন করে ট্রাক ড্রামট্রাকে করে অবৈধ মাটি বিক্রির বিক্রিকরে প্রতিরাতে লাখলাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন নির্ভিগ্নে ।যার ফলে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পুংলি নামক স্থানে পুংলি নদীর উপর স্থাপিত রেলসেতুর পূর্বপাশে মহেলা বালুঘাটে নদী হতে অবাদে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় আশংকাসহ রেলসেতুটি হুমকির মূখে পড়েছে। অপরদিকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে স্থানীয় জনবসতির সমূহ ক্ষতির শংকা রয়েছে।এছাড়াও রেলওয়ের নির্মিত সেতুরক্ষা বাঁধের সড়কটি বহুলাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভারী ট্রাক ড্রামট্রাকে বালু পরিবহনের কারনে।
পুংলি রেলসেতুর পূর্বাংশে মহেলা বালুঘাট পরিচালনার মূল দায়িত্বে রয়েছেন বালুখেকো হিসাবে সমধিক পরিচিত মহেলার তোফাজ্জল হোসেন। তারসাথে যুক্ত আছেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা-বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক পরিচয়দানকারী জনৈক ব্যক্তি এবং গালা ইউনিয়ন বিএনপি ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি ।তারা সরাসরি মহেলা বালুঘাটে উপস্থিত থেকে প্রচার করছেন যে,টাঙ্গাইল ৪ কালিহাতী আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন সাহেবের অনুমোতিক্রমেই বালুঘাট পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী বালুখেকো বাহার উদ্দিন ও এমপি মতিন সাহেবের নিজ গ্রাম রাজাবাড়ীর উজ্জ্বল সরকারের নেতৃত্বে পৌলী, তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে মহেলা,অছিম উদ্দিনের নেতৃত্বে চর ভাবলায় রাতের আঁধারে নদী থেকে অবিরত বালু উত্তোলন ও বিক্রিকরে ভারী ট্রাক ড্রাম ট্রাকে পরিবহনের কারনে সরকারি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জনচলাচলে দূর্ভোগ তৈরি হচ্ছে।এছাড়াও বালুখেকো চক্রের সীমাহীন দৌরাত্ম্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী নদী পাড়ের পানুষ পুংলি রেলসেতু ,জনবসতি ও আশপাশের ফসলি জমি ।
​সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌলী, মহেলা ও চর ভাবলার লৌহজং ও পুংলি নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে স্থানীয় একাধিক অসাধু চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধভাবে নদীর বালুমাটির ব্যবসা পরিচালনা করলেও হালে তারা স্থানীয় এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছেন বলে গুরুতর অভুযোগ ওঠেছে।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই নদীপাড়ের নির্জন এলাকায় ভিড় করে সারি সারি ট্রাক,ড্রামট্রাক। শক্তিশালী ভেকু দিয়ে অবিরাম কেটে নেওয়া হচ্ছে নদী থেকে পরে সেই মাটি ট্রাকযোগে পাঠানো হচ্ছে জেলার বিভিন্ন জায়গায়।

​স্থানীয় বাসিন্দা রহিম মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ভয়ে মুখ খুলতে পারি না,তারা প্রভাবশালী লোক এবং ক্ষমতাসীন দলের কর্তা ব্যক্তিদের সাথে দহরম মহরম। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো আমাদেরকেই মামলা-হামলার ভয় দেখানো হয় বলেও তিনি ক্ষেদোক্তি করেন।
ওই ব্যক্তি আরো বলেন,এভাবে নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালিমাটি উত্তসলন অব্যহত থাকলে আগামী বর্ষায় আমাদের ভিটেমাটি আর অবশিষ্ট থাকবে না,তা সকলের চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
​পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে একদিকে যেমন নদীর ভাঙন ত্বরান্বিত হচ্ছে, অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধিতএহচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, অবৈধভাবে বালু তোলার খবর পেয়ে কয়েকবার বাধা দেওয়া হলেও বালুখেকো চক্রটি দমে না, বরং রাতের আঁধারে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

​এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসন অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ট্রাক,বালিমাটি জব্দ ও জরিমানা কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।তবে রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপের কারনে কখনো কখনো আমাদের বিব্রতও হতে হয়।
এবিষয়ে স্থানীয় এমপি লুৎফর রহমান মতিন সাহেবের মতামত জানার জন্য টেলিফোনে তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিপ্ট করেননি।
​স্থানীয়রা অবিলম্বে মহেলা, পৌলী ও চরভাবলার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা প্রশাসন,পানি উন্নয়ন বোর্ড,রেলওয়ের উর্ধতন কর্ত়পক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে অবৈধ বালু মাটি উত্তোলন ও বিক্রির সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিদাবী করেছেন।