টাঙ্গাইল ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নরসিংদী জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিএনপি’র চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল মারা-মারি,লুটপাট,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজীর দিন শেষ-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলাদেশ-ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে জমকালো ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত নরসিংদীর রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, বিচার দাবীতে মানববন্ধন কালিহাতীতে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত অরক্ষিত বাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ গরুর মৃত্যু, ক্ষোভ এলাকাবাসীর নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি ৩নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৭ বছরের পূর্তি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা নরসিংদী রেলস্টেশনে নিহত সাথী বেগমের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা প্রদান জেলা প্রশাসক আরাফ বাংলাদেশের রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত। নরসিংদীর মাও. ওমর ফারুক এর ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, মাদক-সন্ত্রাস দমনের দাবি
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / ৩৭ বার পড়া হয়েছে

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলে প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরীর অস্তিত্ব থাকলেও এসব কারখানায় উৎপাদিত বিড়ি সরকার নির্ধারিত মূল্য ও রাজস্ব কাঠামোকে উপেক্ষা করে বাজারজাত করছে সংশ্লিষ্ট বিড়ি মালিকরা। প্রতি প্যাকেটে বিড়ির বাজার মূল্য ১৮ থেকে ২০ টাকা হলেও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাট বাজার ও দোকানপাটগুলোতে সেই বিড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।
যেখানে  প্রতি প্যাকেট বিড়ির জন্য সরকার নির্ধারিত ব্যান্ডরোল এর দাম প্রায় ৯ টাকা সেখানে বিড়ির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১০টাকায়। যা রাজস্ব ফাকির সুষ্পষ্ট প্রমান বহন করে। সত্যিকার অর্থে অধিকাংশ বিড়ির প্যাকেটে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছ কিছু ক্ষেত্রে একই ব্যান্ডরোল বারবার ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
জানা যায়, নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত মিলিয়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরী রয়েছে। এর মধ্যে মটর বিড়ি, মুকুট বিড়ি, লাকী বিড়ি, মন্টুর বিড়ি, হক বিড়ি,নিউ লাকী বিড়ি, নিউ মুকুট বিড়ি, মোহিনী বিড়ি, পাখা বিড়ি, মিষ্টি বিড়ি, রেখা বিড়ি, সাইফ বিড়ি, সিয়াম বিড়ি, মধু বিড়ি, মিরাজ বিড়ি, দেওয়ান বিড়ি, হালিম বিড়ি, যমুনা বিড়ি, ৫নং বিড়ি, নিশান বিড়ি, ফুল বিড়ি, সাইকেল বিড়ি, মিঠু বিড়ি, সোহাগ বিড়ি ও জীবন বিড়ি উল্লেখযোগ্য।
এসব বিড়ি ফ্যাক্টরীর মধ্যে অনেকের বৈধ কারখানা নাই। কারখানা থাকলেও তাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অনেকেই স্থানীয় কাস্টমস অফিসের সহযোগীতায় চুক্তিবদ্ধ ব্যান্ডরোল উত্তোলন করলেও জাল ও একাধিকরার ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের উপর বেশি নির্ভরশীল। ফলে সরকার প্রতিবছর এ শিল্প থেকে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে।
সংশিষ্ট নিরপেক্ষ তদারকি  কর্মকর্তাদের সুষ্ঠু ও  নিরপেক্ষ তদন্ত কার্যক্র না থাকায় এসব বিড়ি মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

প্রকাশিত : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বিড়ি শিল্পের আড়ালে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলে প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরীর অস্তিত্ব থাকলেও এসব কারখানায় উৎপাদিত বিড়ি সরকার নির্ধারিত মূল্য ও রাজস্ব কাঠামোকে উপেক্ষা করে বাজারজাত করছে সংশ্লিষ্ট বিড়ি মালিকরা। প্রতি প্যাকেটে বিড়ির বাজার মূল্য ১৮ থেকে ২০ টাকা হলেও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাট বাজার ও দোকানপাটগুলোতে সেই বিড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।
যেখানে  প্রতি প্যাকেট বিড়ির জন্য সরকার নির্ধারিত ব্যান্ডরোল এর দাম প্রায় ৯ টাকা সেখানে বিড়ির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১০টাকায়। যা রাজস্ব ফাকির সুষ্পষ্ট প্রমান বহন করে। সত্যিকার অর্থে অধিকাংশ বিড়ির প্যাকেটে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছ কিছু ক্ষেত্রে একই ব্যান্ডরোল বারবার ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
জানা যায়, নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত মিলিয়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৩০টি বিড়ি ফ্যাক্টরী রয়েছে। এর মধ্যে মটর বিড়ি, মুকুট বিড়ি, লাকী বিড়ি, মন্টুর বিড়ি, হক বিড়ি,নিউ লাকী বিড়ি, নিউ মুকুট বিড়ি, মোহিনী বিড়ি, পাখা বিড়ি, মিষ্টি বিড়ি, রেখা বিড়ি, সাইফ বিড়ি, সিয়াম বিড়ি, মধু বিড়ি, মিরাজ বিড়ি, দেওয়ান বিড়ি, হালিম বিড়ি, যমুনা বিড়ি, ৫নং বিড়ি, নিশান বিড়ি, ফুল বিড়ি, সাইকেল বিড়ি, মিঠু বিড়ি, সোহাগ বিড়ি ও জীবন বিড়ি উল্লেখযোগ্য।
এসব বিড়ি ফ্যাক্টরীর মধ্যে অনেকের বৈধ কারখানা নাই। কারখানা থাকলেও তাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অনেকেই স্থানীয় কাস্টমস অফিসের সহযোগীতায় চুক্তিবদ্ধ ব্যান্ডরোল উত্তোলন করলেও জাল ও একাধিকরার ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের উপর বেশি নির্ভরশীল। ফলে সরকার প্রতিবছর এ শিল্প থেকে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে।
সংশিষ্ট নিরপেক্ষ তদারকি  কর্মকর্তাদের সুষ্ঠু ও  নিরপেক্ষ তদন্ত কার্যক্র না থাকায় এসব বিড়ি মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং