টাঙ্গাইল ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতী থানার ওসির , এস আই ও ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ নানা অনিয়ম দমনে কঠোর অবস্থানে কালিহাতীর ইউএনও খায়রুল ইসলাম নরসিংদীর “রায়পুরায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩৫ কেজি গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩” নরসিংদীতে উৎসবমুখর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর ফাইনাল খেলায় রায়পুরা উপজেলা বিজয়ী শান্তি-সম্প্রীতি ও সহাবস্থান নিশ্চিতকরণে মনোহরদী পিএফজি’র নাগরিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রত্যয় গত ২০ বছরে একটি জেনারেশন নষ্ট হয়েছে- বিএমইউ উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী নাগবাড়ী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের যুব আন্দোলন সভাপতি  নুর আলম কাপ্পির বাড়িতে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নরসিংদীর রায়পুরায় আশ্বাস প্রকল্পের মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির দাবি টার্গেট প্রপার নিউজের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল থেকে |

নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল থেকে | 

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর মহেরা রাবেয়া সিরাজ উচ্চ বিদ্যালয় | ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন ,জন্মদাত্রী মা রাবেয়া সিরাজের নামে এই উচ্চবিদ্যালয়ের সূচনা এবং আমার বাবা স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শীর্ষ সংগঠক এবং কালিকাতির আপামর মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা শাহজাহান সাহেবের স্মৃতি বিজড়িত মহিলা গ্রাম এই গ্রামে আমাদের একটা দুর্ভেদ দুর্গ বলা যেতে পারে বহু শুভাকাঙ্ক্ষী এই গ্রামের ঘরে ঘরে এখানে যারা আছেন তারা জানেন এবং আপনাদের সবার জন্য আমার একটা সুসংবাদ নিয়ে আমি এসেছি। আলহামদুলিল্লাহ। আমার মায়ের নাম যেহেতু এই প্রতিষ্ঠানের সাথে আছে এবং কালিহাতিতে আমার মায়ের বাড়ি কিন্তু বাগেরহাট। বিবাহ বন্ধনের কারণে কালিহাতির গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তার পায়ের ছাপ আছে। এবং জীবনের একটা বিশাল অংশ আমার মা এই কালিহাতির মানুষের সাথে ব্যয় করে গেছে। যদি জিজ্ঞাসা করেন উনি বাগেরহাটে বা খুলনাতে কতদিন গেছেন? আর টাঙ্গাইলে কালিহাতিতে উনি কতদিন সময় কাটিয়েছেন জীবনের নারীর যা ধর্ম সেটাই কিন্তু উনি পালন করে গেছেন কালিহাতিতে এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে উনি জড়িত কিন্তু একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উনার নামের সাথে জড়িত তার নামটা এই প্রতিষ্ঠানটা বহন করে এবং এটা এমন একটা গ্রামে যে গ্রামের মানুষের জন্য আমার মা এবং বাবা উভয় অন্তপ্রাণ ছিলেন। আমার মা দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত। উনার কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে এবং কিডনি প্রতিস্থাপনের কারণে বর্তমানে উনার বাইরে বের হওয়া মানে জীবনের জন্য জটিল বিষয়। উনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন এবং আমাকে উনি অনুরোধ করেছেন যে আজকে তুমি স্কুলটাতে যাও। তারপরে অনেকটা বলা যায় আমি উনার সাথে দেখা করে যে আজকে কিন্তু একটু আসতে হবে। যে এটা অনেকটা আমার মাতৃদায় যে আমার শাজাহান সিরাজ কলেজ আমার পিতৃদায়। এখানে আমার মায়ের নাম বিজড়িত, স্মৃতি বিজড়িত, তার হাতের ছোঁয়া আছে। তার নামের পরশ আছে। কাজেই এর প্রতি আমার একটা দায়বদ্ধতা আছে। তারই ফলশ্রুতিতে আমার সাথে হেডমাস্টার সাহেবের যোগাযোগের সূত্রে উনি বিভিন্ন সময় বলে আসছিলেন যে, এই স্কুলের জন্য আমাদের কিছু উন্নয়ন প্রয়োজন। এবং বিশেষ করে এখানে প্রাচীরের ব্যাপারে উনার বক্তব্য ছিল শিক্ষা উপকরণ ইত্যাদির বিষয়ে তা আমি চেষ্টা করছিলাম বিশেষ করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কিভাবে এই স্কুলটির জন্য কিছু আনা যায় কিছু করা যায় সেটা অনেকটা যে উনার অনুরোধ সেটাও অনেকটা আমার নিজস্ব উদ্যোগ এবং তারই ফলস্মৃতিতে সাফল্য এসেছে আলহামদুলিল্লাহ এবং পুরো টাঙ্গাইল জেলা তে আমরা কালিহাতিতে ফর এক্সাম্পল আমরা দুটা বিল্ডিং আনতে পেরেছি একটা হচ্ছে কালিহাতি শাহজাহান সিরাজ কলেজ জানেন বোধয় কালিহাতি শাহজাহান সিরাজ কলেজ একমাত্র কলেজ যেটা বেসরকারি হিসাবে আমরা একটা চারতলা বিল্ডিং গভমেন্ট থেকে আমাদের গ্রান্ট করেছে এবং আপনাদের এই স্কুলটা আমরা এখনো বিল্ডিং পাইনি কিন্তু আমরা আপনাদের জন্য একটা ভালোঅমাউন্ট আমরা পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের হাতে এটা আনুষ্ঠানিকভাবে একটু দিতে চাচ্ছি এটা শিক্ষা প্রকৌশল থেকে আপনাদের জন্য এখানে ময়লার আগে সিরাজের কাজের জন্য 15 লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এটা আপনার হাতে আমি তুলে দিতে চাচ্ছি আপনারা আশা করি উন্নয়ন কাজে স্কুলের শ্রীবৃত্তিতে ব্যবহার করবেন এটা আমার অনুরোধ এটা আমার একটা আবেদন এবং একটা দাবি এবং ময়লা রাবেয়া সিরাজ উচ্চবিদ্যালয়ের জন্য বরাত ১৫ লক্ষ টাকা আমাদের এই বিদ্যালয়ের সংস্কার এবং মেরামত কাজের জন্য ১৫ লক্ষ টাকার যে অনুদান গণপদী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক এই টাকা প্রাপ্তি বা এই অনুদান প্রাপ্তির ব্যাপারে আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক সাবেক মন্ত্রী জনাব শাহজাহান সিরাজ এবং অত্র বিদ্যালয়ের যার নামে অত্র বিদ্যালয় রাবেয়া সিরাজ উচ্চবিদ্যালয় সেই রাবেয়া সিরাজ সচিন্ত কন্যা জনাব শুক্লা সিরাজ আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং নিয়াজ আমাদের বিদ্যালয়ে এসেছিলেন বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য উনার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য উনি বিদ্যালয়ের পাশে থাকবেন এবং উনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে সুস্থ করেছেন তার জন্য আমরা জনাব শুক্লা সিরাজকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল থেকে |

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল থেকে | 

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর মহেরা রাবেয়া সিরাজ উচ্চ বিদ্যালয় | ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন ,জন্মদাত্রী মা রাবেয়া সিরাজের নামে এই উচ্চবিদ্যালয়ের সূচনা এবং আমার বাবা স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শীর্ষ সংগঠক এবং কালিকাতির আপামর মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা শাহজাহান সাহেবের স্মৃতি বিজড়িত মহিলা গ্রাম এই গ্রামে আমাদের একটা দুর্ভেদ দুর্গ বলা যেতে পারে বহু শুভাকাঙ্ক্ষী এই গ্রামের ঘরে ঘরে এখানে যারা আছেন তারা জানেন এবং আপনাদের সবার জন্য আমার একটা সুসংবাদ নিয়ে আমি এসেছি। আলহামদুলিল্লাহ। আমার মায়ের নাম যেহেতু এই প্রতিষ্ঠানের সাথে আছে এবং কালিহাতিতে আমার মায়ের বাড়ি কিন্তু বাগেরহাট। বিবাহ বন্ধনের কারণে কালিহাতির গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তার পায়ের ছাপ আছে। এবং জীবনের একটা বিশাল অংশ আমার মা এই কালিহাতির মানুষের সাথে ব্যয় করে গেছে। যদি জিজ্ঞাসা করেন উনি বাগেরহাটে বা খুলনাতে কতদিন গেছেন? আর টাঙ্গাইলে কালিহাতিতে উনি কতদিন সময় কাটিয়েছেন জীবনের নারীর যা ধর্ম সেটাই কিন্তু উনি পালন করে গেছেন কালিহাতিতে এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে উনি জড়িত কিন্তু একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উনার নামের সাথে জড়িত তার নামটা এই প্রতিষ্ঠানটা বহন করে এবং এটা এমন একটা গ্রামে যে গ্রামের মানুষের জন্য আমার মা এবং বাবা উভয় অন্তপ্রাণ ছিলেন। আমার মা দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত। উনার কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে এবং কিডনি প্রতিস্থাপনের কারণে বর্তমানে উনার বাইরে বের হওয়া মানে জীবনের জন্য জটিল বিষয়। উনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন এবং আমাকে উনি অনুরোধ করেছেন যে আজকে তুমি স্কুলটাতে যাও। তারপরে অনেকটা বলা যায় আমি উনার সাথে দেখা করে যে আজকে কিন্তু একটু আসতে হবে। যে এটা অনেকটা আমার মাতৃদায় যে আমার শাজাহান সিরাজ কলেজ আমার পিতৃদায়। এখানে আমার মায়ের নাম বিজড়িত, স্মৃতি বিজড়িত, তার হাতের ছোঁয়া আছে। তার নামের পরশ আছে। কাজেই এর প্রতি আমার একটা দায়বদ্ধতা আছে। তারই ফলশ্রুতিতে আমার সাথে হেডমাস্টার সাহেবের যোগাযোগের সূত্রে উনি বিভিন্ন সময় বলে আসছিলেন যে, এই স্কুলের জন্য আমাদের কিছু উন্নয়ন প্রয়োজন। এবং বিশেষ করে এখানে প্রাচীরের ব্যাপারে উনার বক্তব্য ছিল শিক্ষা উপকরণ ইত্যাদির বিষয়ে তা আমি চেষ্টা করছিলাম বিশেষ করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কিভাবে এই স্কুলটির জন্য কিছু আনা যায় কিছু করা যায় সেটা অনেকটা যে উনার অনুরোধ সেটাও অনেকটা আমার নিজস্ব উদ্যোগ এবং তারই ফলস্মৃতিতে সাফল্য এসেছে আলহামদুলিল্লাহ এবং পুরো টাঙ্গাইল জেলা তে আমরা কালিহাতিতে ফর এক্সাম্পল আমরা দুটা বিল্ডিং আনতে পেরেছি একটা হচ্ছে কালিহাতি শাহজাহান সিরাজ কলেজ জানেন বোধয় কালিহাতি শাহজাহান সিরাজ কলেজ একমাত্র কলেজ যেটা বেসরকারি হিসাবে আমরা একটা চারতলা বিল্ডিং গভমেন্ট থেকে আমাদের গ্রান্ট করেছে এবং আপনাদের এই স্কুলটা আমরা এখনো বিল্ডিং পাইনি কিন্তু আমরা আপনাদের জন্য একটা ভালোঅমাউন্ট আমরা পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের হাতে এটা আনুষ্ঠানিকভাবে একটু দিতে চাচ্ছি এটা শিক্ষা প্রকৌশল থেকে আপনাদের জন্য এখানে ময়লার আগে সিরাজের কাজের জন্য 15 লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এটা আপনার হাতে আমি তুলে দিতে চাচ্ছি আপনারা আশা করি উন্নয়ন কাজে স্কুলের শ্রীবৃত্তিতে ব্যবহার করবেন এটা আমার অনুরোধ এটা আমার একটা আবেদন এবং একটা দাবি এবং ময়লা রাবেয়া সিরাজ উচ্চবিদ্যালয়ের জন্য বরাত ১৫ লক্ষ টাকা আমাদের এই বিদ্যালয়ের সংস্কার এবং মেরামত কাজের জন্য ১৫ লক্ষ টাকার যে অনুদান গণপদী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক এই টাকা প্রাপ্তি বা এই অনুদান প্রাপ্তির ব্যাপারে আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক সাবেক মন্ত্রী জনাব শাহজাহান সিরাজ এবং অত্র বিদ্যালয়ের যার নামে অত্র বিদ্যালয় রাবেয়া সিরাজ উচ্চবিদ্যালয় সেই রাবেয়া সিরাজ সচিন্ত কন্যা জনাব শুক্লা সিরাজ আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং নিয়াজ আমাদের বিদ্যালয়ে এসেছিলেন বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য উনার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য উনি বিদ্যালয়ের পাশে থাকবেন এবং উনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে সুস্থ করেছেন তার জন্য আমরা জনাব শুক্লা সিরাজকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি।