টাঙ্গাইল ০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
কালিহাতীতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত র‌্যালি ও আলোচনা সভা, নতুন কমিটি গঠনের দাবি নওগাঁয় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধ’র্ষ’ণ চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধ আ’টক স্ত্রী মলির হাতে স্বামী হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন উন্নয়ন ও শান্তির পথে রায়পুরা শিক্ষা,স্বাস্থ্য,যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপিকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা ১১ দলের তথাকথিত লংমার্চ ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা, সজাগ থাকার আহ্বান…. ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লার বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আ:মঈন খান এলজিইডির বদলি আদেশ অমান্য: কালিহাতীতে দায়িত্ব হস্তান্তর না করে বহাল প্রকৌশলী !ছানোয়ারের খুটির জোর কোথায়? এমপি লুৎফর রহমান মতিনের জন্য মুসল্লিদের কাছে দোয়া চাইলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মনির নওগাঁয় শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসবে শোভাযাত্রা কালিহাতীতে ‘জাতীয়তাবাদী শক্তির মিলন মেলা’ অনুষ্ঠিত
ব্রেকিং নিউজ :
আপনারা সর্বশেষ নিউজের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে ফলো করে রাখুন ... ATV Bangla News

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ

মো:নাহিদ খান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে ৪ মার্চ তার নিজ ইউনিয়ন সহদেবপুরে হাজার হাজার জনতা বিক্ষোভ করেছে। উল্লেখ্য,গত ৩ মার্চ একটি শালিশী বৈঠকে তার উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।৪ মার্চ সকাল থেকেই শুকুর মাহমুদের এলাকায় তার অনুসারী বিক্ষুব্ধ জনতা সহদেবপুর খেলার মাঠে জমায়েত হতে থাকে। সময় বাড়ার সাথে সাথে মানুষ বাড়তে থাকে।এক পর্যায়ে মাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিল নিয়ে সাকরাইল গ্রাম আক্রমণ করতে এগিয়ে যেতে থাকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাধারণ জনগণকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় খেলার মাঠ ও সহদেবপুর বাজারে একত্রিত হয়ে সমাবেশ করতে থাকে। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আলী, বিএনপি নেতা সামশুল ফকির, আবুবকর মল্লিক, যুবদল নেতা রাজা ও শুকুর মাহমুদের ছেলে মেহেদী হাসান প্রমুখ। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকলে শুকুর মাহমুদ এম্বুলেন্সে করে তার এলাকার চলে আসেন। তিনি এম্বুলেন্সে বসেই বিক্ষুব্ধ জনতাকে ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান। শুকুর মাহমুদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ বাড়ি ফিরে যায়।
এ বিষয়ে শুকুর মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ” কয়েকদিন আগে মুলিয়া ও সাকরাইল গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি গন্ডগোল হয়।এটি মীমাংসার জন্য আমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। শালিশে সাঁকরাইলের পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তী তারিখে শালিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এরই মধ্যে সাঁকরাইলের কয়েকজন যুবক হঠাৎ করে উচ্চ স্বরে কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার মাথায় আঘাত লাগে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।” শুকুর মাহমুদ কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুকুর মাহমুদের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, অপরাধীদের গ্রেফতার করার আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ

প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাজার জনতার বিক্ষোভ
নেক্সটনিউজ প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শুকুর মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে ৪ মার্চ তার নিজ ইউনিয়ন সহদেবপুরে হাজার হাজার জনতা বিক্ষোভ করেছে। উল্লেখ্য,গত ৩ মার্চ একটি শালিশী বৈঠকে তার উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।৪ মার্চ সকাল থেকেই শুকুর মাহমুদের এলাকায় তার অনুসারী বিক্ষুব্ধ জনতা সহদেবপুর খেলার মাঠে জমায়েত হতে থাকে। সময় বাড়ার সাথে সাথে মানুষ বাড়তে থাকে।এক পর্যায়ে মাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিল নিয়ে সাকরাইল গ্রাম আক্রমণ করতে এগিয়ে যেতে থাকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাধারণ জনগণকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় খেলার মাঠ ও সহদেবপুর বাজারে একত্রিত হয়ে সমাবেশ করতে থাকে। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আলী, বিএনপি নেতা সামশুল ফকির, আবুবকর মল্লিক, যুবদল নেতা রাজা ও শুকুর মাহমুদের ছেলে মেহেদী হাসান প্রমুখ। বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় মিছিলের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকলে শুকুর মাহমুদ এম্বুলেন্সে করে তার এলাকার চলে আসেন। তিনি এম্বুলেন্সে বসেই বিক্ষুব্ধ জনতাকে ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান। শুকুর মাহমুদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জনগণ বাড়ি ফিরে যায়।
এ বিষয়ে শুকুর মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ” কয়েকদিন আগে মুলিয়া ও সাকরাইল গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি গন্ডগোল হয়।এটি মীমাংসার জন্য আমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। শালিশে সাঁকরাইলের পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় পরবর্তী তারিখে শালিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এরই মধ্যে সাঁকরাইলের কয়েকজন যুবক হঠাৎ করে উচ্চ স্বরে কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার মাথায় আঘাত লাগে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।” শুকুর মাহমুদ কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুকুর মাহমুদের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, অপরাধীদের গ্রেফতার করার আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেছি।